সামান্য বৃষ্টিতেই হাঁটুসমান পানিতে তলিয়ে যায় বিদ্যালয়ের মাঠ। এতে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এই চিত্র চাঁদপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। মাঠ সংস্কার ও সীমানাপ্রাচীর না থাকায় বিদ্যালয়টির শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকার শিশুদের শিক্ষার আলো ছড়াতে ২০০৭ সালে স্থানীয় শিক্ষানুরাগী চাঁদ মিয়া বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। ২০১৩ সালে এটি জাতীয়করণ করা হয়। শিক্ষার মান উন্নত হওয়ায় বিদ্যালয়টিতে সরকারিভাবে একটি দ্বিতল ভবন নির্মিত হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়ে ১৩০ জন শিক্ষার্থী ও ৫ জন শিক্ষক রয়েছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, নিভৃত পল্লীতে অবস্থিত বিদ্যালয়টির ভবন আধুনিক হলেও বাইরের পরিবেশ নাজুক। মাঠ নিচু হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই সেখানে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। কোমলমতি শিশুদের এই নোংরা পানি মাড়িয়েই বিদ্যালয়ে যাতায়াত ও শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করতে হয়। এতে প্রায়ই শিক্ষার্থীরা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আইনুন্নাহার বলেন, ‘মাঠ ভরাট ও সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার আবেদন করেও কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। চরম দুর্ভোগের মধ্য দিয়েও আমরা পাঠদান অব্যাহত রেখেছি।’
স্থানীয় অভিভাবক আরিফ ও নুরুজ্জামান বলেন, বৃষ্টির দিনে শিশুদের স্কুলে পাঠানো কষ্টকর হয়ে পড়ে। দ্রুত মাঠটি সংস্কারের দাবি জানান তারা।
এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ বলেন, বিষয়টি অবগত আছেন। আগামীতে বরাদ্দ পেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিদ্যালয়টির মাঠ সংস্কার ও সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
সামান্য বৃষ্টিতেই হাঁটুসমান পানিতে তলিয়ে যায় বিদ্যালয়ের মাঠ। এতে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এই চিত্র চাঁদপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। মাঠ সংস্কার ও সীমানাপ্রাচীর না থাকায় বিদ্যালয়টির শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকার শিশুদের শিক্ষার আলো ছড়াতে ২০০৭ সালে স্থানীয় শিক্ষানুরাগী চাঁদ মিয়া বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। ২০১৩ সালে এটি জাতীয়করণ করা হয়। শিক্ষার মান উন্নত হওয়ায় বিদ্যালয়টিতে সরকারিভাবে একটি দ্বিতল ভবন নির্মিত হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়ে ১৩০ জন শিক্ষার্থী ও ৫ জন শিক্ষক রয়েছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, নিভৃত পল্লীতে অবস্থিত বিদ্যালয়টির ভবন আধুনিক হলেও বাইরের পরিবেশ নাজুক। মাঠ নিচু হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই সেখানে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। কোমলমতি শিশুদের এই নোংরা পানি মাড়িয়েই বিদ্যালয়ে যাতায়াত ও শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করতে হয়। এতে প্রায়ই শিক্ষার্থীরা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আইনুন্নাহার বলেন, ‘মাঠ ভরাট ও সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার আবেদন করেও কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। চরম দুর্ভোগের মধ্য দিয়েও আমরা পাঠদান অব্যাহত রেখেছি।’
স্থানীয় অভিভাবক আরিফ ও নুরুজ্জামান বলেন, বৃষ্টির দিনে শিশুদের স্কুলে পাঠানো কষ্টকর হয়ে পড়ে। দ্রুত মাঠটি সংস্কারের দাবি জানান তারা।
এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ বলেন, বিষয়টি অবগত আছেন। আগামীতে বরাদ্দ পেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিদ্যালয়টির মাঠ সংস্কার ও সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/

আপনার মতামত লিখুন