কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ২৮৬ জন শিক্ষকের মধ্যে ৯১ জন বিভিন্ন ছুটিতে রয়েছেন। যা মোট শিক্ষকের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষা ছুটিতে থাকা ৮৮ জন শিক্ষকের কারণে বিভাগগুলোতে তীব্র শিক্ষকসংকট দেখা দিয়েছে।যার জেরে সেশনজটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে ১৯টি বিভাগে শিক্ষা ছুটিতে আছেন ৮৮ জন শিক্ষক। এ ছাড়া দুইজন ডেপুটেশনে এবং একজন বাধ্যতামূলক ছুটিতে থাকায় মোট ছুটিতে থাকা শিক্ষকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯১ জন। সবচেয়ে বেশি শিক্ষা ছুটিতে রয়েছেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ৯ জন শিক্ষক।
বিদেশে উচ্চশিক্ষা বা প্রশিক্ষণে গিয়ে নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী অর্থ পরিশোধ না করায় শিক্ষকদের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। যেসব শিক্ষক এখনো অর্থ পরিশোধ করেননি, তাদের কাছে পর্যায়ক্রমে চিঠি পাঠানো হচ্ছে।
এ ছাড়া অনুমতি ব্যতীত বিদেশে অবস্থান করছেন পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দিপা রানী দাস ও মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আব্দুল্লাহ।
প্রায় এক-তৃতীয়াংশ শিক্ষক ছুটিতে থাকায় একাডেমিক কার্যক্রমে প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ রাহিম বলেন, ‘অনেক বিভাগে পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকায় নিয়মিত ক্লাস ও কোর্স পরিচালনায় সমস্যা হচ্ছে। এতে সেশনজটের শঙ্কা তৈরি হচ্ছে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯টি বিভাগে মোট শিক্ষার্থী প্রায় ৬ হাজার ৪৭৪ জন। বর্তমানে প্রতি ৩৪ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে একজন শিক্ষক রয়েছেন, অথচ আদর্শ অনুপাত ধরা হয় ১:২০।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরিফুল করিম বলেন, ‘যেসব শিক্ষক বিদেশে গিয়ে শর্ত অনুযায়ী অর্থ পরিশোধ করেননি, তাদের টাকা জমা দেওয়ার জন্য চিঠি দেওয়া হচ্ছে। যারা এখনও অর্থ জমা দেননি, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি আরও জানান, নতুন করে যারা ছুটিতে যাবেন, তাদের ক্ষেত্রে ইউজিসির নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে। কোনো বিভাগের মোট শিক্ষকের এক-তৃতীয়াংশের বেশি যেন একই সময়ে ছুটিতে না থাকেন, তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। সূত্র: ডেইলি ক্যাম্পাস

শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ২৮৬ জন শিক্ষকের মধ্যে ৯১ জন বিভিন্ন ছুটিতে রয়েছেন। যা মোট শিক্ষকের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষা ছুটিতে থাকা ৮৮ জন শিক্ষকের কারণে বিভাগগুলোতে তীব্র শিক্ষকসংকট দেখা দিয়েছে।যার জেরে সেশনজটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে ১৯টি বিভাগে শিক্ষা ছুটিতে আছেন ৮৮ জন শিক্ষক। এ ছাড়া দুইজন ডেপুটেশনে এবং একজন বাধ্যতামূলক ছুটিতে থাকায় মোট ছুটিতে থাকা শিক্ষকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯১ জন। সবচেয়ে বেশি শিক্ষা ছুটিতে রয়েছেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ৯ জন শিক্ষক।
বিদেশে উচ্চশিক্ষা বা প্রশিক্ষণে গিয়ে নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী অর্থ পরিশোধ না করায় শিক্ষকদের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। যেসব শিক্ষক এখনো অর্থ পরিশোধ করেননি, তাদের কাছে পর্যায়ক্রমে চিঠি পাঠানো হচ্ছে।
এ ছাড়া অনুমতি ব্যতীত বিদেশে অবস্থান করছেন পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দিপা রানী দাস ও মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আব্দুল্লাহ।
প্রায় এক-তৃতীয়াংশ শিক্ষক ছুটিতে থাকায় একাডেমিক কার্যক্রমে প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ রাহিম বলেন, ‘অনেক বিভাগে পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকায় নিয়মিত ক্লাস ও কোর্স পরিচালনায় সমস্যা হচ্ছে। এতে সেশনজটের শঙ্কা তৈরি হচ্ছে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯টি বিভাগে মোট শিক্ষার্থী প্রায় ৬ হাজার ৪৭৪ জন। বর্তমানে প্রতি ৩৪ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে একজন শিক্ষক রয়েছেন, অথচ আদর্শ অনুপাত ধরা হয় ১:২০।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরিফুল করিম বলেন, ‘যেসব শিক্ষক বিদেশে গিয়ে শর্ত অনুযায়ী অর্থ পরিশোধ করেননি, তাদের টাকা জমা দেওয়ার জন্য চিঠি দেওয়া হচ্ছে। যারা এখনও অর্থ জমা দেননি, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি আরও জানান, নতুন করে যারা ছুটিতে যাবেন, তাদের ক্ষেত্রে ইউজিসির নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে। কোনো বিভাগের মোট শিক্ষকের এক-তৃতীয়াংশের বেশি যেন একই সময়ে ছুটিতে না থাকেন, তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। সূত্র: ডেইলি ক্যাম্পাস

আপনার মতামত লিখুন