পেরুর বিখ্যাত নাজকা লাইনস প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকার আকাশে বিধ্বস্ত হয়েছে পর্যটকবাহী একটি ছোট উড়োজাহাজ। ১ আগস্ট (শনিবার) স্থানীয় সময় দুপুর একটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে, যাতে উড়োজাহাজে থাকা ১৩ জনের সবাই প্রাণ হারিয়েছেন বলে স্থানীয় পুলিশ ও পেরুর কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।
সেসনা ক্যারাভান সি-২০৮ মডেলের উড়োজাহাজটি দক্ষিণ পেরুর পিসকো বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে নাজকা লাইনসের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় পুয়েবলো ভিজো এলাকায় বিধ্বস্ত হয়। বিমানটিতে ১১ জন যাত্রী ও দুজন পাইলট ছিলেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আরপিপি রেডিওর তথ্য অনুযায়ী, নিহত যাত্রীদের মধ্যে সাতজন ইতালির, দুজন জার্মানির ও একজন স্পেনের নাগরিক ছিলেন।
দুর্ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ কর্মকর্তা মেজর জর্জ আন্দ্রেদ সাংবাদিকদের জানান, দুর্ঘটনার তীব্রতা এমন ছিল যে কারও বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করা হচ্ছে, আর তখন পর্যন্ত চারটি মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিল।
দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি। পেরুর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং দুর্ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, উড়োজাহাজটির পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান পেরুভিয়ান এয়ারলাইন অ্যারোডিয়ানা জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী তারা তাদের ফ্লাইট শিডিউল পর্যালোচনা করবে।
নাজকা লাইনস ইউনেস্কো স্বীকৃত একটি ঐতিহাসিক স্থান, যেখানে মরুভূমির বালিতে প্রাচীনকালে আঁকা বিভিন্ন পশুপাখির বিশাল আকৃতি রয়েছে। ওপর থেকে এসব ছবি দেখার জন্য পর্যটকেরা প্রায়ই ছোট উড়োজাহাজে ভ্রমণ করেন। নাজকা শহর কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, এই ঐতিহাসিক স্থানের ওপর দিয়ে ওড়ার সময় উড়োজাহাজ দুর্ঘটনার এটিই প্রথম ঘটনা নয়। এর আগে ২০২২ সালে একই এলাকায় একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে সাতজন নিহত হয়েছিলেন, যাদের মধ্যে নেদারল্যান্ডসের তিন নাগরিক ও দুটি শিশু ছিল। এছাড়া ২০১০ সালে অনুরূপ এক দুর্ঘটনায় যুক্তরাজ্যের চার পর্যটকসহ অন্তত ছয়জনের মৃত্যু হয়।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬
পেরুর বিখ্যাত নাজকা লাইনস প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকার আকাশে বিধ্বস্ত হয়েছে পর্যটকবাহী একটি ছোট উড়োজাহাজ। ১ আগস্ট (শনিবার) স্থানীয় সময় দুপুর একটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে, যাতে উড়োজাহাজে থাকা ১৩ জনের সবাই প্রাণ হারিয়েছেন বলে স্থানীয় পুলিশ ও পেরুর কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।
সেসনা ক্যারাভান সি-২০৮ মডেলের উড়োজাহাজটি দক্ষিণ পেরুর পিসকো বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে নাজকা লাইনসের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় পুয়েবলো ভিজো এলাকায় বিধ্বস্ত হয়। বিমানটিতে ১১ জন যাত্রী ও দুজন পাইলট ছিলেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আরপিপি রেডিওর তথ্য অনুযায়ী, নিহত যাত্রীদের মধ্যে সাতজন ইতালির, দুজন জার্মানির ও একজন স্পেনের নাগরিক ছিলেন।
দুর্ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ কর্মকর্তা মেজর জর্জ আন্দ্রেদ সাংবাদিকদের জানান, দুর্ঘটনার তীব্রতা এমন ছিল যে কারও বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করা হচ্ছে, আর তখন পর্যন্ত চারটি মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিল।
দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি। পেরুর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং দুর্ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, উড়োজাহাজটির পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান পেরুভিয়ান এয়ারলাইন অ্যারোডিয়ানা জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী তারা তাদের ফ্লাইট শিডিউল পর্যালোচনা করবে।
নাজকা লাইনস ইউনেস্কো স্বীকৃত একটি ঐতিহাসিক স্থান, যেখানে মরুভূমির বালিতে প্রাচীনকালে আঁকা বিভিন্ন পশুপাখির বিশাল আকৃতি রয়েছে। ওপর থেকে এসব ছবি দেখার জন্য পর্যটকেরা প্রায়ই ছোট উড়োজাহাজে ভ্রমণ করেন। নাজকা শহর কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, এই ঐতিহাসিক স্থানের ওপর দিয়ে ওড়ার সময় উড়োজাহাজ দুর্ঘটনার এটিই প্রথম ঘটনা নয়। এর আগে ২০২২ সালে একই এলাকায় একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে সাতজন নিহত হয়েছিলেন, যাদের মধ্যে নেদারল্যান্ডসের তিন নাগরিক ও দুটি শিশু ছিল। এছাড়া ২০১০ সালে অনুরূপ এক দুর্ঘটনায় যুক্তরাজ্যের চার পর্যটকসহ অন্তত ছয়জনের মৃত্যু হয়।

আপনার মতামত লিখুন