টাঙ্গাইলের সখিপুরে
একটি ভাড়া বাসার ওয়াশরুম থেকে ইতি আক্তার (১৮) নামের এক নববধূর রহস্যজনক মরদেহ উদ্ধার
করা হয়েছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক একটার দিকে সখিপুর পৌরসভার এতিমখানা
রোডের কদমতলী মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ইতি আক্তার
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার কুচিয়ারপাড় গ্রামের মৃত দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে। তার স্বামী
তায়েবুর রহমান একটি বেসরকারি ইলেকট্রিক পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানে বিক্রয় প্রতিনিধি
(এসআর) হিসেবে সখিপুরে কর্মরত। মাত্র দুই মাস আগে তাদের বিয়ে হয়েছিল।
পুলিশ ও নিহতের
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে ইতি আক্তার বাসার ওয়াশরুমে যান।
দীর্ঘক্ষণ বের না হওয়ায় স্বামী তায়েবুর রহমান ভেতরে গিয়ে তাকে কাপড় রাখার হ্যাঙ্গারের
সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় দেখতে পান বলে দাবি করেন। পরে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত সখিপুর
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ইতিকে
মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর থেকে নিহতের
স্বামী তায়েবুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য
পাওয়া যায়নি।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার
করেছে। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে মৃত্যুর
প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
টাঙ্গাইলের সখিপুরে
একটি ভাড়া বাসার ওয়াশরুম থেকে ইতি আক্তার (১৮) নামের এক নববধূর রহস্যজনক মরদেহ উদ্ধার
করা হয়েছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক একটার দিকে সখিপুর পৌরসভার এতিমখানা
রোডের কদমতলী মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ইতি আক্তার
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার কুচিয়ারপাড় গ্রামের মৃত দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে। তার স্বামী
তায়েবুর রহমান একটি বেসরকারি ইলেকট্রিক পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানে বিক্রয় প্রতিনিধি
(এসআর) হিসেবে সখিপুরে কর্মরত। মাত্র দুই মাস আগে তাদের বিয়ে হয়েছিল।
পুলিশ ও নিহতের
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে ইতি আক্তার বাসার ওয়াশরুমে যান।
দীর্ঘক্ষণ বের না হওয়ায় স্বামী তায়েবুর রহমান ভেতরে গিয়ে তাকে কাপড় রাখার হ্যাঙ্গারের
সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় দেখতে পান বলে দাবি করেন। পরে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত সখিপুর
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ইতিকে
মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর থেকে নিহতের
স্বামী তায়েবুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য
পাওয়া যায়নি।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার
করেছে। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে মৃত্যুর
প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

আপনার মতামত লিখুন