ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চারজন প্রাণ হারিয়েছেন। একই সময়ে মশাবাহিত এই রোগ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫৫৮ জন, যা চলতি বছরের একদিনের সর্বোচ্চ ভর্তির রেকর্ড।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এ তথ্য জানা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৭ জনে। এর মধ্যে সেপ্টেম্বরের প্রথম ৬ দিনেই মারা গেছেন ২০ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৯৩ জন, দক্ষিণ সিটিতে ১৪৮ জন এবং দুই সিটির বাইরে ঢাকা বিভাগে ভর্তি হয়েছেন ৩১৬ জন।
এ ছাড়া বরিশাল বিভাগে ১৩৭, চট্টগ্রামে ১৬৯, খুলনায় ৩৩৪, ময়মনসিংহে ৮৪, রংপুরে ৯৬, রাজশাহীতে ১১২ এবং সিলেটে ৯ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ২০০০ সাল থেকে ডেঙ্গু আক্রান্তের তথ্য সংরক্ষণ করছে। ২০২৩ সালে এ রোগ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন এবং মৃত্যু হয়েছিল ১ হাজার ৭০৫ জনের।
গত বছর (২০২৫) ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয় চার শতাধিক মানুষের, আর শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ২ হাজারের মতো। চলতি বছরের এই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর হার ইতিমধ্যেই উদ্বেগজনক, যা আগের দু’বছরের ধারাবাহিকতায় আরও প্রকোপ বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৃষ্টিপাত ও তাপমাত্রার তারতম্য, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও পানিবদ্ধতা ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বাড়াচ্ছে। এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে এবং জনসচেতনতা বাড়াতে না পারলে আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে এই সংকট।

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চারজন প্রাণ হারিয়েছেন। একই সময়ে মশাবাহিত এই রোগ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫৫৮ জন, যা চলতি বছরের একদিনের সর্বোচ্চ ভর্তির রেকর্ড।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এ তথ্য জানা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৭ জনে। এর মধ্যে সেপ্টেম্বরের প্রথম ৬ দিনেই মারা গেছেন ২০ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৯৩ জন, দক্ষিণ সিটিতে ১৪৮ জন এবং দুই সিটির বাইরে ঢাকা বিভাগে ভর্তি হয়েছেন ৩১৬ জন।
এ ছাড়া বরিশাল বিভাগে ১৩৭, চট্টগ্রামে ১৬৯, খুলনায় ৩৩৪, ময়মনসিংহে ৮৪, রংপুরে ৯৬, রাজশাহীতে ১১২ এবং সিলেটে ৯ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ২০০০ সাল থেকে ডেঙ্গু আক্রান্তের তথ্য সংরক্ষণ করছে। ২০২৩ সালে এ রোগ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন এবং মৃত্যু হয়েছিল ১ হাজার ৭০৫ জনের।
গত বছর (২০২৫) ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয় চার শতাধিক মানুষের, আর শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ২ হাজারের মতো। চলতি বছরের এই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর হার ইতিমধ্যেই উদ্বেগজনক, যা আগের দু’বছরের ধারাবাহিকতায় আরও প্রকোপ বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৃষ্টিপাত ও তাপমাত্রার তারতম্য, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও পানিবদ্ধতা ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বাড়াচ্ছে। এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে এবং জনসচেতনতা বাড়াতে না পারলে আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে এই সংকট।

আপনার মতামত লিখুন