যশোরের শার্শায় পেট্রোল পাম্পের জমি জাল দলিলের মাধ্যমে দখলের চেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় আনোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) যশোরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম এই আদেশ দেন।
আনোয়ার হোসেন শার্শা উপজেলার বসতপুর গ্রামের দুদু মিয়ার ছেলে। তিনি বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে মোট সাতটি মামলা রয়েছে।
মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, শার্শার যাদবপুর গ্রামের গোলাম কিবরিয়া ১৯৯৫ সালে বাগআঁচড়া মৌজায় ১৭ শতক জমি কিনে নামজারি শেষে ‘কিবরিয়া ফিলিং স্টেশন’ স্থাপন করেন। প্রায় ৩০ বছর ধরে তিনি জমিটি ভোগদখল করে আসছিলেন।
গোলাম কিবরিয়ার মৃত্যুর পর ২০২৫ সালের ৪ এপ্রিল আনোয়ার হোসেন ১৯৯৯ সালের একটি দলিল দেখিয়ে দাবি করেন, জমিটি তার কাছে বিক্রি করা হয়েছে। পরবর্তীতে গোলাম কিবরিয়ার মেয়ে তনিমা তাসনুভা রেজিস্ট্রি অফিসে খোঁজ নিয়ে ওই দলিলে দাতা ও গ্রহীতার তথ্যে চরম গরমিল দেখতে পান।
এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে আপস-মীমাংসার চেষ্টা ব্যর্থ হলে ২০২৫ সালের ১৬ এপ্রিল তনিমা তাসনুভা বাদী হয়ে আদালতে দলিল জালিয়াতির মামলা করেন।
ডিবি পুলিশের তদন্তে সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামির বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করেন। পরে আসামি উচ্চ আদালতের নির্দেশে অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে ছিলেন। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) তিনি স্থায়ী জামিনের আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে তাকে হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যশোরের শার্শায় পেট্রোল পাম্পের জমি জাল দলিলের মাধ্যমে দখলের চেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় আনোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) যশোরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম এই আদেশ দেন।
আনোয়ার হোসেন শার্শা উপজেলার বসতপুর গ্রামের দুদু মিয়ার ছেলে। তিনি বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে মোট সাতটি মামলা রয়েছে।
মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, শার্শার যাদবপুর গ্রামের গোলাম কিবরিয়া ১৯৯৫ সালে বাগআঁচড়া মৌজায় ১৭ শতক জমি কিনে নামজারি শেষে ‘কিবরিয়া ফিলিং স্টেশন’ স্থাপন করেন। প্রায় ৩০ বছর ধরে তিনি জমিটি ভোগদখল করে আসছিলেন।
গোলাম কিবরিয়ার মৃত্যুর পর ২০২৫ সালের ৪ এপ্রিল আনোয়ার হোসেন ১৯৯৯ সালের একটি দলিল দেখিয়ে দাবি করেন, জমিটি তার কাছে বিক্রি করা হয়েছে। পরবর্তীতে গোলাম কিবরিয়ার মেয়ে তনিমা তাসনুভা রেজিস্ট্রি অফিসে খোঁজ নিয়ে ওই দলিলে দাতা ও গ্রহীতার তথ্যে চরম গরমিল দেখতে পান।
এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে আপস-মীমাংসার চেষ্টা ব্যর্থ হলে ২০২৫ সালের ১৬ এপ্রিল তনিমা তাসনুভা বাদী হয়ে আদালতে দলিল জালিয়াতির মামলা করেন।
ডিবি পুলিশের তদন্তে সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামির বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করেন। পরে আসামি উচ্চ আদালতের নির্দেশে অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে ছিলেন। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) তিনি স্থায়ী জামিনের আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে তাকে হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আপনার মতামত লিখুন