রাজবাড়ীর কালুখালীতে ৭ মাস বয়সী শিশুসন্তানকে রেখে আরজিনা খাতুন (৩০) নামের এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ভোরে উপজেলার মৃগী ইউনিয়নের বিলনৌছি গ্রাম থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আরজিনা খাতুন ওই গ্রামের সুলতান আলী বিশ্বাসের মেয়ে এবং আমিন শেখের স্ত্রী। তাদের একমাত্র সন্তান আরিয়ানের বয়স ৭ মাস।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২৭ জুলাই) রাত ১০টার দিকে রাতের খাবার শেষে স্বামী আমিন শেখ, আরজিনা ও তাদের সন্তান একসঙ্গে ঘুমিয়ে পড়েন। মঙ্গলবার ভোর আনুমানিক চারটার দিকে আমিনের ঘুম ভাঙলে তিনি ঘরের আড়ার সঙ্গে রশি দিয়ে স্ত্রীকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আরজিনাকে নিচে নামালেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পারিবারিক বিষয় নিয়ে কিছুদিন ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল।
খবর পেয়ে মৃগী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হুদা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে আজই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
কালুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
\

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
রাজবাড়ীর কালুখালীতে ৭ মাস বয়সী শিশুসন্তানকে রেখে আরজিনা খাতুন (৩০) নামের এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ভোরে উপজেলার মৃগী ইউনিয়নের বিলনৌছি গ্রাম থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আরজিনা খাতুন ওই গ্রামের সুলতান আলী বিশ্বাসের মেয়ে এবং আমিন শেখের স্ত্রী। তাদের একমাত্র সন্তান আরিয়ানের বয়স ৭ মাস।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২৭ জুলাই) রাত ১০টার দিকে রাতের খাবার শেষে স্বামী আমিন শেখ, আরজিনা ও তাদের সন্তান একসঙ্গে ঘুমিয়ে পড়েন। মঙ্গলবার ভোর আনুমানিক চারটার দিকে আমিনের ঘুম ভাঙলে তিনি ঘরের আড়ার সঙ্গে রশি দিয়ে স্ত্রীকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আরজিনাকে নিচে নামালেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পারিবারিক বিষয় নিয়ে কিছুদিন ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল।
খবর পেয়ে মৃগী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হুদা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে আজই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
কালুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
\

আপনার মতামত লিখুন