সংবাদ

তীব্র গরমে লোডশেডিং: নাজেহাল মনোহরদী!


প্রতিনিধি, মনোহরদী (নরসিংদী)
প্রতিনিধি, মনোহরদী (নরসিংদী)
প্রকাশ: ২৯ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৫ এএম

তীব্র গরমে লোডশেডিং: নাজেহাল মনোহরদী!
ছবি : সংবাদ

নরসিংদীর মনোহরদীতে তীব্র দাবদাহের মধ্যে বেপরোয়া লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। একদিকে অসহ্য গরম, অন্যদিকে বিদ্যুতের নিরবচ্ছিন্ন ‘আসা-যাওয়ায়’ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দিনের চেয়ে রাতের বেলা এই সংকট আরও প্রকট রূপ নেওয়ায় নির্ঘুম রাত কাটছে সাধারণ মানুষের।

চলতি এইচএসসি, আলিম ও সমমানের পরীক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে। বিদ্যুৎ না থাকায় রাতে পড়াশোনায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে। শুধু বাসাবাড়িতেই নয়, গরমে শ্রেণিকক্ষও তপ্ত হয়ে ওঠায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা মনোযোগ দিতে পারছেন না। থমকে গেছে ব্যবসা-বাণিজ্য; বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌর এলাকায় কিছুটা বিদ্যুৎ পাওয়া গেলেও গ্রামাঞ্চলের অবস্থা শোচনীয়। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে ফ্রিজ, টেলিভিশন, ফ্যানসহ মূল্যবান ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম নষ্ট হচ্ছে। তারাকান্দি গ্রামের ব্যবসায়ী সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘লোডশেডিংয়ের কারণে দোকানপাট অন্ধকারে ডুবে থাকে। আবার চার্জের অভাবে অটোরিকশা কম চলায় যাতায়াতে অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে।’ অনেক গ্রাহকের অভিযোগ, সেবা না পেলেও মাস শেষে অতিরিক্ত বিল ঠিকই আসছে।

বিদ্যুৎ অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় চাহিদার তুলনায় বরাদ্দের পরিমাণ অনেক কম। নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ (মনোহরদী জোনাল অফিস)-এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) প্রকৌশলী ফযিলত রাব্বি মু'মিনাহ বলেন, ‘মনোহরদীতে বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা ৪৫ মেগাওয়াট। তবে বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ২৭ মেগাওয়াট। প্রতিদিন ১৮ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি থাকায় লোডশেডিং দিতে আমরা বাধ্য হচ্ছি।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬


তীব্র গরমে লোডশেডিং: নাজেহাল মনোহরদী!

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

নরসিংদীর মনোহরদীতে তীব্র দাবদাহের মধ্যে বেপরোয়া লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। একদিকে অসহ্য গরম, অন্যদিকে বিদ্যুতের নিরবচ্ছিন্ন ‘আসা-যাওয়ায়’ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দিনের চেয়ে রাতের বেলা এই সংকট আরও প্রকট রূপ নেওয়ায় নির্ঘুম রাত কাটছে সাধারণ মানুষের।

চলতি এইচএসসি, আলিম ও সমমানের পরীক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে। বিদ্যুৎ না থাকায় রাতে পড়াশোনায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে। শুধু বাসাবাড়িতেই নয়, গরমে শ্রেণিকক্ষও তপ্ত হয়ে ওঠায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা মনোযোগ দিতে পারছেন না। থমকে গেছে ব্যবসা-বাণিজ্য; বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌর এলাকায় কিছুটা বিদ্যুৎ পাওয়া গেলেও গ্রামাঞ্চলের অবস্থা শোচনীয়। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে ফ্রিজ, টেলিভিশন, ফ্যানসহ মূল্যবান ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম নষ্ট হচ্ছে। তারাকান্দি গ্রামের ব্যবসায়ী সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘লোডশেডিংয়ের কারণে দোকানপাট অন্ধকারে ডুবে থাকে। আবার চার্জের অভাবে অটোরিকশা কম চলায় যাতায়াতে অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে।’ অনেক গ্রাহকের অভিযোগ, সেবা না পেলেও মাস শেষে অতিরিক্ত বিল ঠিকই আসছে।

বিদ্যুৎ অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় চাহিদার তুলনায় বরাদ্দের পরিমাণ অনেক কম। নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ (মনোহরদী জোনাল অফিস)-এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) প্রকৌশলী ফযিলত রাব্বি মু'মিনাহ বলেন, ‘মনোহরদীতে বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা ৪৫ মেগাওয়াট। তবে বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ২৭ মেগাওয়াট। প্রতিদিন ১৮ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি থাকায় লোডশেডিং দিতে আমরা বাধ্য হচ্ছি।’


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত