আকাশপথ বা 'এয়ারস্পেস' ব্যবহারের অনুমতিসংক্রান্ত জটিলতায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরমাণু জ্বালানির (ইউরেনিয়াম) নির্ধারিত চালান সরবরাহে সাময়িক বিলম্ব ঘটেছে। তবে চলতি বছরের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে মোট সাতটি ফ্লাইটে করে রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের পুরো ইউরেনিয়াম দেশে পৌঁছাবে বলে নিশ্চিত করেছেন প্রকল্প কর্মকর্তারা।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম জানিয়েছে, এয়ারস্পেসের সুনির্দিষ্ট অনুমতি না পাওয়ায় গত ২৪ সেপ্টেম্বর রাশিয়া থেকে জ্বালানিবাহী একটি বিশেষ কার্গো বিমান বাংলাদেশে রওনা হতে পারেনি। ইউরেনিয়াম অত্যন্ত সংবেদনশীল বস্তু হওয়ায় ফ্লাইট চলাচলের রুট বা আকাশসীমা ব্যবহারে কোনো দেশের আপত্তির কারণে এই বিলম্ব ঘটে থাকতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে এই বিলম্বের কারণে প্রকল্পের মূল কাজের অগ্রগতিতে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. কবীর হোসেন। তিনি জানান, প্রথম ইউনিটে ইতোমধ্যে লোড করা ফুয়েল পাঁচ মাস পার হলেও এখনো উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়নি। ফলে নির্ধারিত সময়সূচির আগেই দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুদ রয়েছে।
প্রকল্প সূত্র জানায়, পরবর্তী তিন মাসে পর্যায়ক্রমে আসা ১৬৩টি ফুয়েল অ্যাসেম্বলির চালানে দ্বিতীয় ইউনিটের সম্পূর্ণ জ্বালানির পাশাপাশি প্রথম ইউনিটের 'রিলোড'-এর জন্য প্রয়োজনীয় কিছু অতিরিক্ত ইউরেনিয়ামও আনা হবে। রূপপুর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পরবর্তী ফ্লাইটের সুনির্দিষ্ট সময়সূচি লিখিতভাবে জানানোর জন্য রোসাটমকে অনুরোধ করা হয়েছে।
বিপজ্জনক ও সংবেদনশীল পারমাণবিক উপাদান হওয়ায় বিমানবন্দর থেকে পাবনার রূপপুর প্রকল্প এলাকা পর্যন্ত ইউরেনিয়াম পরিবহনের পূর্ণ নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনী। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সবকটি চালান সফলভাবে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে রোসাটম প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
/

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আকাশপথ বা 'এয়ারস্পেস' ব্যবহারের অনুমতিসংক্রান্ত জটিলতায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরমাণু জ্বালানির (ইউরেনিয়াম) নির্ধারিত চালান সরবরাহে সাময়িক বিলম্ব ঘটেছে। তবে চলতি বছরের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে মোট সাতটি ফ্লাইটে করে রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের পুরো ইউরেনিয়াম দেশে পৌঁছাবে বলে নিশ্চিত করেছেন প্রকল্প কর্মকর্তারা।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম জানিয়েছে, এয়ারস্পেসের সুনির্দিষ্ট অনুমতি না পাওয়ায় গত ২৪ সেপ্টেম্বর রাশিয়া থেকে জ্বালানিবাহী একটি বিশেষ কার্গো বিমান বাংলাদেশে রওনা হতে পারেনি। ইউরেনিয়াম অত্যন্ত সংবেদনশীল বস্তু হওয়ায় ফ্লাইট চলাচলের রুট বা আকাশসীমা ব্যবহারে কোনো দেশের আপত্তির কারণে এই বিলম্ব ঘটে থাকতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে এই বিলম্বের কারণে প্রকল্পের মূল কাজের অগ্রগতিতে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. কবীর হোসেন। তিনি জানান, প্রথম ইউনিটে ইতোমধ্যে লোড করা ফুয়েল পাঁচ মাস পার হলেও এখনো উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়নি। ফলে নির্ধারিত সময়সূচির আগেই দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুদ রয়েছে।
প্রকল্প সূত্র জানায়, পরবর্তী তিন মাসে পর্যায়ক্রমে আসা ১৬৩টি ফুয়েল অ্যাসেম্বলির চালানে দ্বিতীয় ইউনিটের সম্পূর্ণ জ্বালানির পাশাপাশি প্রথম ইউনিটের 'রিলোড'-এর জন্য প্রয়োজনীয় কিছু অতিরিক্ত ইউরেনিয়ামও আনা হবে। রূপপুর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পরবর্তী ফ্লাইটের সুনির্দিষ্ট সময়সূচি লিখিতভাবে জানানোর জন্য রোসাটমকে অনুরোধ করা হয়েছে।
বিপজ্জনক ও সংবেদনশীল পারমাণবিক উপাদান হওয়ায় বিমানবন্দর থেকে পাবনার রূপপুর প্রকল্প এলাকা পর্যন্ত ইউরেনিয়াম পরিবহনের পূর্ণ নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনী। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সবকটি চালান সফলভাবে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে রোসাটম প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
/

আপনার মতামত লিখুন