সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নে নিখোঁজের কয়েক ঘণ্টা পর একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে ৮ মাস বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে উপজেলার লালপুর গুচ্ছগ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরিবারের দাবি, পূর্বশত্রুতার জেরে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৪ প্রতিবেশীকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত শিশুর নাম আমির হামজা। সে লালপুর গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা সাব্বির হোসেন ও সাবিকুন্নাহার দম্পতির ছেলে। এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিরা হলেন একই গ্রামের মণির হোসেন (৩০), জাহাঙ্গীর আলম (৩৭), রাবেয়া বেগম (৫৫) ও আফিয়া বেগম (৩৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ ভোরে মা সাবিকুন্নাহার শিশুটিকে তার বাবার কাছে রেখে জরুরি কাজে ঘরের বাইরে যান। সকাল ৭ টার দিকে বাবা সাব্বির হোসেন ঘুম থেকে উঠে দেখেন শিশুটি বিছানায় নেই। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বাড়ি থেকে প্রায় ১০০ মিটার দূরে প্রতিবেশীর একটি সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে শিশুটির মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয় এক ব্যক্তি। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
শিশুটির পরিবারের অভিযোগ, আটক প্রতিবেশীদের সঙ্গে সাব্বির হোসেনের দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। সেই শত্রুতার জেরেই শিশুটিকে তুলে নিয়ে হত্যা করে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রাখা হয়েছে।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে মামলা করা হবে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।
/

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নে নিখোঁজের কয়েক ঘণ্টা পর একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে ৮ মাস বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে উপজেলার লালপুর গুচ্ছগ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরিবারের দাবি, পূর্বশত্রুতার জেরে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৪ প্রতিবেশীকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত শিশুর নাম আমির হামজা। সে লালপুর গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা সাব্বির হোসেন ও সাবিকুন্নাহার দম্পতির ছেলে। এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিরা হলেন একই গ্রামের মণির হোসেন (৩০), জাহাঙ্গীর আলম (৩৭), রাবেয়া বেগম (৫৫) ও আফিয়া বেগম (৩৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ ভোরে মা সাবিকুন্নাহার শিশুটিকে তার বাবার কাছে রেখে জরুরি কাজে ঘরের বাইরে যান। সকাল ৭ টার দিকে বাবা সাব্বির হোসেন ঘুম থেকে উঠে দেখেন শিশুটি বিছানায় নেই। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বাড়ি থেকে প্রায় ১০০ মিটার দূরে প্রতিবেশীর একটি সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে শিশুটির মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয় এক ব্যক্তি। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
শিশুটির পরিবারের অভিযোগ, আটক প্রতিবেশীদের সঙ্গে সাব্বির হোসেনের দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। সেই শত্রুতার জেরেই শিশুটিকে তুলে নিয়ে হত্যা করে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রাখা হয়েছে।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে মামলা করা হবে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।
/

আপনার মতামত লিখুন