চলমান গ্যাস সংকটে শিল্পোৎপাদন অব্যহত রাখতে কভার্ড ভ্যান ও লরিতে করে কারখানায় সিএনজি (সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস) নিয়ে যেতে চায় দুই ব্যবসায়ী সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ।
কভার্ড ভ্যান ও লরিতে ‘রাশি রাশি’ সিলিন্ডারে সিএনজি সরবরাহ ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এটি আইনত নিষিদ্ধ এবং দণ্ডনীয় অপরাধ। তিতাস গ্যাস কোম্পানিসহ রাষ্ট্রীয় গ্যাস বিতরণ প্রতিষ্ঠানগুলো এ ধরণের যানবাহনে সিএনজি সরবরাহ না করতে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোকে সব সময় নির্দেশনা দেয়।
যেসব এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পাইপ লাইনে গ্যাসের চাপ কম, ওই এলাকার কিছু শিল্প কারখানা তাদের বয়লার ও ক্যাপটিভের জন্য সিএনজি ফিলিং স্টেশন থেকে কর্ভার্ড ভ্যান ও লরিতে করে সিএনজি নিয়ে যায়। এই ভ্যান ও লরিগুলোতে অনেক সিলিন্ডারে সাজানো থাকে। এ ধরনের ভ্যান ও লরিতে সিএনজি সরবরাহ করতে গিয়ে বিভিন্ন সময় দুর্ঘটনা ঘটেছে।
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি বিভিন্ন সময় অভিযান পরিচালনা করে কভার্ড ভ্যান ও লরিতে সিএনজি সরবরাহের কারণে সংশ্লিষ্ট সিএনজি ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা করছে। তবে ভ্যানে করে সিএনজি নেওয়া বন্ধ হয়নি।
সম্প্রতি এভাবে গ্যাস নেওয়া বেড়ে যাওয়ায় যানবাহন ছাড়া খোলা সিলিন্ডার বা ক্যাসকেড সিলিন্ডার বহনকারী কাভার্ড ভ্যান ও লরিতে সিএনজি সরবরাহ না করতে সম্প্রতি বিভিন্ন সিএনজি স্টেশনকে চিঠি দিয়ে সতর্ক করেছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি। চিঠির উল্লেখ করা হয়, এভাবে সিএনজি বিক্রি বাংলাদেশ গ্যাস আইন ও গ্যাস বিপণন বিধিমালা ২০২৬ এর পরিপন্থী এবং ঝুঁকিপূর্ণ।
কক্সবাজারের মহেশখালীতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) ত্রুটির কারণে দেশে গ্যাস সংকট অনেকটাই বেড়ে গেছে। এই প্রেক্ষিতে কোন শিল্প কারখানা চাইলে তাকে কভ্যার্ড ভ্যান ও লরিতে করে সিএনজি দিতে অনুরোধ জানিয়ে ‘বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন’কে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
চিঠিতে বলা হয়েছে, দেশজুড়ে চলমান গ্যাস সংকটের কারণে তৈরি পোশাক শিল্পে উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক শিল্প এখন তীব্র গ্যাস সংকটের মুখোমুখি। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রপ্তানি আদেশ সরবরাহ বজায় রাখতে এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ধারা সচল রাখতে তারা সিএনজি স্টেশন থেকে সিলিন্ডারের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
কভার্ড ভ্যান ও লরিতে গ্যাস দেওয়ার বিষয়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন মালিকদের অবহিত করতে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) পৃথক চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)।
চিঠিতে বলা হয়েছে, সংগঠনের পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয়ের ‘সচিবের সঙ্গে’ বৈঠক করা হয়েছে। গ্যাস সংকটে কারখানার অচলাবস্থার বিষয়টি ‘বোঝানো হয়েছে’। শিল্পোৎপাদনের গুরুত্ব অনুধাবন করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী এই সংকটকালে তিতাস গ্যাস কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালককে ‘তৈরি পোষাক কারখানায় সিএনজি স্টেশন থেকে গ্যাস সরবরাহ অব্যহত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন’।

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
চলমান গ্যাস সংকটে শিল্পোৎপাদন অব্যহত রাখতে কভার্ড ভ্যান ও লরিতে করে কারখানায় সিএনজি (সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস) নিয়ে যেতে চায় দুই ব্যবসায়ী সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ।
কভার্ড ভ্যান ও লরিতে ‘রাশি রাশি’ সিলিন্ডারে সিএনজি সরবরাহ ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এটি আইনত নিষিদ্ধ এবং দণ্ডনীয় অপরাধ। তিতাস গ্যাস কোম্পানিসহ রাষ্ট্রীয় গ্যাস বিতরণ প্রতিষ্ঠানগুলো এ ধরণের যানবাহনে সিএনজি সরবরাহ না করতে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোকে সব সময় নির্দেশনা দেয়।
যেসব এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পাইপ লাইনে গ্যাসের চাপ কম, ওই এলাকার কিছু শিল্প কারখানা তাদের বয়লার ও ক্যাপটিভের জন্য সিএনজি ফিলিং স্টেশন থেকে কর্ভার্ড ভ্যান ও লরিতে করে সিএনজি নিয়ে যায়। এই ভ্যান ও লরিগুলোতে অনেক সিলিন্ডারে সাজানো থাকে। এ ধরনের ভ্যান ও লরিতে সিএনজি সরবরাহ করতে গিয়ে বিভিন্ন সময় দুর্ঘটনা ঘটেছে।
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি বিভিন্ন সময় অভিযান পরিচালনা করে কভার্ড ভ্যান ও লরিতে সিএনজি সরবরাহের কারণে সংশ্লিষ্ট সিএনজি ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা করছে। তবে ভ্যানে করে সিএনজি নেওয়া বন্ধ হয়নি।
সম্প্রতি এভাবে গ্যাস নেওয়া বেড়ে যাওয়ায় যানবাহন ছাড়া খোলা সিলিন্ডার বা ক্যাসকেড সিলিন্ডার বহনকারী কাভার্ড ভ্যান ও লরিতে সিএনজি সরবরাহ না করতে সম্প্রতি বিভিন্ন সিএনজি স্টেশনকে চিঠি দিয়ে সতর্ক করেছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি। চিঠির উল্লেখ করা হয়, এভাবে সিএনজি বিক্রি বাংলাদেশ গ্যাস আইন ও গ্যাস বিপণন বিধিমালা ২০২৬ এর পরিপন্থী এবং ঝুঁকিপূর্ণ।
কক্সবাজারের মহেশখালীতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) ত্রুটির কারণে দেশে গ্যাস সংকট অনেকটাই বেড়ে গেছে। এই প্রেক্ষিতে কোন শিল্প কারখানা চাইলে তাকে কভ্যার্ড ভ্যান ও লরিতে করে সিএনজি দিতে অনুরোধ জানিয়ে ‘বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন’কে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
চিঠিতে বলা হয়েছে, দেশজুড়ে চলমান গ্যাস সংকটের কারণে তৈরি পোশাক শিল্পে উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক শিল্প এখন তীব্র গ্যাস সংকটের মুখোমুখি। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রপ্তানি আদেশ সরবরাহ বজায় রাখতে এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ধারা সচল রাখতে তারা সিএনজি স্টেশন থেকে সিলিন্ডারের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
কভার্ড ভ্যান ও লরিতে গ্যাস দেওয়ার বিষয়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন মালিকদের অবহিত করতে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) পৃথক চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)।
চিঠিতে বলা হয়েছে, সংগঠনের পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয়ের ‘সচিবের সঙ্গে’ বৈঠক করা হয়েছে। গ্যাস সংকটে কারখানার অচলাবস্থার বিষয়টি ‘বোঝানো হয়েছে’। শিল্পোৎপাদনের গুরুত্ব অনুধাবন করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী এই সংকটকালে তিতাস গ্যাস কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালককে ‘তৈরি পোষাক কারখানায় সিএনজি স্টেশন থেকে গ্যাস সরবরাহ অব্যহত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন’।

আপনার মতামত লিখুন