সংবাদ

তিস্তায় পানি বাড়ছে, বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ১২:৩১ পিএম

তিস্তায় পানি বাড়ছে, বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত

উজানের ঢল ও ভারি বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার মাত্র এক সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানির এই বাড়তির ফলে নীলফামারীর বিভিন্ন এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

​বুধবার নীলফামারীর ডিমলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১৪ সেন্টিমিটার, যেখানে বিপৎসীমা নির্ধারিত রয়েছে ৫২ দশমিক ১৫ মিটার। নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিসা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ী এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলগুলোতে ইতোমধ্যে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে।
​পরিস্থিতি নিয়ে ডিমলার টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম সাহিন বলেন, তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। পানি বাড়তে থাকলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
​বর্তমান পরিস্থিতি ও তিস্তার গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে সকাল ৯টায় বিপৎসীমার এক সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। পানি আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যারেজে ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬


তিস্তায় পানি বাড়ছে, বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত

প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬

featured Image

উজানের ঢল ও ভারি বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার মাত্র এক সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানির এই বাড়তির ফলে নীলফামারীর বিভিন্ন এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

​বুধবার নীলফামারীর ডিমলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১৪ সেন্টিমিটার, যেখানে বিপৎসীমা নির্ধারিত রয়েছে ৫২ দশমিক ১৫ মিটার। নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিসা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ী এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলগুলোতে ইতোমধ্যে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে।
​পরিস্থিতি নিয়ে ডিমলার টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম সাহিন বলেন, তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। পানি বাড়তে থাকলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
​বর্তমান পরিস্থিতি ও তিস্তার গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে সকাল ৯টায় বিপৎসীমার এক সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। পানি আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যারেজে ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত