সংবাদ

কুলিয়ারচরে বাল্যবিবাহ রুখে দিলেন ইউএনও


প্রতিনিধি, ভৈরব (কিশোরগঞ্জ)
প্রতিনিধি, ভৈরব (কিশোরগঞ্জ)
প্রকাশ: ১ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৩৭ পিএম

কুলিয়ারচরে বাল্যবিবাহ রুখে দিলেন ইউএনও
ছবি : সংবাদ

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীর বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়েছে। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে কনের বাবাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার রামদী ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়।

আদালত পরিচালনা করেন কুলিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইয়াসিন খন্দকার।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মনোহরপুর গ্রামের এক সৌদি প্রবাসীর ১৩ বছর বয়সী মেয়ের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী বাজিতপুর উপজেলার এক যুবকের (২২) বিয়ের আয়োজন চলছিল। বাড়িতে প্যান্ডেল সাজিয়ে অতিথিদের আপ্যায়নের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছিল এবং সবাই বরযাত্রীর অপেক্ষায় ছিলেন। গোপন সংবাদ পেয়ে ইউএনও পুলিশ ও আনসার সদস্যদের নিয়ে বিয়েবাড়িতে উপস্থিত হন।

জিজ্ঞাসাবাদে কনের বাবা-মা স্বীকার করেন যে তাদের মেয়ে অপ্রাপ্তবয়স্ক। এরপর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কনের বাবাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে তাকে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল, তবে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার টাকা পরিশোধ করেন। একই সঙ্গে মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না মর্মে অভিভাবকদের কাছ থেকে লিখিত মুচলেকা নেওয়া হয়।

অভিযানকালে কুলিয়ারচর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অর্পণ বিশ্বাসসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ইউএনও মো. ইয়াসিন খন্দকার বলেন, বাল্যবিবাহ একটি সামাজিক ব্যাধি এবং দণ্ডনীয় অপরাধ। শিশু-কিশোরীদের সুরক্ষায় এবং আইন প্রয়োগে উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬


কুলিয়ারচরে বাল্যবিবাহ রুখে দিলেন ইউএনও

প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীর বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়েছে। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে কনের বাবাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার রামদী ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়।

আদালত পরিচালনা করেন কুলিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইয়াসিন খন্দকার।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মনোহরপুর গ্রামের এক সৌদি প্রবাসীর ১৩ বছর বয়সী মেয়ের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী বাজিতপুর উপজেলার এক যুবকের (২২) বিয়ের আয়োজন চলছিল। বাড়িতে প্যান্ডেল সাজিয়ে অতিথিদের আপ্যায়নের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছিল এবং সবাই বরযাত্রীর অপেক্ষায় ছিলেন। গোপন সংবাদ পেয়ে ইউএনও পুলিশ ও আনসার সদস্যদের নিয়ে বিয়েবাড়িতে উপস্থিত হন।

জিজ্ঞাসাবাদে কনের বাবা-মা স্বীকার করেন যে তাদের মেয়ে অপ্রাপ্তবয়স্ক। এরপর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কনের বাবাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে তাকে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল, তবে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার টাকা পরিশোধ করেন। একই সঙ্গে মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না মর্মে অভিভাবকদের কাছ থেকে লিখিত মুচলেকা নেওয়া হয়।

অভিযানকালে কুলিয়ারচর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অর্পণ বিশ্বাসসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ইউএনও মো. ইয়াসিন খন্দকার বলেন, বাল্যবিবাহ একটি সামাজিক ব্যাধি এবং দণ্ডনীয় অপরাধ। শিশু-কিশোরীদের সুরক্ষায় এবং আইন প্রয়োগে উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত