বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ১৬ বছরের এক নাবালিকাকে অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনায় আদালতের রায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আবু কালামকে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের পাঠানপাড়া গ্রামের মৃত শহীদ মিয়ার ছেলে।
বুধবার (১২ আগস্ট) ভোররাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আসামির নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানা যায় যে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আবু কালাম নিজ বাড়িতেই অবস্থান করছেন। এরপর তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) সুশংকর পালের নির্দেশনায় বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মনিরুজ্জামান সজলের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, মোবাইল ফোনে শিশু সামিয়ার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন আবু কালাম এবং নিজেকে অবিবাহিত পরিচয় দেন। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ২০২৪ সালের ২৪ মে সামিয়াকে অপহরণ করে একাধিকবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন তিনি। মেয়েকে না পেয়ে ২৯ মে তাহিরপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করে তার পরিবার (জিডি নম্বর ১২২৬)। এরপর ২ জুন সামিয়াকে উদ্ধার করে পুলিশ। সব সাক্ষ্যপ্রমাণ যাচাই-বাছাই শেষে আদালত আবু কালামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। তবে তিনি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলে তাহিরপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ জানান, গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ১৬ বছরের এক নাবালিকাকে অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনায় আদালতের রায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আবু কালামকে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের পাঠানপাড়া গ্রামের মৃত শহীদ মিয়ার ছেলে।
বুধবার (১২ আগস্ট) ভোররাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আসামির নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানা যায় যে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আবু কালাম নিজ বাড়িতেই অবস্থান করছেন। এরপর তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) সুশংকর পালের নির্দেশনায় বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মনিরুজ্জামান সজলের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, মোবাইল ফোনে শিশু সামিয়ার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন আবু কালাম এবং নিজেকে অবিবাহিত পরিচয় দেন। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ২০২৪ সালের ২৪ মে সামিয়াকে অপহরণ করে একাধিকবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন তিনি। মেয়েকে না পেয়ে ২৯ মে তাহিরপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করে তার পরিবার (জিডি নম্বর ১২২৬)। এরপর ২ জুন সামিয়াকে উদ্ধার করে পুলিশ। সব সাক্ষ্যপ্রমাণ যাচাই-বাছাই শেষে আদালত আবু কালামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। তবে তিনি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলে তাহিরপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ জানান, গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন