দেশের বিজ্ঞানের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান ‘বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমি’র (বাস) ফেলো ও সহযোগী ফেলো নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) দুই শিক্ষক। তারা হলেন সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ এবং উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কে এম গোলাম দস্তগীর।
একাডেমি সূত্রে জানা গেছে, অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদকে ‘ফেলো’ এবং অধ্যাপক ড. মো. কে এম গোলাম দস্তগীরকে ‘সহযোগী ফেলো’ হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অধ্যাপক গোলাম দস্তগীর। গবেষণাক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এর আগে এই দুই শিক্ষকই বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় স্থান করে নিয়েছিলেন।
অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ মূলত সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা, ভূগর্ভস্থ পানি এবং কৃষিতে পানির ব্যবহার নিয়ে গবেষণা করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যমতে, তার ৯৮টি গবেষণা নিবন্ধ ও ১৮৬টি প্রকাশনা রয়েছে। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব নিউক্যাসল থেকে পিএইচডি করার পর তিনি জাপান ও জার্মানিতে পোস্টডক্টরাল সম্পন্ন করেন। মেধার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি কৃষি বিজ্ঞানে ইউজিসি অ্যাওয়ার্ডসহ একাধিক সম্মাননা পেয়েছেন।
অন্যদিকে, অধ্যাপক ড. মো. কে এম গোলাম দস্তগীরের গবেষণার বিষয় উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব ও প্ল্যান্ট মাইক্রোবায়োম। গুগল স্কলারের তথ্যমতে, তার গবেষণা প্রকাশনাগুলোতে সাইটেশন সংখ্যা প্রায় ১ হাজার ৯০০। অস্ট্রেলিয়া থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করা এই শিক্ষক জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রেও গবেষণা করেছেন। ২০১৩ সালে তিনি প্রধানমন্ত্রীর স্বর্ণপদকসহ দেশি-বিদেশি অসংখ্য পদক ও বৃত্তি লাভ করেন।
বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমির সহযোগী ফেলো নির্বাচিত হয়ে অধ্যাপক ড. কে এম গোলাম দস্তগীর তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, ‘এটি আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের। এই অর্জন শুধু একটি পদক নয়, বরং বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায় বড় একটি দলের সাথে কাজ করার দায়িত্ব। আমি দেশের গবেষণার ধারাকে আরও এগিয়ে নিতে সবার দোয়া ও সহযোগিতা চাই।

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
দেশের বিজ্ঞানের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান ‘বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমি’র (বাস) ফেলো ও সহযোগী ফেলো নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) দুই শিক্ষক। তারা হলেন সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ এবং উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কে এম গোলাম দস্তগীর।
একাডেমি সূত্রে জানা গেছে, অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদকে ‘ফেলো’ এবং অধ্যাপক ড. মো. কে এম গোলাম দস্তগীরকে ‘সহযোগী ফেলো’ হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অধ্যাপক গোলাম দস্তগীর। গবেষণাক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এর আগে এই দুই শিক্ষকই বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় স্থান করে নিয়েছিলেন।
অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ মূলত সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা, ভূগর্ভস্থ পানি এবং কৃষিতে পানির ব্যবহার নিয়ে গবেষণা করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যমতে, তার ৯৮টি গবেষণা নিবন্ধ ও ১৮৬টি প্রকাশনা রয়েছে। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব নিউক্যাসল থেকে পিএইচডি করার পর তিনি জাপান ও জার্মানিতে পোস্টডক্টরাল সম্পন্ন করেন। মেধার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি কৃষি বিজ্ঞানে ইউজিসি অ্যাওয়ার্ডসহ একাধিক সম্মাননা পেয়েছেন।
অন্যদিকে, অধ্যাপক ড. মো. কে এম গোলাম দস্তগীরের গবেষণার বিষয় উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব ও প্ল্যান্ট মাইক্রোবায়োম। গুগল স্কলারের তথ্যমতে, তার গবেষণা প্রকাশনাগুলোতে সাইটেশন সংখ্যা প্রায় ১ হাজার ৯০০। অস্ট্রেলিয়া থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করা এই শিক্ষক জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রেও গবেষণা করেছেন। ২০১৩ সালে তিনি প্রধানমন্ত্রীর স্বর্ণপদকসহ দেশি-বিদেশি অসংখ্য পদক ও বৃত্তি লাভ করেন।
বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমির সহযোগী ফেলো নির্বাচিত হয়ে অধ্যাপক ড. কে এম গোলাম দস্তগীর তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, ‘এটি আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের। এই অর্জন শুধু একটি পদক নয়, বরং বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায় বড় একটি দলের সাথে কাজ করার দায়িত্ব। আমি দেশের গবেষণার ধারাকে আরও এগিয়ে নিতে সবার দোয়া ও সহযোগিতা চাই।

আপনার মতামত লিখুন