ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে জেলার শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে মেডিকেল কলেজে আগামী বছর থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি, বিমানবন্দর চালু এবং জেলায় কল-কারখানা গড়ে তোলার উদ্যোগের কথাও জানিয়েছেন তিনি।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঠাকুরগাঁও বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আজকের প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনি প্রচারণায় এসেছিলেন। তখন কথা দিয়েছিলেন, আর আপনারাও চেয়েছিলেন। তার মধ্যে ছিল একটি বিশ্ববিদ্যালয়। সেই ঘোষণা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে, সেখানে শিক্ষার্থীরা উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পাবেন। এখানে আমরা মেডিক্যাল কলেজের কথা বলেছিলাম, সেটাও হবে। জায়গা ঠিক হয়েছে।
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর দায়িত্ব নিয়েছেন। এখন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে এবং পরীক্ষা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জমি নির্ধারণ করা হয়েছে এবং জমির টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। আগামীকাল সেখানে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে। সেখানে ঠাকুরগাঁওয়ের ছেলে-মেয়েরা লেখাপড়া করে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাবেন।
মেডিকেল কলেজ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, এখানে মেডিক্যাল কলেজের কথা বলেছিলাম আমরা। সেই মেডিক্যাল কলেজও হয়েছে। জায়গা ঠিক হয়েছে, এখন শুধু জমিটা ঠিক হবে। সেখানে আগামী বছর থেকে ছাত্র ভর্তি হবে।
তিনি আরও বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে দুটি আলাদা উপজেলা করার দাবি ছিল, সেটিও হয়েছে। ইউএনও যোগ দিয়েছেন। এছাড়া বিমানবন্দরের দাবির বিষয়েও তিনি সম্মতি দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বিমানবন্দর চেয়েছিলেন আপনারা। আমি না চেয়েও রাজি হয়েছি। আপনাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য। আমাদের এখানে কল-কারখানা নেই। মানুষ কাজ খোঁজে।
ঠাকুরগাঁওয়ে শিল্পায়নের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকার আসার পর শিল্পমন্ত্রী ও বাণিজ্যমন্ত্রীকে ঠাকুরগাঁওয়ে আনা হয়েছে। চীনা রাষ্ট্রদূতকেও এখানে নিয়ে আসা হয়েছিল। তিনি ঠাকুরগাঁও স্টেডিয়ামে শিক্ষার্থীদের স্কুল ব্যাগ দিয়েছেন। কয়েকদিন আগে ১০ জন শিক্ষার্থী ও পাঁচজন শিক্ষককে চীনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে কল-কারখানা তৈরির সম্ভাবনা দেখতে চীন থেকে প্রতিনিধিরা আসবেন। কীভাবে এখানে কল-কারখানা তৈরি করা যায়, তারা তা দেখবেন।
রাজনৈতিক পরিবেশ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, আমরা ঠাকুরগাঁওয়ে মানুষ ঝামেলা পছন্দ করি না। এখানে মামলা-মোকদ্দমা কম। আমরা এভাবে রাখতে চাই।
তিনি সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনারা নিজেদের মতবাদ প্রচার করবেন, কিন্তু কোনো সংঘাতে জড়াবেন না।

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে জেলার শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে মেডিকেল কলেজে আগামী বছর থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি, বিমানবন্দর চালু এবং জেলায় কল-কারখানা গড়ে তোলার উদ্যোগের কথাও জানিয়েছেন তিনি।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঠাকুরগাঁও বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আজকের প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনি প্রচারণায় এসেছিলেন। তখন কথা দিয়েছিলেন, আর আপনারাও চেয়েছিলেন। তার মধ্যে ছিল একটি বিশ্ববিদ্যালয়। সেই ঘোষণা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে, সেখানে শিক্ষার্থীরা উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পাবেন। এখানে আমরা মেডিক্যাল কলেজের কথা বলেছিলাম, সেটাও হবে। জায়গা ঠিক হয়েছে।
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর দায়িত্ব নিয়েছেন। এখন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে এবং পরীক্ষা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জমি নির্ধারণ করা হয়েছে এবং জমির টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। আগামীকাল সেখানে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে। সেখানে ঠাকুরগাঁওয়ের ছেলে-মেয়েরা লেখাপড়া করে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাবেন।
মেডিকেল কলেজ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, এখানে মেডিক্যাল কলেজের কথা বলেছিলাম আমরা। সেই মেডিক্যাল কলেজও হয়েছে। জায়গা ঠিক হয়েছে, এখন শুধু জমিটা ঠিক হবে। সেখানে আগামী বছর থেকে ছাত্র ভর্তি হবে।
তিনি আরও বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে দুটি আলাদা উপজেলা করার দাবি ছিল, সেটিও হয়েছে। ইউএনও যোগ দিয়েছেন। এছাড়া বিমানবন্দরের দাবির বিষয়েও তিনি সম্মতি দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বিমানবন্দর চেয়েছিলেন আপনারা। আমি না চেয়েও রাজি হয়েছি। আপনাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য। আমাদের এখানে কল-কারখানা নেই। মানুষ কাজ খোঁজে।
ঠাকুরগাঁওয়ে শিল্পায়নের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকার আসার পর শিল্পমন্ত্রী ও বাণিজ্যমন্ত্রীকে ঠাকুরগাঁওয়ে আনা হয়েছে। চীনা রাষ্ট্রদূতকেও এখানে নিয়ে আসা হয়েছিল। তিনি ঠাকুরগাঁও স্টেডিয়ামে শিক্ষার্থীদের স্কুল ব্যাগ দিয়েছেন। কয়েকদিন আগে ১০ জন শিক্ষার্থী ও পাঁচজন শিক্ষককে চীনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে কল-কারখানা তৈরির সম্ভাবনা দেখতে চীন থেকে প্রতিনিধিরা আসবেন। কীভাবে এখানে কল-কারখানা তৈরি করা যায়, তারা তা দেখবেন।
রাজনৈতিক পরিবেশ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, আমরা ঠাকুরগাঁওয়ে মানুষ ঝামেলা পছন্দ করি না। এখানে মামলা-মোকদ্দমা কম। আমরা এভাবে রাখতে চাই।
তিনি সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনারা নিজেদের মতবাদ প্রচার করবেন, কিন্তু কোনো সংঘাতে জড়াবেন না।

আপনার মতামত লিখুন