রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলা সদরের জিরো পয়েন্ট এলাকায় যানজট নিরসনে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন। সচেতনতামূলক প্রচার ও নির্ধারিত স্ট্যান্ড নির্মাণের পরও শৃঙ্খলা না ফেরায় রোববার (৯ আগস্ট) থেকে মাঠে নামছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় জিরো পয়েন্টে যানজট কমাতে অটোরিকশা স্ট্যান্ড নির্মাণ করা হয়েছে। চালকদের নির্দেশনা দিতে ১২টি সতর্কতামূলক সাইনবোর্ডও লাগানো হয়েছে। তবে প্রশাসনের এসব নির্দেশনা উপেক্ষা করে অনেক অটোরিকশা, রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা যত্রতত্র দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানামা করাচ্ছে। এতে ব্যস্ততম এই মোড়ে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের নিত্যদিন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, জিরো পয়েন্টে নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড থাকা সত্ত্বেও চালকেরা সড়কের মাঝখানে বা মোড়ের মুখে গাড়ি থামিয়ে রাখছেন। বিশেষ করে বাজারের ব্যস্ত সময়ে এই সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করে।
গঙ্গাচড়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নওফেল বলেন, 'যত্রতত্র গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখার কারণে ক্রেতা ও পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। প্রশাসন স্ট্যান্ড করে দিয়েছে এবং মাইকিং করছে। এখন চালকদের দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন।'
এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার বলেন, ‘জিরো পয়েন্টের যানজট কমাতে আমরা দীর্ঘ সময় ধরে চালকদের সচেতন করছি। মাইকিং করা হচ্ছে। এরপরও যারা নিয়ম মানবেন না, তাদের বিরুদ্ধে রোববার থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। তারা দ্রুত এই অব্যবস্থাপনা দূর করে জিরো পয়েন্টে চলাচলের পরিবেশ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলা সদরের জিরো পয়েন্ট এলাকায় যানজট নিরসনে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন। সচেতনতামূলক প্রচার ও নির্ধারিত স্ট্যান্ড নির্মাণের পরও শৃঙ্খলা না ফেরায় রোববার (৯ আগস্ট) থেকে মাঠে নামছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় জিরো পয়েন্টে যানজট কমাতে অটোরিকশা স্ট্যান্ড নির্মাণ করা হয়েছে। চালকদের নির্দেশনা দিতে ১২টি সতর্কতামূলক সাইনবোর্ডও লাগানো হয়েছে। তবে প্রশাসনের এসব নির্দেশনা উপেক্ষা করে অনেক অটোরিকশা, রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা যত্রতত্র দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানামা করাচ্ছে। এতে ব্যস্ততম এই মোড়ে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের নিত্যদিন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, জিরো পয়েন্টে নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড থাকা সত্ত্বেও চালকেরা সড়কের মাঝখানে বা মোড়ের মুখে গাড়ি থামিয়ে রাখছেন। বিশেষ করে বাজারের ব্যস্ত সময়ে এই সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করে।
গঙ্গাচড়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নওফেল বলেন, 'যত্রতত্র গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখার কারণে ক্রেতা ও পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। প্রশাসন স্ট্যান্ড করে দিয়েছে এবং মাইকিং করছে। এখন চালকদের দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন।'
এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার বলেন, ‘জিরো পয়েন্টের যানজট কমাতে আমরা দীর্ঘ সময় ধরে চালকদের সচেতন করছি। মাইকিং করা হচ্ছে। এরপরও যারা নিয়ম মানবেন না, তাদের বিরুদ্ধে রোববার থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। তারা দ্রুত এই অব্যবস্থাপনা দূর করে জিরো পয়েন্টে চলাচলের পরিবেশ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন