বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছ থেকে প্রায় ২৬ কোটি ৮৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ‘জাস্ট থট এডুকেশন কনসালট্যান্ট’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। এই সংঘবদ্ধ প্রতারণার বিচার ও আত্মসাৎকৃত অর্থ উদ্ধারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করে গণস্বাক্ষরযুক্ত স্মারকলিপি দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
স্মারকলিপিতে ভুক্তভোগীরা জানান, স্টুডেন্ট ভিসা প্রসেসিং ও বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেয়। কিন্তু প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কোনো সেবা না দিয়ে পরিকল্পিতভাবে শিক্ষার্থীদের আর্থিক, শিক্ষাগত ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি অনুযায়ী, আত্মসাৎকৃত অর্থের পরিমাণ ২৬ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ৫৮১ টাকা।
এই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মোট ১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। রাজধানীর ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বিল্লাল ভূঁইয়া ও তার তদন্তকারী দল প্রধান আসামি হারুন ওরফে মতিউর রহমানসহ ৪ জনকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করেছে। তবে মামলার বাকি ৯ আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেওয়া স্মারকলিপিতে ভুক্তভোগীরা ছয়টি দাবি তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে রয়েছে–সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা, পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার, আসামিদের ব্যাংক হিসাব ও স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে অর্থ উদ্ধার এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রতারণা রুখতে কঠোর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বলেন, ‘আমরা আমাদের কষ্টার্জিত অর্থ হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছি। আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের প্রতি আমাদের পূর্ণ আস্থা আছে। আমরা আশা করি, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে আমাদের অর্থ ফিরে পাব এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত হবে।’/

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছ থেকে প্রায় ২৬ কোটি ৮৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ‘জাস্ট থট এডুকেশন কনসালট্যান্ট’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। এই সংঘবদ্ধ প্রতারণার বিচার ও আত্মসাৎকৃত অর্থ উদ্ধারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করে গণস্বাক্ষরযুক্ত স্মারকলিপি দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
স্মারকলিপিতে ভুক্তভোগীরা জানান, স্টুডেন্ট ভিসা প্রসেসিং ও বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেয়। কিন্তু প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কোনো সেবা না দিয়ে পরিকল্পিতভাবে শিক্ষার্থীদের আর্থিক, শিক্ষাগত ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি অনুযায়ী, আত্মসাৎকৃত অর্থের পরিমাণ ২৬ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ৫৮১ টাকা।
এই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মোট ১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। রাজধানীর ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বিল্লাল ভূঁইয়া ও তার তদন্তকারী দল প্রধান আসামি হারুন ওরফে মতিউর রহমানসহ ৪ জনকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করেছে। তবে মামলার বাকি ৯ আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেওয়া স্মারকলিপিতে ভুক্তভোগীরা ছয়টি দাবি তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে রয়েছে–সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা, পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার, আসামিদের ব্যাংক হিসাব ও স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে অর্থ উদ্ধার এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রতারণা রুখতে কঠোর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বলেন, ‘আমরা আমাদের কষ্টার্জিত অর্থ হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছি। আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের প্রতি আমাদের পূর্ণ আস্থা আছে। আমরা আশা করি, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে আমাদের অর্থ ফিরে পাব এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত হবে।’/

আপনার মতামত লিখুন