সরকার থেকে সরকার পর্যায়ে (জি টু জি) মেয়াদি চুক্তির আওতায় ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ের জন্য ১৫ লাখ ২৫ হাজার টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ জন্য ব্যয় হবে ১৬ হাজার ৮৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) নিজস্ব বাজেট থেকে এ ব্যয় বহন করবে।
বুধবার (২৯ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। বৈঠক শেষে অর্থ মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
বৈঠক সূত্রে জনা গেছে, থাইল্যান্ডের ওকিউটি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইএনওসি, চীনের পেট্রোচায়না ও ইউনিপেক, ইন্দোনেশিয়ার বিএসপি এবং ভারতের আইওসিএল-এই ছয়টি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে জি টু জি ভিত্তিতে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করবে বিপিসি।
অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, মোট ১৫ লাখ ২৫ হাজার টন জ্বালানি তেলের মধ্যে রয়েছে ৯ লাখ ১৫ হাজার টন গ্যাস অয়েল, ২ লাখ ৮০ হাজার টন জেট এ-ওয়ান, ২ লাখ টন ফার্নেস অয়েল, ১ লাখ টন গ্যাসোলিন-৯৫ (আনলোডেড) এবং ৩০ হাজার টন মেরিন ফুয়েল।
গ্যাস অয়েলের প্রতি ব্যারেলে প্রিমিয়াম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার, জেট এ-ওয়ানের ক্ষেত্রে ১০ দশমিক ১৫ ডলার এবং গ্যাসোলিন-৯৫ (আনলোডেড)-এর ক্ষেত্রে ৮ দশমিক ৪৯ ডলার। এ ছাড়া ফার্নেস অয়েলের জন্য প্রতি টনে ৬৬ ডলার এবং মেরিন ফুয়েলের জন্য প্রতি টনে ৮৫ ডলার প্রিমিয়াম নির্ধারণ করা হয়েছে।
২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন সময়ে একই ধরনের জি টু জি চুক্তির আওতায় ১২ লাখ ৪০ হাজার টন বিভিন্ন গ্রেডের পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়েছে। চলতি জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ের সম্ভাব্য চাহিদা পূরণে নতুন এ আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি তেল আমদানির পাশাপাশি একই বৈঠকে আরও কয়েকটি ক্রয়প্রস্তাবও অনুমোদিত হয়। এর মধ্যে রয়েছে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সড়ক নির্মাণে ১২৩ কোটি টাকা, বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থা স্থাপনে ২১২ কোটি টাকা এবং পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে ৭ কোটি টাকার ভেরিয়েশন প্রস্তাব। এ ছাড়া কুমিল্লায় ১০ হাজার টন ধারণক্ষমতার একটি সার সংরক্ষণাগার নির্মাণে ৪৯ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। বগুড়ায় ১৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়-কাম-বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে ১২৬ কোটি টাকার ক্রয়প্রস্তাব অনুমোদিত হয়।

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
সরকার থেকে সরকার পর্যায়ে (জি টু জি) মেয়াদি চুক্তির আওতায় ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ের জন্য ১৫ লাখ ২৫ হাজার টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ জন্য ব্যয় হবে ১৬ হাজার ৮৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) নিজস্ব বাজেট থেকে এ ব্যয় বহন করবে।
বুধবার (২৯ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। বৈঠক শেষে অর্থ মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
বৈঠক সূত্রে জনা গেছে, থাইল্যান্ডের ওকিউটি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইএনওসি, চীনের পেট্রোচায়না ও ইউনিপেক, ইন্দোনেশিয়ার বিএসপি এবং ভারতের আইওসিএল-এই ছয়টি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে জি টু জি ভিত্তিতে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করবে বিপিসি।
অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, মোট ১৫ লাখ ২৫ হাজার টন জ্বালানি তেলের মধ্যে রয়েছে ৯ লাখ ১৫ হাজার টন গ্যাস অয়েল, ২ লাখ ৮০ হাজার টন জেট এ-ওয়ান, ২ লাখ টন ফার্নেস অয়েল, ১ লাখ টন গ্যাসোলিন-৯৫ (আনলোডেড) এবং ৩০ হাজার টন মেরিন ফুয়েল।
গ্যাস অয়েলের প্রতি ব্যারেলে প্রিমিয়াম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার, জেট এ-ওয়ানের ক্ষেত্রে ১০ দশমিক ১৫ ডলার এবং গ্যাসোলিন-৯৫ (আনলোডেড)-এর ক্ষেত্রে ৮ দশমিক ৪৯ ডলার। এ ছাড়া ফার্নেস অয়েলের জন্য প্রতি টনে ৬৬ ডলার এবং মেরিন ফুয়েলের জন্য প্রতি টনে ৮৫ ডলার প্রিমিয়াম নির্ধারণ করা হয়েছে।
২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন সময়ে একই ধরনের জি টু জি চুক্তির আওতায় ১২ লাখ ৪০ হাজার টন বিভিন্ন গ্রেডের পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়েছে। চলতি জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ের সম্ভাব্য চাহিদা পূরণে নতুন এ আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি তেল আমদানির পাশাপাশি একই বৈঠকে আরও কয়েকটি ক্রয়প্রস্তাবও অনুমোদিত হয়। এর মধ্যে রয়েছে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সড়ক নির্মাণে ১২৩ কোটি টাকা, বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থা স্থাপনে ২১২ কোটি টাকা এবং পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে ৭ কোটি টাকার ভেরিয়েশন প্রস্তাব। এ ছাড়া কুমিল্লায় ১০ হাজার টন ধারণক্ষমতার একটি সার সংরক্ষণাগার নির্মাণে ৪৯ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। বগুড়ায় ১৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়-কাম-বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে ১২৬ কোটি টাকার ক্রয়প্রস্তাব অনুমোদিত হয়।

আপনার মতামত লিখুন