জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বক্তব্য দিতে মঞ্চে ওঠার পরপরই সভাকক্ষ ত্যাগ করেন বিভিন্ন দেশের বহু প্রতিনিধি।
একটি সমন্বিত প্রতিবাদের অংশ হিসেবে তাঁরা বের হয়ে গেলে মিলনায়তনের একটি বড় অংশ খালি হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের গণনায় দেখা যায়, অধিবেশনের শুরুতেই ৭৭টি দেশের প্রতিনিধি দল হয় অনুপস্থিত ছিল অথবা কক্ষ ত্যাগ করেছিল। তবে এই ৭৭টির সবকটি দলই যে পূর্বপরিকল্পিত বয়কটে অংশ নিয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
প্রতিনিধিদের এই প্রতিবাদের জবাবে পোডিয়ামে দাঁড়িয়ে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কক্ষ ত্যাগকারীদের "নৈতিক কাপুরুষ" বলে অভিহিত করেন। একই সঙ্গে গাজায় ইসরায়েল গণহত্যা চালাচ্ছে বলে যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা প্রত্যাখ্যান করেন।
বর্তমানে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) ইসরায়েলের বিরুদ্ধে একটি গণহত্যার মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তবে গাজায় গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে আদালত এখনো চূড়ান্ত কোনো রায় প্রদান করেনি।
চলতি বছরের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাটি ইসরায়েল ও গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে কূটনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হওয়া গভীর বিভাজনকে নতুন করে স্পষ্ট করে তুলেছে। সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম দৃশ্যমান এই কূটনৈতিক প্রতিবাদ বিশ্ব রাজনীতিতে বিশেষ আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বক্তব্য দিতে মঞ্চে ওঠার পরপরই সভাকক্ষ ত্যাগ করেন বিভিন্ন দেশের বহু প্রতিনিধি।
একটি সমন্বিত প্রতিবাদের অংশ হিসেবে তাঁরা বের হয়ে গেলে মিলনায়তনের একটি বড় অংশ খালি হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের গণনায় দেখা যায়, অধিবেশনের শুরুতেই ৭৭টি দেশের প্রতিনিধি দল হয় অনুপস্থিত ছিল অথবা কক্ষ ত্যাগ করেছিল। তবে এই ৭৭টির সবকটি দলই যে পূর্বপরিকল্পিত বয়কটে অংশ নিয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
প্রতিনিধিদের এই প্রতিবাদের জবাবে পোডিয়ামে দাঁড়িয়ে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কক্ষ ত্যাগকারীদের "নৈতিক কাপুরুষ" বলে অভিহিত করেন। একই সঙ্গে গাজায় ইসরায়েল গণহত্যা চালাচ্ছে বলে যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা প্রত্যাখ্যান করেন।
বর্তমানে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) ইসরায়েলের বিরুদ্ধে একটি গণহত্যার মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তবে গাজায় গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে আদালত এখনো চূড়ান্ত কোনো রায় প্রদান করেনি।
চলতি বছরের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাটি ইসরায়েল ও গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে কূটনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হওয়া গভীর বিভাজনকে নতুন করে স্পষ্ট করে তুলেছে। সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম দৃশ্যমান এই কূটনৈতিক প্রতিবাদ বিশ্ব রাজনীতিতে বিশেষ আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন