গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌরসভার হরিণহাটি এলাকায় অবস্থিত মিলেনিয়াম পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাশেই গড়ে তোলা হয়েছে পৌরসভার অস্থায়ী এক ময়লার ভাগাড়। বিদ্যালয়ের গা-ঘেঁষে ফেলা এই বর্জ্যের উৎকট দুর্গন্ধে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নাভিশ্বাস উঠছে। ফলে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে পড়েছে কয়েক শ কোমলমতি শিক্ষার্থী।
এই পরিস্থিতিতে প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো. আদম আলী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পৌর এলাকার বিভিন্ন বাসা-বাড়ি ও প্রতিষ্ঠানের ময়লা-আবর্জনা এই স্থানে ফেলা হচ্ছে। পচনশীল বর্জ্যের অসহনীয় দুর্গন্ধের পাশাপাশি এলাকায় মশা-মাছি ও রোগজীবাণুর উপদ্রব বেড়েছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়ায় পরিবেশ দূষণ চরম আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিন ময়লা মাড়িয়েই শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে হয়। দুর্গন্ধের কারণে শ্রেণিকক্ষে বসে পাঠদান করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। অনেক শিক্ষার্থী ক্লাসের মধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়ছে, এমনকি অনেকের বমি করার মতো ঘটনাও ঘটছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, দুর্গন্ধ থেকে বাঁচতে শিক্ষার্থীরা নাকে রুমাল দিয়ে বা জানালা বন্ধ করে ক্লাস করছে। বিদ্যালয়ের মাঠে খেলাধুলাও বন্ধ হওয়ার উপক্রম। দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মিজানুর রহমান জানায়, ময়লার দুর্গন্ধে তাদের দম বন্ধ হয়ে আসে। দ্রুত এই ভাগাড় অপসারণ করে পড়াশোনার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানায় সে।
বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো. আদম আলী বলেন, “একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশে এমন ময়লার স্তূপ থাকতে পারে না। শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।”
এ বিষয়ে কালিয়াকৈর পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুল আলম তালুকদার বলেন, “স্কুলের সামনে ময়লা রাখার কোনো নিয়ম নেই। জনস্বার্থে এই ময়লা দ্রুত অপসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক এ এইচ এম ফখরুল হোসাইন জানান, বিষয়টি নজরে এসেছে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিদ্যালয়ের পাশ থেকে ময়লা অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌরসভার হরিণহাটি এলাকায় অবস্থিত মিলেনিয়াম পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাশেই গড়ে তোলা হয়েছে পৌরসভার অস্থায়ী এক ময়লার ভাগাড়। বিদ্যালয়ের গা-ঘেঁষে ফেলা এই বর্জ্যের উৎকট দুর্গন্ধে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নাভিশ্বাস উঠছে। ফলে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে পড়েছে কয়েক শ কোমলমতি শিক্ষার্থী।
এই পরিস্থিতিতে প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো. আদম আলী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পৌর এলাকার বিভিন্ন বাসা-বাড়ি ও প্রতিষ্ঠানের ময়লা-আবর্জনা এই স্থানে ফেলা হচ্ছে। পচনশীল বর্জ্যের অসহনীয় দুর্গন্ধের পাশাপাশি এলাকায় মশা-মাছি ও রোগজীবাণুর উপদ্রব বেড়েছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়ায় পরিবেশ দূষণ চরম আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিন ময়লা মাড়িয়েই শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে হয়। দুর্গন্ধের কারণে শ্রেণিকক্ষে বসে পাঠদান করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। অনেক শিক্ষার্থী ক্লাসের মধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়ছে, এমনকি অনেকের বমি করার মতো ঘটনাও ঘটছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, দুর্গন্ধ থেকে বাঁচতে শিক্ষার্থীরা নাকে রুমাল দিয়ে বা জানালা বন্ধ করে ক্লাস করছে। বিদ্যালয়ের মাঠে খেলাধুলাও বন্ধ হওয়ার উপক্রম। দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মিজানুর রহমান জানায়, ময়লার দুর্গন্ধে তাদের দম বন্ধ হয়ে আসে। দ্রুত এই ভাগাড় অপসারণ করে পড়াশোনার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানায় সে।
বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো. আদম আলী বলেন, “একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশে এমন ময়লার স্তূপ থাকতে পারে না। শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।”
এ বিষয়ে কালিয়াকৈর পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুল আলম তালুকদার বলেন, “স্কুলের সামনে ময়লা রাখার কোনো নিয়ম নেই। জনস্বার্থে এই ময়লা দ্রুত অপসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক এ এইচ এম ফখরুল হোসাইন জানান, বিষয়টি নজরে এসেছে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিদ্যালয়ের পাশ থেকে ময়লা অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন