সংবাদ

পাবনায় এবার বালিশকাণ্ডকেও হার মানালো লুটপাট


প্রতিনিধি, পাবনা
প্রতিনিধি, পাবনা
প্রকাশ: ২ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৩৯ এএম

পাবনায় এবার বালিশকাণ্ডকেও হার মানালো লুটপাট
পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ছবি : সংগৃহীত

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আবাসন প্রকল্পে ‘বালিশকাণ্ড’ ঘটিয়ে দেশজুড়ে বিতর্কিত হয়েছিল পাবনা গণপূর্ত বিভাগ। এবার সেই ঘটনাকেও হার মানিয়েছে পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্পের অনিয়ম। ভবনের কাজ শেষ হওয়ার আগেই অসম্পূর্ণ কাজের বিপরীতে বিল তুলে নেওয়া এবং মূল টেন্ডারের কাজকে পুনরায় ভাগ করে প্রায় ২৭ কোটি ৪৫ লাখ টাকা লোপাটের অভিযোগ উঠেছে।

সূত্র জানায়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১০ তলা ভবন নির্মাণের জন্য ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার একটি দরপত্র আহ্বান করা হয়। কাজ পায় বিতর্কিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সাজিন কনস্ট্রাকশন। ২০২৭ সালে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে ভবনটির কেবল ৯ তলার ছাদ ঢালাই হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, মূল ভবনের কাজ শেষ হওয়ার আগেই গত ২৮ জানুয়ারি ‘অবশিষ্টাংশ কাজ’ (রিমেইনিং ওয়ার্কস) হিসেবে ৬টি নতুন দরপত্র আহ্বান করা হয়। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা (পিপিআর) অনুযায়ী, বড় কোনো প্রজেক্টকে এভাবে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করা অবৈধ। মূলত কেনাকাটা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন এড়াতে এবং স্থানীয় পর্যায়ে কাজগুলো ভাগ-বাটোয়ারা করতে প্রতিটি টেন্ডার ৫ কোটি টাকার নিচে রাখা হয়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, পাবনা গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলীর আহ্বান করা টেন্ডারে (আইডি নং ১২১৭৬৫০) হাসপাতাল ভবনের ‘এ’ ব্লক সংলগ্ন খোলা ছাদে কাচের কাজ নির্মাণের কথা বলা হয়েছে। যার কাজ পেয়েছে টুঙ্গিপাড়ার বাসিন্দা যুবলীগ নেতা ও আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) আমলে নগর গণপূর্ত ঠিকাদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলামের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান এসএ এন্টারপ্রাইজ। ৪ কোটি ৯৬ লাখ ৮৮ হাজার ৯৫৫ টাকার এই কাজের বিল ইতোমধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে। অথচ এ কাজের বাস্তব কোনো অস্তিত্ব নেই। দ্বীন ইসলাম নিজেও স্বীকার করেছেন, তিনি শাহাদাত হোসেনকে তার লাইসেন্স ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন। কিন্তু কাজের অবস্থা কী, তা তিনি জানেন না।

আইডি নং-১২১৭৬১২ নম্বর টেন্ডারে হাসপাতাল ভবন নির্মাণের জন্য ম্যাট ও মোটর-আকৃতির নুড়ি পাথর দিয়ে অতিরিক্ত আরসিসি কাজ এবং ভিত্তি ইটের দেয়াল নির্মাণের জন্য প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ কোটি ৯৮ লাখ ৯ হাজার ৭৯৪ টাকা। এ কাজ পেয়েছে মোখছেদুল আলম নয়নের মালিকানাধীন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স নূর কনস্ট্রাকশন। অথচ কাজ ছাড়াই বিল তুলে নেওয়া হয়েছে। মেসার্স নূর কনস্ট্রাকশন ৪ কোটি ৯৮ লাখ ২০ হাজার ১৫৭ টাকার আরও একটি কাজ পেয়েছে। আইডি নং-১২১৭৬২৭ নম্বর দরপত্রে হাসপাতাল ভবন নির্মাণের জন্য অতিরিক্ত ওভারহেড জলাধার নির্মাণ এবং শাটারিংয়ের অতিরিক্ত উচ্চতা ইত্যাদি কাজের কথা বলা হলেও এটাও মূল দরপত্রের অংশ। শুধু দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেই এর বিল উত্তোলন করা হয়েছে।

আইডি নং-১২১৭৬১৬ নম্বর দরপত্রে হাসপাতাল ভবন নির্মাণের ল্যাবরেটরি, ওটি, আইসিইউ কক্ষে ভিনাইল ফ্লোরিং এবং বিভিন্ন কক্ষে ইপোক্সি পেইন্ট সরবরাহ ও স্থাপনের কথা বলা হয়েছে। ৪ কোটি ৯৭ লাখ ৮ হাজার ৭৬২ টাকার কাজ পেয়েছেন মোহাম্মদ হারুন অর রশিদের মালিকানাধীন বন্ধু কনস্ট্রাকশন। প্রতিষ্ঠানটি ৪ কোটি ৯৭ লাখ ৮৫ হাজার ৬৬২ টাকার আরেকটি কাজ পেয়েছে। আইডি নং-১২১৭৬২০ নম্বর দরপত্রে তারা হাসপাতাল ভবন নির্মাণের ১৫ ইঞ্চি এবং ১২ ইঞ্চি ইটের কাজ পেয়েছে, যা প্রায় ৩০০ কোটি টাকা মূল্যের মূল দরপত্রে অন্তর্ভুক্ত।

এছাড়া আইডি নং-১২১৭৫৯৬ নম্বর দরপত্রে আরসিসি ওয়াল, মার্বেল স্টোন ফ্লোরিং ও ফেসিং স্ট্রিপসহ মসজিদ সংলগ্ন স্ল্যাব, মসজিদ নির্মাণ, টিচিং মর্গ এবং মর্চুয়ারি বিল্ডিং, গেট হাউস এবং সিকিউরিটি পোস্ট, বৈদ্যুতিক সাবস্টেশন এবং পাবলিক টয়লেট, পাম্প হাউস এবং জেনারেটর বিল্ডিংয়ের কথা বলা হলেও এটা মূল দরপত্রের অংশ। এত বড় কাজের জন্য মাত্র ২ কোটি ৪৫ লাখ ৬২ হাজার ১৫১ টাকা ধরা হয়েছে, যা বাস্তবে কোনোভাবেই বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। এই কাজটি পেয়েছে পাবনার শালগরিয়ার মো. ইমামুর রহমানের মালিকানাধীন আইআর ইনফ্রাস্টাকচার। প্রতিষ্ঠানটি আওয়ামী লীগ শাসনামলের শেষদিকে ২০২৩ সালের ২২ জুন প্রথম শ্রেণির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে তালিকাভুক্তির অনুমতি পায়।

এই কাজগুলোর বেশিরভাগই মূল টেন্ডারের অংশ এবং কিছু ভবনের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়ার পর করার কথা। অথচ ‘অবশিষ্ট কাজ’ হিসেবে আহ্বানকৃত টেন্ডারের পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ করেছেন বিতর্কিত সাজিন কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের কর্ণধার শাহাদাত হোসেন। সদ্যসমাপ্ত অর্থবছরে এর পুরো বিল দেওয়া হয়েছে ‘নামসর্বস্ব’ কাজের জন্য। যার বাস্তব কোনো অস্তিত্ব নেই। 

কর্মকর্তাদের নীরবতা

এই লুটপাটের নেপথ্যে পাবনা গণপূর্ত সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাউদুদুর রহমান ও নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাশেদ কবিরের যোগসাজশ রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের পপুলেশন প্রজেক্ট সেলের (পিপিসি) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ কে এম সোহরাওয়ার্দী বলেন, ‘আমি এখানে নতুন যোগ দিয়েছি। বিষয়টি আমার নজরে নেই, তবে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক ডা. আমজাদুল হক জানান, সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ পেলে প্রজেক্ট অফিস থেকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬


পাবনায় এবার বালিশকাণ্ডকেও হার মানালো লুটপাট

প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬

featured Image


রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আবাসন প্রকল্পে ‘বালিশকাণ্ড’ ঘটিয়ে দেশজুড়ে বিতর্কিত হয়েছিল পাবনা গণপূর্ত বিভাগ। এবার সেই ঘটনাকেও হার মানিয়েছে পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্পের অনিয়ম। ভবনের কাজ শেষ হওয়ার আগেই অসম্পূর্ণ কাজের বিপরীতে বিল তুলে নেওয়া এবং মূল টেন্ডারের কাজকে পুনরায় ভাগ করে প্রায় ২৭ কোটি ৪৫ লাখ টাকা লোপাটের অভিযোগ উঠেছে।

সূত্র জানায়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১০ তলা ভবন নির্মাণের জন্য ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার একটি দরপত্র আহ্বান করা হয়। কাজ পায় বিতর্কিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সাজিন কনস্ট্রাকশন। ২০২৭ সালে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে ভবনটির কেবল ৯ তলার ছাদ ঢালাই হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, মূল ভবনের কাজ শেষ হওয়ার আগেই গত ২৮ জানুয়ারি ‘অবশিষ্টাংশ কাজ’ (রিমেইনিং ওয়ার্কস) হিসেবে ৬টি নতুন দরপত্র আহ্বান করা হয়। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা (পিপিআর) অনুযায়ী, বড় কোনো প্রজেক্টকে এভাবে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করা অবৈধ। মূলত কেনাকাটা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন এড়াতে এবং স্থানীয় পর্যায়ে কাজগুলো ভাগ-বাটোয়ারা করতে প্রতিটি টেন্ডার ৫ কোটি টাকার নিচে রাখা হয়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, পাবনা গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলীর আহ্বান করা টেন্ডারে (আইডি নং ১২১৭৬৫০) হাসপাতাল ভবনের ‘এ’ ব্লক সংলগ্ন খোলা ছাদে কাচের কাজ নির্মাণের কথা বলা হয়েছে। যার কাজ পেয়েছে টুঙ্গিপাড়ার বাসিন্দা যুবলীগ নেতা ও আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) আমলে নগর গণপূর্ত ঠিকাদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলামের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান এসএ এন্টারপ্রাইজ। ৪ কোটি ৯৬ লাখ ৮৮ হাজার ৯৫৫ টাকার এই কাজের বিল ইতোমধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে। অথচ এ কাজের বাস্তব কোনো অস্তিত্ব নেই। দ্বীন ইসলাম নিজেও স্বীকার করেছেন, তিনি শাহাদাত হোসেনকে তার লাইসেন্স ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন। কিন্তু কাজের অবস্থা কী, তা তিনি জানেন না।

আইডি নং-১২১৭৬১২ নম্বর টেন্ডারে হাসপাতাল ভবন নির্মাণের জন্য ম্যাট ও মোটর-আকৃতির নুড়ি পাথর দিয়ে অতিরিক্ত আরসিসি কাজ এবং ভিত্তি ইটের দেয়াল নির্মাণের জন্য প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ কোটি ৯৮ লাখ ৯ হাজার ৭৯৪ টাকা। এ কাজ পেয়েছে মোখছেদুল আলম নয়নের মালিকানাধীন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স নূর কনস্ট্রাকশন। অথচ কাজ ছাড়াই বিল তুলে নেওয়া হয়েছে। মেসার্স নূর কনস্ট্রাকশন ৪ কোটি ৯৮ লাখ ২০ হাজার ১৫৭ টাকার আরও একটি কাজ পেয়েছে। আইডি নং-১২১৭৬২৭ নম্বর দরপত্রে হাসপাতাল ভবন নির্মাণের জন্য অতিরিক্ত ওভারহেড জলাধার নির্মাণ এবং শাটারিংয়ের অতিরিক্ত উচ্চতা ইত্যাদি কাজের কথা বলা হলেও এটাও মূল দরপত্রের অংশ। শুধু দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেই এর বিল উত্তোলন করা হয়েছে।

আইডি নং-১২১৭৬১৬ নম্বর দরপত্রে হাসপাতাল ভবন নির্মাণের ল্যাবরেটরি, ওটি, আইসিইউ কক্ষে ভিনাইল ফ্লোরিং এবং বিভিন্ন কক্ষে ইপোক্সি পেইন্ট সরবরাহ ও স্থাপনের কথা বলা হয়েছে। ৪ কোটি ৯৭ লাখ ৮ হাজার ৭৬২ টাকার কাজ পেয়েছেন মোহাম্মদ হারুন অর রশিদের মালিকানাধীন বন্ধু কনস্ট্রাকশন। প্রতিষ্ঠানটি ৪ কোটি ৯৭ লাখ ৮৫ হাজার ৬৬২ টাকার আরেকটি কাজ পেয়েছে। আইডি নং-১২১৭৬২০ নম্বর দরপত্রে তারা হাসপাতাল ভবন নির্মাণের ১৫ ইঞ্চি এবং ১২ ইঞ্চি ইটের কাজ পেয়েছে, যা প্রায় ৩০০ কোটি টাকা মূল্যের মূল দরপত্রে অন্তর্ভুক্ত।

এছাড়া আইডি নং-১২১৭৫৯৬ নম্বর দরপত্রে আরসিসি ওয়াল, মার্বেল স্টোন ফ্লোরিং ও ফেসিং স্ট্রিপসহ মসজিদ সংলগ্ন স্ল্যাব, মসজিদ নির্মাণ, টিচিং মর্গ এবং মর্চুয়ারি বিল্ডিং, গেট হাউস এবং সিকিউরিটি পোস্ট, বৈদ্যুতিক সাবস্টেশন এবং পাবলিক টয়লেট, পাম্প হাউস এবং জেনারেটর বিল্ডিংয়ের কথা বলা হলেও এটা মূল দরপত্রের অংশ। এত বড় কাজের জন্য মাত্র ২ কোটি ৪৫ লাখ ৬২ হাজার ১৫১ টাকা ধরা হয়েছে, যা বাস্তবে কোনোভাবেই বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। এই কাজটি পেয়েছে পাবনার শালগরিয়ার মো. ইমামুর রহমানের মালিকানাধীন আইআর ইনফ্রাস্টাকচার। প্রতিষ্ঠানটি আওয়ামী লীগ শাসনামলের শেষদিকে ২০২৩ সালের ২২ জুন প্রথম শ্রেণির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে তালিকাভুক্তির অনুমতি পায়।

এই কাজগুলোর বেশিরভাগই মূল টেন্ডারের অংশ এবং কিছু ভবনের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়ার পর করার কথা। অথচ ‘অবশিষ্ট কাজ’ হিসেবে আহ্বানকৃত টেন্ডারের পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ করেছেন বিতর্কিত সাজিন কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের কর্ণধার শাহাদাত হোসেন। সদ্যসমাপ্ত অর্থবছরে এর পুরো বিল দেওয়া হয়েছে ‘নামসর্বস্ব’ কাজের জন্য। যার বাস্তব কোনো অস্তিত্ব নেই। 

কর্মকর্তাদের নীরবতা

এই লুটপাটের নেপথ্যে পাবনা গণপূর্ত সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাউদুদুর রহমান ও নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাশেদ কবিরের যোগসাজশ রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের পপুলেশন প্রজেক্ট সেলের (পিপিসি) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ কে এম সোহরাওয়ার্দী বলেন, ‘আমি এখানে নতুন যোগ দিয়েছি। বিষয়টি আমার নজরে নেই, তবে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক ডা. আমজাদুল হক জানান, সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ পেলে প্রজেক্ট অফিস থেকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত