চাঁদপুরের মতলবে লঞ্চ থেকে পড়ে নিখোঁজ হওয়া যাত্রী মো. রবিনের (২৬) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। টানা ২৬ ঘণ্টা ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরি দলের যৌথ উদ্ধার অভিযান শেষে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ষাটনল সংলগ্ন মেঘনা নদী থেকে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রবিন শরীয়তপুরের বাসিন্দা হলেও পরিবার নিয়ে নারায়ণগঞ্জে বসবাস করতেন। তিনি মতলব উত্তর উপজেলার নবীপুর মোল্লা বাড়ির নাসরিন আক্তারকে বিয়ে করেছিলেন। তাদের এক কন্যাসন্তান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে মতলব লঞ্চ ঘাটে নামার পর রবিন তার ফেলে আসা ব্যাগ আনতে পুনরায় লঞ্চে ওঠেন। ব্যাগ নিয়ে নামার মুহূর্তে চালক হঠাৎ পেছনে লঞ্চ চালানো শুরু করলে রবিন ঘাটে লাফ দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং নদীতে পড়ে তলিয়ে যান। স্থানীয়দের অভিযোগ, চালকের চরম অসাবধানতার কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।
ঘটনার পরপরই নৌ-পুলিশ সংশ্লিষ্ট লঞ্চটি জব্দ করে এবং দুই স্টাফকে আটক করে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে নৌ-পুলিশ জানিয়েছে।

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চাঁদপুরের মতলবে লঞ্চ থেকে পড়ে নিখোঁজ হওয়া যাত্রী মো. রবিনের (২৬) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। টানা ২৬ ঘণ্টা ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরি দলের যৌথ উদ্ধার অভিযান শেষে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ষাটনল সংলগ্ন মেঘনা নদী থেকে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রবিন শরীয়তপুরের বাসিন্দা হলেও পরিবার নিয়ে নারায়ণগঞ্জে বসবাস করতেন। তিনি মতলব উত্তর উপজেলার নবীপুর মোল্লা বাড়ির নাসরিন আক্তারকে বিয়ে করেছিলেন। তাদের এক কন্যাসন্তান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে মতলব লঞ্চ ঘাটে নামার পর রবিন তার ফেলে আসা ব্যাগ আনতে পুনরায় লঞ্চে ওঠেন। ব্যাগ নিয়ে নামার মুহূর্তে চালক হঠাৎ পেছনে লঞ্চ চালানো শুরু করলে রবিন ঘাটে লাফ দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং নদীতে পড়ে তলিয়ে যান। স্থানীয়দের অভিযোগ, চালকের চরম অসাবধানতার কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।
ঘটনার পরপরই নৌ-পুলিশ সংশ্লিষ্ট লঞ্চটি জব্দ করে এবং দুই স্টাফকে আটক করে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে নৌ-পুলিশ জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন