আদালতের এক বিতর্কিত মন্তব্যকে ‘অপমান’ হিসেবে নেওয়ার পরিবর্তে নিজেদের পরিচয়ে পরিণত করেছিল ভারতের তরুণরা। ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) ব্যানারে ৩৬ দিনের আন্দোলনের মুখে শেষ পর্যন্ত নতিস্বীকার করলো মোদি সরকার। পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।
২০২৬ সালের মে মাসে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের এক শুনানিতে বেকার তরুণদের ‘ককরোচ’ (তেলাপোকা) বলে উল্লেখ করা হয় বলে সামাজিক মাধ্যমে খবর ছড়ায়। অভিযোগ ওঠে, বিচারপতি বেকার যুবকদের “ককরোচ” বলে সম্বোধন করেছেন। মুহূর্তের মধ্যেই সেই খবর তরুণদের মনে তৈরি করে তীব্র ক্ষোভ।
রাজনৈতিক যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অভিজিৎ দিপে সামাজিক মাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মকভাবে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ নামে একটি প্ল্যাটফর্ম চালু করেন। তার বার্তা ছিল স্পষ্ট- “ক্ষমতাসীনরা যদি আমাদের ‘ককরোচ’ ভাবে, তবে এই ককরোচ পরিচয় নিয়েই আমরা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে দাঁড়াব।”
হ্যাশট্যাগ #MainBhiCockroach (আমিও তেলাপোকা) দেখতে দেখতে ইন্টারনেটে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে সামাজিক মাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক প্রচারণা হিসেবে শুরু হলেও, দিনের পর দিন জমে থাকা তরুণদের ক্ষোভ এটিকে রাজপথে নিয়ে আসে। দিল্লি থেকে শুরু করে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে তরুণদের হাতে শোভা পেতে থাকে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-এর পোস্টার ও ব্যানার।চাকরি প্রত্যাশীদের দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভ, পরীক্ষা বাতিল, প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং শিক্ষাব্যবস্থার চরম সংকট এই প্রতীকের নিচে এসে একত্র হয়। তরুণরা নিজেদের ব্যঙ্গাত্মকভাবে ‘ককরোচ’ হিসেবে উপস্থাপন করেই সরকারের কাছে জবাবদিহিতা দাবি করেন।
আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। সম্প্রতি ভারতে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় (নিট-ইউজি) প্রশ্নপত্র ফাঁসের কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই এই দাবি জোরালো হয়।
গত ২০ জুলাই সিজেপির ডাকে নয়াদিল্লিতে পার্লামেন্ট অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়, যেখানে লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করা হয়। গত পাঁচ বছরের মধ্যে দিল্লিতে এটি ছিল সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ।শনিবার (২৫ জুলাই) পর্যন্ত যন্তর মন্তরে আন্দোলন ছিল টানা ৩৬ দিনের। দিল্লির কেন্দ্রস্থল এই স্থানটি দখল করে রেখেছিল হাজার হাজার তরুণ। প্রতিদিনই সেখানে জড়ো হতো শিক্ষার্থী, চাকরিপ্রার্থী ও সাধারণ মানুষ। পুলিশের মামলা, সেন্সরশিপের চেষ্টা-কিছুই দমাতে পারেনি তাদের।
আন্দোলনের প্রভাব এতটাই প্রবল যে, সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানের সামাজিক মাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ে #CockroachJantaParty হ্যাশট্যাগ। পাকিস্তানের তরুণরাও তাদের নিজেদের অর্থনৈতিক সংকট ও বেকারত্বের সাথে মিল খুঁজে পেয়ে এই আন্দোলনে সংহতি জানায়।
আন্দোলনকারীকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ
আন্দোলন তীব্র হতেই বিরোধী দলগুলোর নজর কাড়ে এই তরুণদের জমায়েত। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্যে ‘ককরোচ’ আন্দোলনে সংহতি জানান। রাহুল গান্ধীসহ একাধিক বিরোধী নেতা বেকারত্ব ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের ইস্যুতে এই ব্যঙ্গাত্মক আন্দোলনকে সমর্থন জানান।
আন্দোলনের রূপকার অভিজিৎ দিপের মূল ধারণাকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে দিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন ধ্রুব রাঠী ও অন্যান্য ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটররা। ভিডিও, শর্টস এবং মিমের মাধ্যমে কোটি কোটি তরুণের কাছে পৌঁছে যায় আন্দোলনের বার্তা।
শনিবার (২৫ জুলাই) সিজেপির সঙ্গে তৃতীয় দফা বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা আসে। সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং এবং সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা উপস্থিত ছিলেন।সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস জানান, তাদের তিনটি প্রধান দাবি পূরণের আশ্বাস দিয়েছে সরকার। প্রথমত, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ (ইতিমধ্যেই কার্যকর), দ্বিতীয়ত, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে রুজু করা সব মামলা প্রত্যাহার আর তৃতীয়ত, নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আত্মহত্যাকারী শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ১ কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া।
আন্দোলনকারীকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ
সৌরভ দাস জানান, “সরকার আমাদের দাবিগুলো মেনে নেওয়ায় আমরা সব প্রতিবাদকারীকে বাড়িতে চলে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।” তিনি আরও জানান, আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষা সংস্কার ও পরীক্ষা ব্যবস্থা সংস্কার নিয়ে আরও এক দফা আলোচনা হবে।
যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল ইন্টারনেটের এক কোনায় ব্যঙ্গাত্মক মিম হিসেবে, দিল্লির ৪০ ডিগ্রি গরমের মধ্যে যন্তর মন্তরে সেই তেলাপোকাদের ভিড় আজ আর এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল না। দিল্লি পুলিশ লাউডস্পিকারে প্রতিবাদকারীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছিল খালি করার জন্য, কিন্তু তারা টিকে ছিল তাদের দাবি আদায়ের প্রত্যয়ে।ওয়েবসাইট ব্লক করা কিংবা পুলিশি বাধার পরও দমে যায়নি এই ‘ককরোচ’ জোট। রাজনৈতিক নেতা থেকে সাধারণ জনগণ- সবাই এখন অনুধাবন করছেন যে, রাষ্ট্র যাঁদের ‘ক্ষতিকর বা অপ্রয়োজনীয়’ ভেবে এড়িয়ে যেতে চেয়েছিল, তারাই আজ সরকারের ভিত নাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।
আন্দোলনকারীদের সমর্থন রাহুল গান্ধীর
‘ককরোচ জনতা পার্টি’ হয়তো এখন আনুষ্ঠানিক আন্দোলন প্রত্যাহার করলেও, ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এই ৩৬ দিন একটি অনন্য অধ্যায় হয়ে থাকবে। যেখানে এক অপমানই হয়ে উঠলো প্রতিবাদের সবচেয়ে বড় প্রতীক।

শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
আদালতের এক বিতর্কিত মন্তব্যকে ‘অপমান’ হিসেবে নেওয়ার পরিবর্তে নিজেদের পরিচয়ে পরিণত করেছিল ভারতের তরুণরা। ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) ব্যানারে ৩৬ দিনের আন্দোলনের মুখে শেষ পর্যন্ত নতিস্বীকার করলো মোদি সরকার। পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।
২০২৬ সালের মে মাসে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের এক শুনানিতে বেকার তরুণদের ‘ককরোচ’ (তেলাপোকা) বলে উল্লেখ করা হয় বলে সামাজিক মাধ্যমে খবর ছড়ায়। অভিযোগ ওঠে, বিচারপতি বেকার যুবকদের “ককরোচ” বলে সম্বোধন করেছেন। মুহূর্তের মধ্যেই সেই খবর তরুণদের মনে তৈরি করে তীব্র ক্ষোভ।
রাজনৈতিক যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অভিজিৎ দিপে সামাজিক মাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মকভাবে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ নামে একটি প্ল্যাটফর্ম চালু করেন। তার বার্তা ছিল স্পষ্ট- “ক্ষমতাসীনরা যদি আমাদের ‘ককরোচ’ ভাবে, তবে এই ককরোচ পরিচয় নিয়েই আমরা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে দাঁড়াব।”
হ্যাশট্যাগ #MainBhiCockroach (আমিও তেলাপোকা) দেখতে দেখতে ইন্টারনেটে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে সামাজিক মাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক প্রচারণা হিসেবে শুরু হলেও, দিনের পর দিন জমে থাকা তরুণদের ক্ষোভ এটিকে রাজপথে নিয়ে আসে। দিল্লি থেকে শুরু করে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে তরুণদের হাতে শোভা পেতে থাকে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-এর পোস্টার ও ব্যানার।চাকরি প্রত্যাশীদের দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভ, পরীক্ষা বাতিল, প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং শিক্ষাব্যবস্থার চরম সংকট এই প্রতীকের নিচে এসে একত্র হয়। তরুণরা নিজেদের ব্যঙ্গাত্মকভাবে ‘ককরোচ’ হিসেবে উপস্থাপন করেই সরকারের কাছে জবাবদিহিতা দাবি করেন।
আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। সম্প্রতি ভারতে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় (নিট-ইউজি) প্রশ্নপত্র ফাঁসের কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই এই দাবি জোরালো হয়।
গত ২০ জুলাই সিজেপির ডাকে নয়াদিল্লিতে পার্লামেন্ট অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়, যেখানে লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করা হয়। গত পাঁচ বছরের মধ্যে দিল্লিতে এটি ছিল সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ।শনিবার (২৫ জুলাই) পর্যন্ত যন্তর মন্তরে আন্দোলন ছিল টানা ৩৬ দিনের। দিল্লির কেন্দ্রস্থল এই স্থানটি দখল করে রেখেছিল হাজার হাজার তরুণ। প্রতিদিনই সেখানে জড়ো হতো শিক্ষার্থী, চাকরিপ্রার্থী ও সাধারণ মানুষ। পুলিশের মামলা, সেন্সরশিপের চেষ্টা-কিছুই দমাতে পারেনি তাদের।
আন্দোলনের প্রভাব এতটাই প্রবল যে, সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানের সামাজিক মাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ে #CockroachJantaParty হ্যাশট্যাগ। পাকিস্তানের তরুণরাও তাদের নিজেদের অর্থনৈতিক সংকট ও বেকারত্বের সাথে মিল খুঁজে পেয়ে এই আন্দোলনে সংহতি জানায়।
আন্দোলনকারীকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ
আন্দোলন তীব্র হতেই বিরোধী দলগুলোর নজর কাড়ে এই তরুণদের জমায়েত। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্যে ‘ককরোচ’ আন্দোলনে সংহতি জানান। রাহুল গান্ধীসহ একাধিক বিরোধী নেতা বেকারত্ব ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের ইস্যুতে এই ব্যঙ্গাত্মক আন্দোলনকে সমর্থন জানান।
আন্দোলনের রূপকার অভিজিৎ দিপের মূল ধারণাকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে দিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন ধ্রুব রাঠী ও অন্যান্য ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটররা। ভিডিও, শর্টস এবং মিমের মাধ্যমে কোটি কোটি তরুণের কাছে পৌঁছে যায় আন্দোলনের বার্তা।
শনিবার (২৫ জুলাই) সিজেপির সঙ্গে তৃতীয় দফা বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা আসে। সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং এবং সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা উপস্থিত ছিলেন।সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস জানান, তাদের তিনটি প্রধান দাবি পূরণের আশ্বাস দিয়েছে সরকার। প্রথমত, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ (ইতিমধ্যেই কার্যকর), দ্বিতীয়ত, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে রুজু করা সব মামলা প্রত্যাহার আর তৃতীয়ত, নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আত্মহত্যাকারী শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ১ কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া।
আন্দোলনকারীকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ
সৌরভ দাস জানান, “সরকার আমাদের দাবিগুলো মেনে নেওয়ায় আমরা সব প্রতিবাদকারীকে বাড়িতে চলে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।” তিনি আরও জানান, আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষা সংস্কার ও পরীক্ষা ব্যবস্থা সংস্কার নিয়ে আরও এক দফা আলোচনা হবে।
যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল ইন্টারনেটের এক কোনায় ব্যঙ্গাত্মক মিম হিসেবে, দিল্লির ৪০ ডিগ্রি গরমের মধ্যে যন্তর মন্তরে সেই তেলাপোকাদের ভিড় আজ আর এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল না। দিল্লি পুলিশ লাউডস্পিকারে প্রতিবাদকারীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছিল খালি করার জন্য, কিন্তু তারা টিকে ছিল তাদের দাবি আদায়ের প্রত্যয়ে।ওয়েবসাইট ব্লক করা কিংবা পুলিশি বাধার পরও দমে যায়নি এই ‘ককরোচ’ জোট। রাজনৈতিক নেতা থেকে সাধারণ জনগণ- সবাই এখন অনুধাবন করছেন যে, রাষ্ট্র যাঁদের ‘ক্ষতিকর বা অপ্রয়োজনীয়’ ভেবে এড়িয়ে যেতে চেয়েছিল, তারাই আজ সরকারের ভিত নাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।
আন্দোলনকারীদের সমর্থন রাহুল গান্ধীর
‘ককরোচ জনতা পার্টি’ হয়তো এখন আনুষ্ঠানিক আন্দোলন প্রত্যাহার করলেও, ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এই ৩৬ দিন একটি অনন্য অধ্যায় হয়ে থাকবে। যেখানে এক অপমানই হয়ে উঠলো প্রতিবাদের সবচেয়ে বড় প্রতীক।

আপনার মতামত লিখুন