সংবাদ

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ: চিকিৎসাধীন মামা-ভাগনির মৃত্যু


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:১০ পিএম

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ: চিকিৎসাধীন মামা-ভাগনির মৃত্যু

রাজধানীর নতুনবাজার এলাকায় বাসার গ্যাস লাইনে লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ একই পরিবারের তিনজনের মধ্যে মামা ও ভাগনি মারা গেছেন।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল ৬টায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মো. শাহীন (২৪)। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় তার ভাগনি হাফছা (৮)।
​গত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরের দিকে নতুনবাজারের ১০০ ফিট এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলার বাসায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে শাহীন ও হাফছা ছাড়াও শাহীনের স্ত্রী ফাহিমা আক্তার (২১) গুরুতর দগ্ধ হন। ঘটনার পর তাদের দ্রুত উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।
​প্রতিবেশী মো. জসিম জানান, শাহীন একটি দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন এবং পরিবার নিয়ে ওই বাসায় বসবাস করতেন। ভোরের দিকে হঠাৎ সেখানে গ্যাসের লাইন লিকেজ থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে।
শাহীন ও হাফছার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে ​জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান জানান, শাহীনের শরীরের ৫০ শতাংশ এবং হাফছার শরীরের ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। এছাড়া দগ্ধ হওয়া শাহীনের স্ত্রী ফাহিমার শরীরের ৪৫ শতাংশ পুড়ে গেছে এবং তার অবস্থাও বর্তমানে আশঙ্কাজনক।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬


গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ: চিকিৎসাধীন মামা-ভাগনির মৃত্যু

প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬

featured Image

রাজধানীর নতুনবাজার এলাকায় বাসার গ্যাস লাইনে লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ একই পরিবারের তিনজনের মধ্যে মামা ও ভাগনি মারা গেছেন।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল ৬টায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মো. শাহীন (২৪)। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় তার ভাগনি হাফছা (৮)।
​গত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরের দিকে নতুনবাজারের ১০০ ফিট এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলার বাসায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে শাহীন ও হাফছা ছাড়াও শাহীনের স্ত্রী ফাহিমা আক্তার (২১) গুরুতর দগ্ধ হন। ঘটনার পর তাদের দ্রুত উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।
​প্রতিবেশী মো. জসিম জানান, শাহীন একটি দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন এবং পরিবার নিয়ে ওই বাসায় বসবাস করতেন। ভোরের দিকে হঠাৎ সেখানে গ্যাসের লাইন লিকেজ থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে।
শাহীন ও হাফছার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে ​জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান জানান, শাহীনের শরীরের ৫০ শতাংশ এবং হাফছার শরীরের ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। এছাড়া দগ্ধ হওয়া শাহীনের স্ত্রী ফাহিমার শরীরের ৪৫ শতাংশ পুড়ে গেছে এবং তার অবস্থাও বর্তমানে আশঙ্কাজনক।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত