২০২৭ সালের জন্য সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থার হজ প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। এবার সরকারিভাবে হজের সর্বনিম্ন (সাশ্রয়ী) প্যাকেজের খরচ ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা। অন্যদিকে, উন্নত সুবিধার সরকারি প্যাকেজ-১ এর খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা।
এছাড়া বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সাধারণ হজ প্যাকেজের খরচ ধরা হয়েছে ৫ লাখ ১৩ হাজার ৬৪৮ টাকা।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই হজ প্যাকেজ ঘোষণা করেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।
সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী জানান, সরকারি প্যাকেজের অধীনে হজযাত্রীদের জন্য দুটি ধাপে সুবিধার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে:
প্যাকেজ-১ (উন্নত সুবিধা): মক্কায় হারাম শরিফ থেকে ১,০০০ থেকে ১,৪০০ মিটারের মধ্যে এবং মদিনার মারকাজিয়া এলাকায় আবাসনের ব্যবস্থা থাকবে। মিনায় জোন-২-এ তাঁবু এবং মিনা-আরাফায় সার্ভিস প্যাকেজ-৩ অনুযায়ী সেবা ও খাবার দেওয়া হবে। সাধারণত অবস্থানকাল ৩৫ থেকে ৪০ দিন হবে। অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে রুম আপগ্রেড ও স্বল্পমেয়াদি প্যাকেজ নেওয়ার সুযোগও থাকছে।
প্যাকেজ-২ (সাশ্রয়ী): মক্কায় হারাম শরিফ থেকে ২ থেকে ৩ কিলোমিটারের মধ্যে এবং মদিনায় মারকাজিয়া এলাকার বাইরে (মসজিদে নববী থেকে ৮০০ মিটারের মধ্যে) আবাসন থাকবে। মিনায় মিলবে জোন-৫-এর তাঁবু। হোটেল ২ কিলোমিটারের বেশি দূরে হলে সালাওয়াত বাসের ব্যবস্থা থাকবে।
বেসরকারি মাধ্যমের সাধারণ হজ প্যাকেজ (৫,১৩,৬৪৮ টাকা)-এর ক্ষেত্রেও বিশেষ কিছু নিয়ম নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে, মক্কায় হারাম শরিফ থেকে সর্বোচ্চ ৩ কিলোমিটার এবং মদিনায় মসজিদে নববী থেকে ১ কিলোমিটারের মধ্যে আবাসন নিশ্চিত করতে হবে।
প্রতি কক্ষে সর্বোচ্চ ৬ জন থাকতে পারবেন। হোটেল ২ কিলোমিটারের বেশি দূরে হলে বাস সেবা বাধ্যতামূলক।
তালিকাভুক্ত এজেন্সিগুলো সরকার অনুমোদিত প্যাকেজের বাইরে পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে অতিরিক্ত ৩টি প্যাকেজ ঘোষণা করতে পারবে। তবে সরকারি 'প্যাকেজ-২'-এর চেয়ে কম সেবা দিয়ে কোনো প্যাকেজ করা যাবে না।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে উল্লেখিত সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য হজ ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে এবার বিমানভাড়া উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমানো হয়েছে।
তিনি জানান, গত বছরের তুলনায় বিমানভাড়া ২৪,৮৩০ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে ২০২৩ সালে হজ ফ্লাইটের বিমানভাড়া ছিল প্রায় ২ লাখ টাকা, যা ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে কমিয়ে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৮২০ টাকা করা হয়েছিল। এবার তা আরও এক ধাপ কমালো সরকার।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
২০২৭ সালের জন্য সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থার হজ প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। এবার সরকারিভাবে হজের সর্বনিম্ন (সাশ্রয়ী) প্যাকেজের খরচ ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা। অন্যদিকে, উন্নত সুবিধার সরকারি প্যাকেজ-১ এর খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা।
এছাড়া বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সাধারণ হজ প্যাকেজের খরচ ধরা হয়েছে ৫ লাখ ১৩ হাজার ৬৪৮ টাকা।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই হজ প্যাকেজ ঘোষণা করেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।
সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী জানান, সরকারি প্যাকেজের অধীনে হজযাত্রীদের জন্য দুটি ধাপে সুবিধার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে:
প্যাকেজ-১ (উন্নত সুবিধা): মক্কায় হারাম শরিফ থেকে ১,০০০ থেকে ১,৪০০ মিটারের মধ্যে এবং মদিনার মারকাজিয়া এলাকায় আবাসনের ব্যবস্থা থাকবে। মিনায় জোন-২-এ তাঁবু এবং মিনা-আরাফায় সার্ভিস প্যাকেজ-৩ অনুযায়ী সেবা ও খাবার দেওয়া হবে। সাধারণত অবস্থানকাল ৩৫ থেকে ৪০ দিন হবে। অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে রুম আপগ্রেড ও স্বল্পমেয়াদি প্যাকেজ নেওয়ার সুযোগও থাকছে।
প্যাকেজ-২ (সাশ্রয়ী): মক্কায় হারাম শরিফ থেকে ২ থেকে ৩ কিলোমিটারের মধ্যে এবং মদিনায় মারকাজিয়া এলাকার বাইরে (মসজিদে নববী থেকে ৮০০ মিটারের মধ্যে) আবাসন থাকবে। মিনায় মিলবে জোন-৫-এর তাঁবু। হোটেল ২ কিলোমিটারের বেশি দূরে হলে সালাওয়াত বাসের ব্যবস্থা থাকবে।
বেসরকারি মাধ্যমের সাধারণ হজ প্যাকেজ (৫,১৩,৬৪৮ টাকা)-এর ক্ষেত্রেও বিশেষ কিছু নিয়ম নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে, মক্কায় হারাম শরিফ থেকে সর্বোচ্চ ৩ কিলোমিটার এবং মদিনায় মসজিদে নববী থেকে ১ কিলোমিটারের মধ্যে আবাসন নিশ্চিত করতে হবে।
প্রতি কক্ষে সর্বোচ্চ ৬ জন থাকতে পারবেন। হোটেল ২ কিলোমিটারের বেশি দূরে হলে বাস সেবা বাধ্যতামূলক।
তালিকাভুক্ত এজেন্সিগুলো সরকার অনুমোদিত প্যাকেজের বাইরে পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে অতিরিক্ত ৩টি প্যাকেজ ঘোষণা করতে পারবে। তবে সরকারি 'প্যাকেজ-২'-এর চেয়ে কম সেবা দিয়ে কোনো প্যাকেজ করা যাবে না।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে উল্লেখিত সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য হজ ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে এবার বিমানভাড়া উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমানো হয়েছে।
তিনি জানান, গত বছরের তুলনায় বিমানভাড়া ২৪,৮৩০ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে ২০২৩ সালে হজ ফ্লাইটের বিমানভাড়া ছিল প্রায় ২ লাখ টাকা, যা ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে কমিয়ে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৮২০ টাকা করা হয়েছিল। এবার তা আরও এক ধাপ কমালো সরকার।

আপনার মতামত লিখুন