ভারতের রাজনীতিতে আবার উচ্চারিত হচ্ছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। ককরোচ মানে তেলাপোকা। যে পতঙ্গটিকে দেখলে মানুষ জুতা খোঁজে, বিষ ছেটায়, অথচ কোটি বছরেও যাকে পৃথিবী থেকে মুছে ফেলা যায়নি, সেই তেলাপোকাকেই এবার নিজেদের প্রতীক বানিয়েছে ভারতের বেকার তরুণেরা। ২০২৪ সালের জুনে নিট প্রশ্নফাঁস এবং সুপ্রিম কোর্টের এক বিচারপতির ‘তেলাপোকা’ মন্তব্যের জেরে যে ব্যঙ্গাত্মক প্ল্যাটফর্মের জন্ম হয়েছিল, তা দুই বছর পর ২০২৬ এর জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে এসে আবার দিল্লির যন্তর মন্তর কাঁপাচ্ছে। প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবেই ওঠে, পুরনো ঘটনা নিয়ে এখন আন্দোলন কেন? উত্তর একটাই, পুরনো ক্ষতের ওপর নতুন ঘা পড়েছে। সরকার ২০২৪ এ যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার বাস্তবায়ন ধীরগতির। উল্টো ২০২৬ এর মে-জুনে এসএসি, রেলওয়ে এবং রাজ্য পুলিশের নিয়োগ পরীক্ষায় আবারও বড় আকারের প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ উঠেছে, সিবিআই-এর তদন্তে একাধিক রাজ্যের যোগসূত্রের কথা এসেছে। তাই হতাশা কেবল মেডিকেল প্রত্যাশীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, তা এখন সরকারি চাকরিপ্রার্থী কোটি তরুণের ক্ষোভে পরিণত হয়েছে। পুরনো অপমান আর নতুন হতাশা মিলে আবার বিস্ফোরণ ঘটেছে।
২০২৪ এর ঘটনাপ্রবাহ এখন ইতিহাস। সেবার নিট পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের পর সারা দেশে বিক্ষোভ হয়। কয়েকজন শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার খবর আসে। ঠিক সেই সময় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত এক শুনানিতে বেকার যুবকদের প্রসঙ্গে বলেন, কাজ নেই বলেই তারা তেলাপোকার মতো সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। বোস্টনের শিক্ষার্থী অভিজিৎ দীপকের ‘সব তেলাপোকা এক হলে কী হবে’ পোস্টটি তখন ভাইরাল হয়। চাপের মুখে সরকার নিট পুনঃপরীক্ষা, তদন্ত কমিটি এবং কঠোর আইনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আন্দোলন থামায়। কিন্তু সেই আইন সংসদে পাস হলেও মাঠ পর্যায়ে তার প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন ছিল। দুর্নীতির চক্র পুরোপুরি ভাঙা যায়নি। ফলে তেলাপোকা প্ল্যাটফর্মটি সুপ্ত অবস্থায় ছিল, মরেনি।
বিস্ফোরণের দ্বিতীয় কারণ হলো ডিজিটাল মেমোরি। ২০২৬ এর জুনে হঠাৎ করে বিচারপতির সেই পুরনো বক্তব্যের ১৫ সেকেন্ডের ক্লিপটি ইনস্টাগ্রাম রিল এবং ইউটিউব শর্টসে ভাইরাল হয়ে যায়। কোটি ভিউ। যারা ২০২৪ এ স্কুলে ছিল, তারা এবার প্রথমবার এই অবজ্ঞা দেখেছে। পুরনো অপমান নতুন করে রক্তাক্ত করেছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে নতুন প্রশ্নফাঁসের খবর। চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতা বেড়েছে, কিন্তু সুযোগ বাড়েনি। তাই ২০২৪ এ যে আগুন নেভানো হয়েছিল, ২০২৬ এ এসে তা আবার দাউ দাউ করে জ্বলে উঠেছে। এই সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আরেকটি তত্ত্বও ছড়ায়। সরকার এফসিআরএ বিল পাস করতে যাচ্ছে, আর সেই বিল আটকাতেই কিছু এনজিও নাকি যুবকদের উসকাচ্ছে। তবে এই অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ মেলেনি। তাই ২০২৪ এর ক্ষোভ আর ২০২৬ এর বাস্তবতা মিলে এক ভয়ঙ্কর মিশ্রণ তৈরি হয়েছে। অভিজিৎ দীপক আবার সামনে এসে যন্তর মন্তরে জমায়েতের ডাক দেন।
যন্তর মন্তরের চিত্র এবারও একই, কিন্তু মাত্রা বড়। দেশের ১৮টি রাজ্য থেকে তরুণেরা ট্রেনে-বাসে এসে হাজির হয়েছে। সরকার আগের মতোই মেট্রো বন্ধ করেছে, ইন্টারনেট স্লো করেছে। কিন্তু লাভ হয়নি। হিন্দু-মুসলিম-দলিত সবাই এক প্ল্যাকার্ডে লিখেছে ‘চাকরি চাই, সম্মান চাই’। পুলিশ লাঠি চালিয়েছে, মঞ্চ ভেঙেছে। রাতের মধ্যে আবার মঞ্চ তৈরি হয়েছে। তেলাপোকার প্রতীকী শক্তি এখানেই। তাকে মারলে সে মরে না, বরং অন্ধকারে আরও ছড়িয়ে পড়ে। এবারের আন্দোলনে কোনো রাজনৈতিক দলের পতাকা ছিল না। ছিল কেবল মোবাইল, মিম আর অভিমান। তেলাপোকার মতোই তারা প্রমাণ করে, চাপ দিলে এরা মরে না, বরং আরও ছড়ায়।
সরকার এবারও পুরনো কৌশলেই ফিরেছে। প্রথমে কঠোরতা, পরে সংলাপ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাতির উদ্দেশে বলেন, ৯০ দিনের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া পুরোপুরি ডিজিটাল হবে এবং প্রশ্নফাঁস রোধে নতুন টাস্কফোর্স গঠন হবে। জুলাইয়ের মাঝামাঝি ২০২৪ এর আইনে প্রথমবারের মতো বড় গ্রেপ্তারও হয়েছে। কেন্দ্রীয় দুই মন্ত্রী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আন্দোলনকারীরা ১৫ দিনের জন্য কর্মসূচি স্থগিত করেছে, ফলাফল দেখার শর্তে। রক্তপাত হয়নি, এটি স্বস্তির। একটি বড় সংকট সংলাপের মাধ্যমে আপাতত নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এখানেই ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র রাজনৈতিক তাৎপর্য। তারা রাষ্ট্র ভাঙতে চায়নি, তারা চেয়েছে রাষ্ট্র তাদের শুনুক।
ভারতের গণতন্ত্রের বিশেষত্ব এখানেই। ২৮টি রাজ্যের এই দেশে প্রতিদিন কোথাও না কোথাও আন্দোলন হয়। কিন্তু রাষ্ট্রযন্ত্র ভেঙে পড়ে না। কারণ এখানে সেনাবাহিনী ব্যারাকে থাকে, আদালত সরকারের বিরুদ্ধে রায় দেয়, গণমাধ্যম প্রশ্ন করে। তাই ক্ষোভ রাস্তায় আটকে থাকে না, ক্ষোভ জমে বিস্ফোরণ হয় না, প্রতিষ্ঠানের দরজা পর্যন্ত যায়। তেলাপোকা আন্দোলনও সেই দরজা পর্যন্ত গেছে। এটি বিপ্লবের ডাক দেয়নি, এটি দাবি করেছে জবাবদিহিতার।
শেষ কথা হলো, তেলাপোকা টিকে থাকে কারণ সে অভিযোজিত হতে জানে। ভারতের গণতন্ত্রও টিকে আছে কারণ সে চাপকে অস্বীকার করে না, আত্মস্থ করে। যারা একদিন তেলাপোকা বলে ব্যঙ্গ করেছিল, তারা আজ টেবিলে বসে কথা বলতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু এই জয় ততক্ষণই জয়, যতক্ষণ প্রতিশ্রুতি কাগজে না থেকে মাঠে নামে। না হলে ২০২৮ এ আবার নতুন কোনো ক্লিপ ভাইরাল হবে, আবার নতুন তেলাপোকা জন্ম নেবে। রাষ্ট্রের কাজ হলো মানুষকে এতটা কোণঠাসা না করা, যাতে তাকে তেলাপোকা হয়ে বাঁচতে হয়।
(লেখকের নিজস্ব মত)
[লেখক: সাবেক নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক]

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
ভারতের রাজনীতিতে আবার উচ্চারিত হচ্ছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। ককরোচ মানে তেলাপোকা। যে পতঙ্গটিকে দেখলে মানুষ জুতা খোঁজে, বিষ ছেটায়, অথচ কোটি বছরেও যাকে পৃথিবী থেকে মুছে ফেলা যায়নি, সেই তেলাপোকাকেই এবার নিজেদের প্রতীক বানিয়েছে ভারতের বেকার তরুণেরা। ২০২৪ সালের জুনে নিট প্রশ্নফাঁস এবং সুপ্রিম কোর্টের এক বিচারপতির ‘তেলাপোকা’ মন্তব্যের জেরে যে ব্যঙ্গাত্মক প্ল্যাটফর্মের জন্ম হয়েছিল, তা দুই বছর পর ২০২৬ এর জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে এসে আবার দিল্লির যন্তর মন্তর কাঁপাচ্ছে। প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবেই ওঠে, পুরনো ঘটনা নিয়ে এখন আন্দোলন কেন? উত্তর একটাই, পুরনো ক্ষতের ওপর নতুন ঘা পড়েছে। সরকার ২০২৪ এ যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার বাস্তবায়ন ধীরগতির। উল্টো ২০২৬ এর মে-জুনে এসএসি, রেলওয়ে এবং রাজ্য পুলিশের নিয়োগ পরীক্ষায় আবারও বড় আকারের প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ উঠেছে, সিবিআই-এর তদন্তে একাধিক রাজ্যের যোগসূত্রের কথা এসেছে। তাই হতাশা কেবল মেডিকেল প্রত্যাশীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, তা এখন সরকারি চাকরিপ্রার্থী কোটি তরুণের ক্ষোভে পরিণত হয়েছে। পুরনো অপমান আর নতুন হতাশা মিলে আবার বিস্ফোরণ ঘটেছে।
২০২৪ এর ঘটনাপ্রবাহ এখন ইতিহাস। সেবার নিট পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের পর সারা দেশে বিক্ষোভ হয়। কয়েকজন শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার খবর আসে। ঠিক সেই সময় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত এক শুনানিতে বেকার যুবকদের প্রসঙ্গে বলেন, কাজ নেই বলেই তারা তেলাপোকার মতো সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। বোস্টনের শিক্ষার্থী অভিজিৎ দীপকের ‘সব তেলাপোকা এক হলে কী হবে’ পোস্টটি তখন ভাইরাল হয়। চাপের মুখে সরকার নিট পুনঃপরীক্ষা, তদন্ত কমিটি এবং কঠোর আইনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আন্দোলন থামায়। কিন্তু সেই আইন সংসদে পাস হলেও মাঠ পর্যায়ে তার প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন ছিল। দুর্নীতির চক্র পুরোপুরি ভাঙা যায়নি। ফলে তেলাপোকা প্ল্যাটফর্মটি সুপ্ত অবস্থায় ছিল, মরেনি।
বিস্ফোরণের দ্বিতীয় কারণ হলো ডিজিটাল মেমোরি। ২০২৬ এর জুনে হঠাৎ করে বিচারপতির সেই পুরনো বক্তব্যের ১৫ সেকেন্ডের ক্লিপটি ইনস্টাগ্রাম রিল এবং ইউটিউব শর্টসে ভাইরাল হয়ে যায়। কোটি ভিউ। যারা ২০২৪ এ স্কুলে ছিল, তারা এবার প্রথমবার এই অবজ্ঞা দেখেছে। পুরনো অপমান নতুন করে রক্তাক্ত করেছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে নতুন প্রশ্নফাঁসের খবর। চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতা বেড়েছে, কিন্তু সুযোগ বাড়েনি। তাই ২০২৪ এ যে আগুন নেভানো হয়েছিল, ২০২৬ এ এসে তা আবার দাউ দাউ করে জ্বলে উঠেছে। এই সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আরেকটি তত্ত্বও ছড়ায়। সরকার এফসিআরএ বিল পাস করতে যাচ্ছে, আর সেই বিল আটকাতেই কিছু এনজিও নাকি যুবকদের উসকাচ্ছে। তবে এই অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ মেলেনি। তাই ২০২৪ এর ক্ষোভ আর ২০২৬ এর বাস্তবতা মিলে এক ভয়ঙ্কর মিশ্রণ তৈরি হয়েছে। অভিজিৎ দীপক আবার সামনে এসে যন্তর মন্তরে জমায়েতের ডাক দেন।
যন্তর মন্তরের চিত্র এবারও একই, কিন্তু মাত্রা বড়। দেশের ১৮টি রাজ্য থেকে তরুণেরা ট্রেনে-বাসে এসে হাজির হয়েছে। সরকার আগের মতোই মেট্রো বন্ধ করেছে, ইন্টারনেট স্লো করেছে। কিন্তু লাভ হয়নি। হিন্দু-মুসলিম-দলিত সবাই এক প্ল্যাকার্ডে লিখেছে ‘চাকরি চাই, সম্মান চাই’। পুলিশ লাঠি চালিয়েছে, মঞ্চ ভেঙেছে। রাতের মধ্যে আবার মঞ্চ তৈরি হয়েছে। তেলাপোকার প্রতীকী শক্তি এখানেই। তাকে মারলে সে মরে না, বরং অন্ধকারে আরও ছড়িয়ে পড়ে। এবারের আন্দোলনে কোনো রাজনৈতিক দলের পতাকা ছিল না। ছিল কেবল মোবাইল, মিম আর অভিমান। তেলাপোকার মতোই তারা প্রমাণ করে, চাপ দিলে এরা মরে না, বরং আরও ছড়ায়।
সরকার এবারও পুরনো কৌশলেই ফিরেছে। প্রথমে কঠোরতা, পরে সংলাপ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাতির উদ্দেশে বলেন, ৯০ দিনের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া পুরোপুরি ডিজিটাল হবে এবং প্রশ্নফাঁস রোধে নতুন টাস্কফোর্স গঠন হবে। জুলাইয়ের মাঝামাঝি ২০২৪ এর আইনে প্রথমবারের মতো বড় গ্রেপ্তারও হয়েছে। কেন্দ্রীয় দুই মন্ত্রী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আন্দোলনকারীরা ১৫ দিনের জন্য কর্মসূচি স্থগিত করেছে, ফলাফল দেখার শর্তে। রক্তপাত হয়নি, এটি স্বস্তির। একটি বড় সংকট সংলাপের মাধ্যমে আপাতত নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এখানেই ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র রাজনৈতিক তাৎপর্য। তারা রাষ্ট্র ভাঙতে চায়নি, তারা চেয়েছে রাষ্ট্র তাদের শুনুক।
ভারতের গণতন্ত্রের বিশেষত্ব এখানেই। ২৮টি রাজ্যের এই দেশে প্রতিদিন কোথাও না কোথাও আন্দোলন হয়। কিন্তু রাষ্ট্রযন্ত্র ভেঙে পড়ে না। কারণ এখানে সেনাবাহিনী ব্যারাকে থাকে, আদালত সরকারের বিরুদ্ধে রায় দেয়, গণমাধ্যম প্রশ্ন করে। তাই ক্ষোভ রাস্তায় আটকে থাকে না, ক্ষোভ জমে বিস্ফোরণ হয় না, প্রতিষ্ঠানের দরজা পর্যন্ত যায়। তেলাপোকা আন্দোলনও সেই দরজা পর্যন্ত গেছে। এটি বিপ্লবের ডাক দেয়নি, এটি দাবি করেছে জবাবদিহিতার।
শেষ কথা হলো, তেলাপোকা টিকে থাকে কারণ সে অভিযোজিত হতে জানে। ভারতের গণতন্ত্রও টিকে আছে কারণ সে চাপকে অস্বীকার করে না, আত্মস্থ করে। যারা একদিন তেলাপোকা বলে ব্যঙ্গ করেছিল, তারা আজ টেবিলে বসে কথা বলতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু এই জয় ততক্ষণই জয়, যতক্ষণ প্রতিশ্রুতি কাগজে না থেকে মাঠে নামে। না হলে ২০২৮ এ আবার নতুন কোনো ক্লিপ ভাইরাল হবে, আবার নতুন তেলাপোকা জন্ম নেবে। রাষ্ট্রের কাজ হলো মানুষকে এতটা কোণঠাসা না করা, যাতে তাকে তেলাপোকা হয়ে বাঁচতে হয়।
(লেখকের নিজস্ব মত)
[লেখক: সাবেক নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক]

আপনার মতামত লিখুন