সুস্থ, মেধাবী, সুশৃঙ্খল ও আত্মবিশ্বাসী প্রজন্ম গড়ে তোলাকে বর্তমান সরকারের প্রধানতম অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রবিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, শিক্ষা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও প্রযুক্তির সমন্বিত বিকাশই বাংলাদেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধির মূল ভিত্তি।
ক্রীড়াকে কেবল শরীরচর্চা, বিনোদন কিংবা প্রতিযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে পেশা হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে সরকার এটি জাতীয় শিক্ষা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি সুস্থ, উদ্যমী ও মানবিক সমাজ গঠনে খেলাধুলার ভূমিকা অপরিসীম। সরকার ক্রীড়াকে মানবসম্পদ উন্নয়ন, জাতীয় ঐক্য এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধির অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করছে। এ কারণে তৃণমূল থেকে প্রতিভা অন্বেষণ ও আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ তৈরিতে ধারাবাহিক নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে।
তিনি জানান, গত ২ মে সিলেট জেলা স্টেডিয়াম থেকে দেশব্যাপী ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২৬’-এর উদ্বোধন করা হয়েছিল। সারা দেশে আটটি ইভেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর আজ, ২৭ জুলাই বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় এ আয়োজনের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণ ও বিকাশে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সরকারের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এটি ভবিষ্যতের জাতীয় দল ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশকে তুলে ধরার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে।
সরকারের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ, পৃষ্ঠপোষকতা এবং বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) ভর্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দেন, ক্রীড়াঙ্গনে প্রতিভা, পরিশ্রম ও যোগ্যতাই হবে সাফল্যের একমাত্র মানদণ্ড।
তিনি আরও জানান, আগামী ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭’ আসরে টেবিল টেনিস ও ভলিবল যুক্ত করে মোট ইভেন্ট সংখ্যা ১০টিতে উন্নীত করা হবে। অংশগ্রহণকারীদের সুযোগ বাড়াতে বয়সসীমা ১০ থেকে ১৪ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।
আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুদে খেলোয়াড়রাই একদিন বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা উঁচিয়ে ধরবে। পরিশেষে তিনি প্রথম আসরে অংশগ্রহণকারী সব ক্রীড়াবিদ, প্রশিক্ষক, আয়োজক ও স্বেচ্ছাসেবকদের শুভেচ্ছা জানান এবং সমাপনী অনুষ্ঠানের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
সুস্থ, মেধাবী, সুশৃঙ্খল ও আত্মবিশ্বাসী প্রজন্ম গড়ে তোলাকে বর্তমান সরকারের প্রধানতম অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রবিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, শিক্ষা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও প্রযুক্তির সমন্বিত বিকাশই বাংলাদেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধির মূল ভিত্তি।
ক্রীড়াকে কেবল শরীরচর্চা, বিনোদন কিংবা প্রতিযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে পেশা হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে সরকার এটি জাতীয় শিক্ষা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি সুস্থ, উদ্যমী ও মানবিক সমাজ গঠনে খেলাধুলার ভূমিকা অপরিসীম। সরকার ক্রীড়াকে মানবসম্পদ উন্নয়ন, জাতীয় ঐক্য এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধির অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করছে। এ কারণে তৃণমূল থেকে প্রতিভা অন্বেষণ ও আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ তৈরিতে ধারাবাহিক নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে।
তিনি জানান, গত ২ মে সিলেট জেলা স্টেডিয়াম থেকে দেশব্যাপী ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২৬’-এর উদ্বোধন করা হয়েছিল। সারা দেশে আটটি ইভেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর আজ, ২৭ জুলাই বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় এ আয়োজনের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণ ও বিকাশে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সরকারের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এটি ভবিষ্যতের জাতীয় দল ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশকে তুলে ধরার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে।
সরকারের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ, পৃষ্ঠপোষকতা এবং বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) ভর্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দেন, ক্রীড়াঙ্গনে প্রতিভা, পরিশ্রম ও যোগ্যতাই হবে সাফল্যের একমাত্র মানদণ্ড।
তিনি আরও জানান, আগামী ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭’ আসরে টেবিল টেনিস ও ভলিবল যুক্ত করে মোট ইভেন্ট সংখ্যা ১০টিতে উন্নীত করা হবে। অংশগ্রহণকারীদের সুযোগ বাড়াতে বয়সসীমা ১০ থেকে ১৪ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।
আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুদে খেলোয়াড়রাই একদিন বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা উঁচিয়ে ধরবে। পরিশেষে তিনি প্রথম আসরে অংশগ্রহণকারী সব ক্রীড়াবিদ, প্রশিক্ষক, আয়োজক ও স্বেচ্ছাসেবকদের শুভেচ্ছা জানান এবং সমাপনী অনুষ্ঠানের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

আপনার মতামত লিখুন