চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানায় দায়ের করা একটি চাঁদাবাজি মামলায় শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনের (২৫) পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার (১২ আগস্ট) চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট লোকমান হাকিমের আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
এর আগে গত ২ আগস্ট অন্য একটি মামলায় একই আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোতাসিম বিল্লাহ ইমনের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।
ডেভিড ইমন ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার মৃত মো. মুসার ছেলে। চট্টগ্রাম জেলা কোর্ট পরিদর্শক হাবিবুর রহমান জানান, হাটহাজারী থানার চাঁদাবাজি মামলায় ইমনের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছিল। আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গত ২৯ জুলাই যশোরের কোতোয়ালি থানার ঝুমঝুমপুর এলাকা থেকে ইমনসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ জানায়, পাহাড়তলী এলাকায় মাকসুদুল হক চৌধুরী হত্যা মামলার তদন্ত করতে গিয়ে এবং ধারাবাহিক গোয়েন্দা অভিযানে ইমনের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফটিকছড়ির কাঞ্চননগর ইউনিয়নের মানিকপুর এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে বিদেশি পিস্তল ও এলজিসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ডেভিড ইমনের বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের ৩০ মার্চ বাকলিয়ার জোড়া খুন এবং ২৩ মে পতেঙ্গা সৈকত এলাকায় ‘ঢাকাইয়া আকবর’ হত্যাসহ অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। একসময় সাধারণ জীবনযাপন করলেও চট্টগ্রামের কুখ্যাত সন্ত্রাসী সাজ্জাদ গ্রুপে যোগ দেওয়ার পর ইমন দুর্ধর্ষ হয়ে ওঠেন। বিদেশি পিস্তল হাতে তার একাধিক ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তিনি আলোচনায় আসেন।
পুলিশের দাবি, সাজ্জাদ গ্রুপের ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ হিসেবে পরিচিত এই সন্ত্রাসী দুবাইয়ে অবস্থান করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও বিত্তশালীদের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করতেন। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তার অনুসারীরা সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বা বাসভবনে গুলিবর্ষণ ও হামলা চালাত।

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানায় দায়ের করা একটি চাঁদাবাজি মামলায় শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনের (২৫) পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার (১২ আগস্ট) চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট লোকমান হাকিমের আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
এর আগে গত ২ আগস্ট অন্য একটি মামলায় একই আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোতাসিম বিল্লাহ ইমনের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।
ডেভিড ইমন ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার মৃত মো. মুসার ছেলে। চট্টগ্রাম জেলা কোর্ট পরিদর্শক হাবিবুর রহমান জানান, হাটহাজারী থানার চাঁদাবাজি মামলায় ইমনের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছিল। আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গত ২৯ জুলাই যশোরের কোতোয়ালি থানার ঝুমঝুমপুর এলাকা থেকে ইমনসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ জানায়, পাহাড়তলী এলাকায় মাকসুদুল হক চৌধুরী হত্যা মামলার তদন্ত করতে গিয়ে এবং ধারাবাহিক গোয়েন্দা অভিযানে ইমনের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফটিকছড়ির কাঞ্চননগর ইউনিয়নের মানিকপুর এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে বিদেশি পিস্তল ও এলজিসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ডেভিড ইমনের বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের ৩০ মার্চ বাকলিয়ার জোড়া খুন এবং ২৩ মে পতেঙ্গা সৈকত এলাকায় ‘ঢাকাইয়া আকবর’ হত্যাসহ অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। একসময় সাধারণ জীবনযাপন করলেও চট্টগ্রামের কুখ্যাত সন্ত্রাসী সাজ্জাদ গ্রুপে যোগ দেওয়ার পর ইমন দুর্ধর্ষ হয়ে ওঠেন। বিদেশি পিস্তল হাতে তার একাধিক ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তিনি আলোচনায় আসেন।
পুলিশের দাবি, সাজ্জাদ গ্রুপের ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ হিসেবে পরিচিত এই সন্ত্রাসী দুবাইয়ে অবস্থান করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও বিত্তশালীদের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করতেন। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তার অনুসারীরা সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বা বাসভবনে গুলিবর্ষণ ও হামলা চালাত।

আপনার মতামত লিখুন