নেত্রকোণার কেন্দুয়া পৌর সদরের বিভিন্ন মাংসের দোকানে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) পৌর শহরের প্রধান বাজার ও বিভিন্ন এলাকায় এই তদারকিমূলক অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এ সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ইউএলও) ডা. মতিউর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানকালে মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করার দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে আমিনুল ইসলাম নামের এক মাংস ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অন্যদিকে তরকারি মহালের আবুল হাশেমের মাংসের দোকানে অভিযান চালিয়ে পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ছাড়া আরাধন বেপারী নামের আরেক বিক্রেতাকে অভিযানের সময় দোকানে পাওয়া যায়নি। তার বিরুদ্ধে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা চৌধুরী জানান, মাংস বিক্রির ক্ষেত্রে নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, সঠিক মূল্যতালিকা টাঙানো এবং ভোক্তাদের স্বার্থরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। সাধারণ মানুষের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতে উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের বাজার মনিটরিং অব্যাহত থাকবে।
এদিকে সাধারণ ক্রেতারা প্রশাসনের এই ঝটিকা অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে বাজারে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নেত্রকোণার কেন্দুয়া পৌর সদরের বিভিন্ন মাংসের দোকানে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) পৌর শহরের প্রধান বাজার ও বিভিন্ন এলাকায় এই তদারকিমূলক অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এ সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ইউএলও) ডা. মতিউর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানকালে মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করার দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে আমিনুল ইসলাম নামের এক মাংস ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অন্যদিকে তরকারি মহালের আবুল হাশেমের মাংসের দোকানে অভিযান চালিয়ে পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ছাড়া আরাধন বেপারী নামের আরেক বিক্রেতাকে অভিযানের সময় দোকানে পাওয়া যায়নি। তার বিরুদ্ধে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা চৌধুরী জানান, মাংস বিক্রির ক্ষেত্রে নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, সঠিক মূল্যতালিকা টাঙানো এবং ভোক্তাদের স্বার্থরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। সাধারণ মানুষের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতে উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের বাজার মনিটরিং অব্যাহত থাকবে।
এদিকে সাধারণ ক্রেতারা প্রশাসনের এই ঝটিকা অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে বাজারে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন