প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম বলেছেন, "সশস্ত্র বাহিনীকে কোনোভাবেই দলীয় রাজনৈতিক ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। এটি কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের নয়, এটি জনগণের প্রতিষ্ঠান এবং দেশের সার্বভৌমত্বের রক্ষক। বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের আনুগত্য থাকতে হবে বাংলাদেশ ও সংবিধানের প্রতি।"
শনিবার রাজধানীর
মহাখালীর রাওয়া ক্লাবে রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া)
আয়োজিত ‘জুলাই অভ্যুত্থান ২০২৪-এর গৌরবময় স্মৃতিকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ’ অনুষ্ঠানে প্রধান
অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
সংগ্রাম ও ত্যাগের
দিনগুলোকে স্মরণে রেখে তিনি ক্ষোভ ও আশার মিশ্রণে আরও বলেন, "ফ্যাসিবাদী শাসনামলে
নির্যাতিত সহকর্মীদের ন্যায্য মর্যাদা ফিরিয়ে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর। পদোন্নতি ও দায়িত্ব
দেওয়ার ক্ষেত্রে একমাত্র যোগ্যতা ও মেধাকেই বিবেচনায় নেওয়া হবে। গুম, হত্যা বা মানবাধিকার
লঙ্ঘনের মতো অপরাধে জড়িত কেউ বিশেষ সুবিধা পাবেন না। প্রত্যেককে নিজ নিজ কর্মকাণ্ডের
জন্য জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।"
জুলাইয়ের আদর্শ
ও শহীদদের রক্তের মর্যাদা রক্ষার শপথ পুনর্ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, "মেজর (অব.)
সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যাকাণ্ডের বিচারের রায় দ্রুত কার্যকর করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
পাশাপাশি তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরের হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নেও
কাজ চলছে। এমন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে, যাতে বাংলাদেশকে লক্ষ্য করে কেউ আঙুল
তোলার আগে বহুবার ভাবতে বাধ্য হয়।"
অনুষ্ঠানে রাওয়া
সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম এ হক বলেন, "দেশের ইতিহাস এবং জুলাই অভ্যুত্থানে
সশস্ত্র বাহিনীর অবদান কখনোই ভুলে যাওয়া বা খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। কয়েকজন ব্যক্তির
কর্মকাণ্ডের জন্য পুরো প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করা উচিত নয়।"

শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম বলেছেন, "সশস্ত্র বাহিনীকে কোনোভাবেই দলীয় রাজনৈতিক ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। এটি কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের নয়, এটি জনগণের প্রতিষ্ঠান এবং দেশের সার্বভৌমত্বের রক্ষক। বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের আনুগত্য থাকতে হবে বাংলাদেশ ও সংবিধানের প্রতি।"
শনিবার রাজধানীর
মহাখালীর রাওয়া ক্লাবে রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া)
আয়োজিত ‘জুলাই অভ্যুত্থান ২০২৪-এর গৌরবময় স্মৃতিকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ’ অনুষ্ঠানে প্রধান
অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
সংগ্রাম ও ত্যাগের
দিনগুলোকে স্মরণে রেখে তিনি ক্ষোভ ও আশার মিশ্রণে আরও বলেন, "ফ্যাসিবাদী শাসনামলে
নির্যাতিত সহকর্মীদের ন্যায্য মর্যাদা ফিরিয়ে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর। পদোন্নতি ও দায়িত্ব
দেওয়ার ক্ষেত্রে একমাত্র যোগ্যতা ও মেধাকেই বিবেচনায় নেওয়া হবে। গুম, হত্যা বা মানবাধিকার
লঙ্ঘনের মতো অপরাধে জড়িত কেউ বিশেষ সুবিধা পাবেন না। প্রত্যেককে নিজ নিজ কর্মকাণ্ডের
জন্য জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।"
জুলাইয়ের আদর্শ
ও শহীদদের রক্তের মর্যাদা রক্ষার শপথ পুনর্ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, "মেজর (অব.)
সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যাকাণ্ডের বিচারের রায় দ্রুত কার্যকর করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
পাশাপাশি তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরের হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নেও
কাজ চলছে। এমন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে, যাতে বাংলাদেশকে লক্ষ্য করে কেউ আঙুল
তোলার আগে বহুবার ভাবতে বাধ্য হয়।"
অনুষ্ঠানে রাওয়া
সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম এ হক বলেন, "দেশের ইতিহাস এবং জুলাই অভ্যুত্থানে
সশস্ত্র বাহিনীর অবদান কখনোই ভুলে যাওয়া বা খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। কয়েকজন ব্যক্তির
কর্মকাণ্ডের জন্য পুরো প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করা উচিত নয়।"

আপনার মতামত লিখুন