সংবাদ

ভবন জরাজীর্ণ, অন্যের বাড়িতে চলছে কমিউনিটি ক্লিনিক


প্রতিনিধি, রাণীনগর (নওগাঁ)
প্রতিনিধি, রাণীনগর (নওগাঁ)
প্রকাশ: ১১ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৩০ পিএম

ভবন জরাজীর্ণ, অন্যের বাড়িতে চলছে কমিউনিটি ক্লিনিক
ছবি : সংবাদ

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার খাগড়া কমিউনিটি ক্লিনিক ভবনটি দীর্ঘ দিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। ভবনের দেয়ালে বড় বড় ফাটল, পলেস্তারা খসে পড়া আর ইটের গাঁথুনি বেরিয়ে যাওয়ায় এটি এখন ব্যবহারের অনুপযোগী। এমন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় প্রায় দেড় বছর ধরে পার্শ্ববর্তী সিম্বা গ্রামের এক ব্যক্তির ভাড়া বাড়িতে ক্লিনিকটির কার্যক্রম চলছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ক্লিনিক ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল ধরেছে। এক পাশের দেয়াল ভেঙে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। যেকোনো সময় ভবনটি ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকায় ভেতরে আগাছা ও ধ্বংসাবশেষ জমেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, খাগড়া এলাকার মানুষের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার একমাত্র ভরসা ছিল এই ক্লিনিকটি। নিজস্ব ভবন না থাকায় বর্তমানে সেফাত হোসেনের বাড়িতে অস্থায়ীভাবে সেবা দেওয়া হচ্ছে। এতে একদিকে স্বাস্থ্যকর্মীদের স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে প্রয়োজনীয় গোপনীয়তা ও জায়গার অভাবে সেবা নিতে আসা নারী ও শিশুদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। দ্রুত নিজস্ব ভবন পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) কে এইচ এম ইফতেখারুল আলম খান বলেন, ‘উপজেলায় পুনর্নির্মাণযোগ্য সাতটি ক্লিনিকের তালিকায় খাগড়া কমিউনিটি ক্লিনিকটি শীর্ষে রয়েছে। আশা করছি, চলতি অর্থবছরেই এর নির্মাণকাজ শুরু হবে।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬


ভবন জরাজীর্ণ, অন্যের বাড়িতে চলছে কমিউনিটি ক্লিনিক

প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার খাগড়া কমিউনিটি ক্লিনিক ভবনটি দীর্ঘ দিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। ভবনের দেয়ালে বড় বড় ফাটল, পলেস্তারা খসে পড়া আর ইটের গাঁথুনি বেরিয়ে যাওয়ায় এটি এখন ব্যবহারের অনুপযোগী। এমন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় প্রায় দেড় বছর ধরে পার্শ্ববর্তী সিম্বা গ্রামের এক ব্যক্তির ভাড়া বাড়িতে ক্লিনিকটির কার্যক্রম চলছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ক্লিনিক ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল ধরেছে। এক পাশের দেয়াল ভেঙে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। যেকোনো সময় ভবনটি ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকায় ভেতরে আগাছা ও ধ্বংসাবশেষ জমেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, খাগড়া এলাকার মানুষের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার একমাত্র ভরসা ছিল এই ক্লিনিকটি। নিজস্ব ভবন না থাকায় বর্তমানে সেফাত হোসেনের বাড়িতে অস্থায়ীভাবে সেবা দেওয়া হচ্ছে। এতে একদিকে স্বাস্থ্যকর্মীদের স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে প্রয়োজনীয় গোপনীয়তা ও জায়গার অভাবে সেবা নিতে আসা নারী ও শিশুদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। দ্রুত নিজস্ব ভবন পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) কে এইচ এম ইফতেখারুল আলম খান বলেন, ‘উপজেলায় পুনর্নির্মাণযোগ্য সাতটি ক্লিনিকের তালিকায় খাগড়া কমিউনিটি ক্লিনিকটি শীর্ষে রয়েছে। আশা করছি, চলতি অর্থবছরেই এর নির্মাণকাজ শুরু হবে।’


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত