নরসিংদীর পলাশে এক সপ্তাহের ব্যবধানে সবজির দাম প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। গত কয়েক দিন বৃষ্টি না থাকায় বাজারে সবজির সরবরাহ বেড়েছে, যার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে দামে। এতে সাধারণ ও নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।
আজ ২৭ জুলাই উপজেলার ঘোড়াশাল বাজার ও সাদ্দাম বাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে যেসব সবজির দাম আকাশচুম্বী ছিল, আজ তা অনেকটা নাগালের মধ্যে। বাজারে প্রতি কেজি আলু ২৫ টাকা, ঝিঙে, পটল, ঢ্যাঁড়স, বেগুন, চিচিঙা ও শসা ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া পেঁপে ৩০ টাকা, ছড়ি কচু ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা, কাঁকরোল ৭০ টাকা এবং টমেটো ও করলা ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। শাকের মধ্যে লালশাক প্রতি আঁটি ১৫ টাকা, ডাঁটাশাক ২৫ টাকা এবং পুঁইশাক ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে কাঁচামরিচের দাম এখনো চড়া; প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়।
ঘোড়াশাল সাদ্দাম বাজারের সবজি বিক্রেতা নাজমুল হোসেন বলেন, ‘দুই দিন ধরে বৃষ্টি নেই, তাই আড়তে সবজির সরবরাহ বেড়েছে। আমদানি বেশি হওয়ায় আমরাও কম দামে বিক্রি করতে পারছি।’
বাজারে আসা চাকরিজীবী রাজু রায়হান বলেন, ‘গত সপ্তাহে সবজির যে দাম ছিল, তাতে বাজার করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। আজ দাম প্রায় অর্ধেক দেখে ভালো লাগছে। তবে কাঁচামরিচের দামটা কমলে আরও ভালো হতো।’
বিক্রেতারা জানান, বৃষ্টির কারণে অনেক জায়গায় মরিচখেত নষ্ট হওয়ায় এর দাম এখনো কমছে না। তবে আবহাওয়া এমন থাকলে অন্যান্য সবজির দাম আরও কমতে পারে বলে তারা আশা করছেন।
/

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
নরসিংদীর পলাশে এক সপ্তাহের ব্যবধানে সবজির দাম প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। গত কয়েক দিন বৃষ্টি না থাকায় বাজারে সবজির সরবরাহ বেড়েছে, যার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে দামে। এতে সাধারণ ও নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।
আজ ২৭ জুলাই উপজেলার ঘোড়াশাল বাজার ও সাদ্দাম বাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে যেসব সবজির দাম আকাশচুম্বী ছিল, আজ তা অনেকটা নাগালের মধ্যে। বাজারে প্রতি কেজি আলু ২৫ টাকা, ঝিঙে, পটল, ঢ্যাঁড়স, বেগুন, চিচিঙা ও শসা ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া পেঁপে ৩০ টাকা, ছড়ি কচু ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা, কাঁকরোল ৭০ টাকা এবং টমেটো ও করলা ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। শাকের মধ্যে লালশাক প্রতি আঁটি ১৫ টাকা, ডাঁটাশাক ২৫ টাকা এবং পুঁইশাক ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে কাঁচামরিচের দাম এখনো চড়া; প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়।
ঘোড়াশাল সাদ্দাম বাজারের সবজি বিক্রেতা নাজমুল হোসেন বলেন, ‘দুই দিন ধরে বৃষ্টি নেই, তাই আড়তে সবজির সরবরাহ বেড়েছে। আমদানি বেশি হওয়ায় আমরাও কম দামে বিক্রি করতে পারছি।’
বাজারে আসা চাকরিজীবী রাজু রায়হান বলেন, ‘গত সপ্তাহে সবজির যে দাম ছিল, তাতে বাজার করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। আজ দাম প্রায় অর্ধেক দেখে ভালো লাগছে। তবে কাঁচামরিচের দামটা কমলে আরও ভালো হতো।’
বিক্রেতারা জানান, বৃষ্টির কারণে অনেক জায়গায় মরিচখেত নষ্ট হওয়ায় এর দাম এখনো কমছে না। তবে আবহাওয়া এমন থাকলে অন্যান্য সবজির দাম আরও কমতে পারে বলে তারা আশা করছেন।
/

আপনার মতামত লিখুন