সংবাদ

কুষ্টিয়ায় চা-দোকানির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার


জেলা বার্তা পরিবেশক, কুষ্টিয়া
জেলা বার্তা পরিবেশক, কুষ্টিয়া
প্রকাশ: ২৪ জুলাই ২০২৬, ১২:১৩ পিএম

কুষ্টিয়ায় চা-দোকানির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার
দৌলতপুর থানা। ছবিঃ সংবাদ

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সামিরুল শাহ (৬০) নামের এক চা-দোকানির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে উপজেলার ব্যঙ্গাড়ি-ধর্মদহ সড়কের পাশের একটি মাচাং থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত সামিরুল শাহ উপজেলার তেকালা পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত বিচার উদ্দিনের ছেলে। তার শরীর ও মুখে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সকালে রাস্তার পাশের একটি মাচাংয়ের ওপর সামিরুলের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে তারা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। সামিরুল ওই এলাকায় ছোট একটি চায়ের দোকান চালাতেন।

প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে, এটি একটি হত্যাকাণ্ড। তবে কেন বা কারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

/

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬


কুষ্টিয়ায় চা-দোকানির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬

featured Image

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সামিরুল শাহ (৬০) নামের এক চা-দোকানির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে উপজেলার ব্যঙ্গাড়ি-ধর্মদহ সড়কের পাশের একটি মাচাং থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত সামিরুল শাহ উপজেলার তেকালা পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত বিচার উদ্দিনের ছেলে। তার শরীর ও মুখে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সকালে রাস্তার পাশের একটি মাচাংয়ের ওপর সামিরুলের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে তারা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। সামিরুল ওই এলাকায় ছোট একটি চায়ের দোকান চালাতেন।

প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে, এটি একটি হত্যাকাণ্ড। তবে কেন বা কারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

/


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত