দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে চলতি শতাব্দীর সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। সোমবারের (১০ আগস্ট) এই ভয়াবহ দুর্যোগে অন্তত ১১১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। ধসে পড়া শত শত ভবনের নিচে এখনো বহু মানুষ আটকা পড়ে আছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭.৪। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০৭ কিলোমিটার গভীরে। কলম্বিয়ার ভূতাত্ত্বিক বিভাগ জানিয়েছে, একবিংশ শতাব্দীতে এটিই দেশটির রেকর্ডকৃত সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প।
ভূমিকম্পের ফলে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রধান শহর কালি, পেরেইরা ও আরমেনিয়ায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পেরেইরা শহরে একটি চারতলা ভবন ধসে পড়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। মানিজালেস শহরের ঐতিহাসিক এক গির্জার চূড়া ভেঙে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। কালি শহরে ধসে পড়া পাঁচতলা ভবনের নিচ থেকে এক শিশু ও তার মাকে জীবিত উদ্ধার করেছেন উদ্ধারকারীরা।
দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট আবেলান্দো ডি লা এসপ্রিয়েলা দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক দিনের মাথায় এই বড় সংকটের মুখে পড়লেন। তিনি সারা দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত কুইবদো ও কালি শহর সফর শেষে প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমাদের এখনকার প্রধান লক্ষ্য ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের জীবিত উদ্ধার করা।’
এদিকে, ক্ষয়ক্ষতির সুযোগে লুটপাটের আশঙ্কায় কালি, আরমেনিয়া ও মানিজালেস শহরে সান্ধ্য আইন (কারফিউ) জারি করা হয়েছে। সেনাবাহিনী ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে রাজপথে। ভূমিকম্পের পরপরই পেরেইরা, কুইবদোসহ বেশ কয়েকটি বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, কলম্বিয়া ভূমিকম্পপ্রবণ ‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’-এর ওপর অবস্থিত হওয়ায় সেখানে প্রায়ই কম্পন অনুভূত হয়। তবে এই মাত্রার ভূমিকম্প সচরাচর দেখা যায় না। এর আগে ১৯৯৯ সালে ৬.২ মাত্রার এক ভূমিকম্পে দেশটিতে এক হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।
/

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে চলতি শতাব্দীর সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। সোমবারের (১০ আগস্ট) এই ভয়াবহ দুর্যোগে অন্তত ১১১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। ধসে পড়া শত শত ভবনের নিচে এখনো বহু মানুষ আটকা পড়ে আছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭.৪। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০৭ কিলোমিটার গভীরে। কলম্বিয়ার ভূতাত্ত্বিক বিভাগ জানিয়েছে, একবিংশ শতাব্দীতে এটিই দেশটির রেকর্ডকৃত সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প।
ভূমিকম্পের ফলে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রধান শহর কালি, পেরেইরা ও আরমেনিয়ায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পেরেইরা শহরে একটি চারতলা ভবন ধসে পড়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। মানিজালেস শহরের ঐতিহাসিক এক গির্জার চূড়া ভেঙে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। কালি শহরে ধসে পড়া পাঁচতলা ভবনের নিচ থেকে এক শিশু ও তার মাকে জীবিত উদ্ধার করেছেন উদ্ধারকারীরা।
দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট আবেলান্দো ডি লা এসপ্রিয়েলা দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক দিনের মাথায় এই বড় সংকটের মুখে পড়লেন। তিনি সারা দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত কুইবদো ও কালি শহর সফর শেষে প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমাদের এখনকার প্রধান লক্ষ্য ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের জীবিত উদ্ধার করা।’
এদিকে, ক্ষয়ক্ষতির সুযোগে লুটপাটের আশঙ্কায় কালি, আরমেনিয়া ও মানিজালেস শহরে সান্ধ্য আইন (কারফিউ) জারি করা হয়েছে। সেনাবাহিনী ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে রাজপথে। ভূমিকম্পের পরপরই পেরেইরা, কুইবদোসহ বেশ কয়েকটি বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, কলম্বিয়া ভূমিকম্পপ্রবণ ‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’-এর ওপর অবস্থিত হওয়ায় সেখানে প্রায়ই কম্পন অনুভূত হয়। তবে এই মাত্রার ভূমিকম্প সচরাচর দেখা যায় না। এর আগে ১৯৯৯ সালে ৬.২ মাত্রার এক ভূমিকম্পে দেশটিতে এক হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।
/

আপনার মতামত লিখুন