কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় চাঁদপুর জেলায় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন তিন কৃতী শিক্ষার্থী। তারা হলেন রূপকথা সাহা জয়া, নাফিমুল হাসান নিহাল ও মারিয়া মাহজাবিন খান। জেলায় জিপিএ-৫ পাওয়ার পাশাপাশি প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে তারা শীর্ষস্থান অধিকার করেছেন। কঠোর অধ্যবসায় ও শিক্ষকদের সঠিক দিকনির্দেশনাই তাঁদের এই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।
শীর্ষে রূপকথা সাহা জয়া
চাঁদপুর জেলায় সর্বোচ্চ ১ হাজার ২০৯ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছেন মাতৃপীঠ সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী রূপকথা সাহা জয়া। জয়া চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষক জীবন কানাই সাহা ও গৃহিণী রূম্পা রানী সাহার মেয়ে। ভবিষ্যতে চিকিৎসক হয়ে দেশ ও মানুষের সেবা করতে চান তিনি। রূপকথা বলেন, ‘নিয়মিত পড়াশোনা ও শিক্ষকদের পরামর্শ আমাকে এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে।’
প্রকৌশলী হতে চান নিহাল
জেলায় ১ হাজার ২০২ নম্বর পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন আল-আমিন একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র নাফিমুল হাসান নিহাল। তাঁর বাবা মঞ্জুরুল আলম ব্যবসায়ী ও মা নাছিমা বেগম গৃহিণী। তথ্যপ্রযুক্তির যুগে দেশকে আরও এগিয়ে নিতে নিহাল ভবিষ্যতে কম্পিউটার প্রকৌশলী হতে চান।
জ্যোতির্বিজ্ঞানে গবেষক হওয়ার স্বপ্ন মারিয়ার
জেলায় তৃতীয় সর্বোচ্চ ১ হাজার ১৯৯ নম্বর পেয়েছেন আল-আমিন একাডেমি ছাত্রী ক্যাম্পাসের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মারিয়া মাহজাবিন খান। তার বাবা মো. মোশতাক আহমেদ খান ব্যবসায়ী এবং মা শেখ খাদিজা বেগম ফরক্কাবাদ ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক। ছোটবেলা থেকেই মহাকাশ নিয়ে কৌতূহলী মারিয়া ভবিষ্যতে জ্যোতির্বিজ্ঞানে উচ্চশিক্ষা নিয়ে গবেষক হতে চান।
এই তিন শিক্ষার্থীর সাফল্যে আনন্দিত তাদের পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। স্থানীয় সুধীজনরা মনে করেন, মফস্বল শহর থেকেও যে জাতীয় পর্যায়ে সেরা হওয়া সম্ভব, এই মেধাবীরা তা প্রমাণ করেছেন। তাঁদের এই অর্জন জেলার অন্য শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
আপনার মতামত লিখুন