গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় পান্তাপাড়া বিলের জলাবদ্ধতার কারণে গত ১৫ বছর ধরে আমন আবাদ করতে পারছেন না দুই ইউনিয়নের শতাধিক কৃষক। উপজেলার কঞ্চিবাড়ি ও চন্ডিপুর ইউনিয়নের মধ্যবর্তী এই বিলের প্রায় ৮০০ বিঘা জমি বছরের অধিকাংশ সময় পানির নিচে তলিয়ে থাকে। এতে প্রতিবছর কোটি টাকার ফসলহানি হচ্ছে বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্ষা শুরু হতেই বিলে পানি জমে যায়। পানি নিষ্কাশনের কোনো পথ না থাকায় শুষ্ক মৌসুমেও অনেক জমিতে জলাবদ্ধতা থাকে। ফলে দীর্ঘ দেড় দশক ধরে এই বিশাল এলাকাজুড়ে আমন চাষ বন্ধ রয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, বিলের পানি বের হওয়ার প্রাকৃতিক পথগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনকে বারবার জানিয়েও কোনো ফল মেলেনি। সম্প্রতি কঞ্চিবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) লিখিতভাবে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
ভুক্তভোগী কৃষকেরা জানান, দ্রুত খাল খনন ও পানি নিষ্কাশনের জন্য স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করা হলে জমিগুলো আবারও চাষযোগ্য হয়ে উঠবে। অন্যথায় তাদের আর্থিক ক্ষতি আরও বাড়বে।
এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, ‘বিষয়টি আমি জেনেছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
/

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় পান্তাপাড়া বিলের জলাবদ্ধতার কারণে গত ১৫ বছর ধরে আমন আবাদ করতে পারছেন না দুই ইউনিয়নের শতাধিক কৃষক। উপজেলার কঞ্চিবাড়ি ও চন্ডিপুর ইউনিয়নের মধ্যবর্তী এই বিলের প্রায় ৮০০ বিঘা জমি বছরের অধিকাংশ সময় পানির নিচে তলিয়ে থাকে। এতে প্রতিবছর কোটি টাকার ফসলহানি হচ্ছে বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্ষা শুরু হতেই বিলে পানি জমে যায়। পানি নিষ্কাশনের কোনো পথ না থাকায় শুষ্ক মৌসুমেও অনেক জমিতে জলাবদ্ধতা থাকে। ফলে দীর্ঘ দেড় দশক ধরে এই বিশাল এলাকাজুড়ে আমন চাষ বন্ধ রয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, বিলের পানি বের হওয়ার প্রাকৃতিক পথগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনকে বারবার জানিয়েও কোনো ফল মেলেনি। সম্প্রতি কঞ্চিবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) লিখিতভাবে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
ভুক্তভোগী কৃষকেরা জানান, দ্রুত খাল খনন ও পানি নিষ্কাশনের জন্য স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করা হলে জমিগুলো আবারও চাষযোগ্য হয়ে উঠবে। অন্যথায় তাদের আর্থিক ক্ষতি আরও বাড়বে।
এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, ‘বিষয়টি আমি জেনেছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
/

আপনার মতামত লিখুন