সংবাদ

১৫ শিক্ষকের ১৩ ছাত্র, দাখিলে পাস করল না কেউ!


প্রতিনিধি, সাপাহার (নওগাঁ)
প্রতিনিধি, সাপাহার (নওগাঁ)
প্রকাশ: ১১ আগস্ট ২০২৬, ০৩:০০ পিএম

১৫ শিক্ষকের ১৩ ছাত্র, দাখিলে পাস করল না কেউ!
ছবি : সংবাদ

নওগাঁর সাপাহার উপজেলার ভাবুক নইমুদ্দিন সরকার দাখিল মাদরাসায় চলতি বছরের দাখিল পরীক্ষায় অভাবনীয় ফল বিপর্যয় ঘটেছে। প্রতিষ্ঠানটিতে ১৫ জন শিক্ষক ও ৫ জন কর্মচারী থাকা সত্ত্বেও ১৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে একজনও পাস করতে পারেনি। এমন ফলাফলে ক্ষুব্ধ স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল।

মাদরাসার সুপার আতাউল্লাহর দাবি, করোনাকালে পরিবারগুলোর অসচ্ছলতা ও সচেতনতার অভাব এই ফলের কারণ। তবে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শামসুল কবীর বিষয়টিকে দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত আখ্যা দিয়ে বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে আনুষ্ঠানিকভাবে সতর্ক করা হবে।

বিপর্যয় কেবল এই একটি প্রতিষ্ঠানেই নয়। সাপাহারের আরও কয়েকটি মাদরাসায় পাসের হার ভয়াবহ। মানিকুড়া, দেওপাড়া শিংপাড়া, রসুলপুর, ইসলামপুর এবং মরাডাঙ্গা ময়নাকুড়ি মাদরাসায় ১৫ থেকে ২৪ জন করে পরীক্ষার্থী থাকলেও পাস করেছে মাত্র একজন করে। উপজেলায় এবার দাখিলে পাসের হার মাত্র ৩৩ দশমিক ৯৭ শতাংশ। ৮৩৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে মাত্র ২৮৩ জন। স্থানীয়দের মতে, তদারকির অভাব ও শিক্ষকদের দায়িত্বহীনতাই এই পরিণতির জন্য দায়ী।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


১৫ শিক্ষকের ১৩ ছাত্র, দাখিলে পাস করল না কেউ!

প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নওগাঁর সাপাহার উপজেলার ভাবুক নইমুদ্দিন সরকার দাখিল মাদরাসায় চলতি বছরের দাখিল পরীক্ষায় অভাবনীয় ফল বিপর্যয় ঘটেছে। প্রতিষ্ঠানটিতে ১৫ জন শিক্ষক ও ৫ জন কর্মচারী থাকা সত্ত্বেও ১৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে একজনও পাস করতে পারেনি। এমন ফলাফলে ক্ষুব্ধ স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল।

মাদরাসার সুপার আতাউল্লাহর দাবি, করোনাকালে পরিবারগুলোর অসচ্ছলতা ও সচেতনতার অভাব এই ফলের কারণ। তবে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শামসুল কবীর বিষয়টিকে দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত আখ্যা দিয়ে বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে আনুষ্ঠানিকভাবে সতর্ক করা হবে।

বিপর্যয় কেবল এই একটি প্রতিষ্ঠানেই নয়। সাপাহারের আরও কয়েকটি মাদরাসায় পাসের হার ভয়াবহ। মানিকুড়া, দেওপাড়া শিংপাড়া, রসুলপুর, ইসলামপুর এবং মরাডাঙ্গা ময়নাকুড়ি মাদরাসায় ১৫ থেকে ২৪ জন করে পরীক্ষার্থী থাকলেও পাস করেছে মাত্র একজন করে। উপজেলায় এবার দাখিলে পাসের হার মাত্র ৩৩ দশমিক ৯৭ শতাংশ। ৮৩৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে মাত্র ২৮৩ জন। স্থানীয়দের মতে, তদারকির অভাব ও শিক্ষকদের দায়িত্বহীনতাই এই পরিণতির জন্য দায়ী।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত