সাতক্ষীরা জেলা কারাগার ভেঙে পালানো দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর তারা পালিয়ে যান।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন শ্যামনগর উপজেলার শ্রীফলকাটি গ্রামের মৃত মোহাম্মদ গাজীর ছেলে মোজাম গাজী এবং নওয়াবেঁকী গ্রামের আবের গাজীর ছেলে রফিকুল ইসলাম গাজী। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাত সাড়ে আটটা ও সাড়ে দশটার দিকে পৃথক অভিযান চালিয়ে শ্যামনগরের ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের শ্রীফলকাটি ও আটুলিয়া ইউনিয়নের নওয়াবেঁকী এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, চেক ডিজঅনার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে মোজাম গাজী সাতক্ষীরা কারাগারে ছিলেন। রফিকুল ইসলামেরও পৃথক এক চেক ডিজঅনার মামলায় ১০ মাসের সাজা ও ৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর কারাগার ভেঙে পালিয়ে যান তারা এবং এরপর শ্যামনগরের নিজ নিজ গ্রামে ফিরে আত্মগোপনে ছিলেন। মঙ্গলবার রাতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাতে দুই পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বুধবার (১২ আগস্ট) তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর সাতক্ষীরা কারাগার ভাঙচুর ও লুটপাট করে পালিয়ে যাওয়া ৮৭ বন্দির বিরুদ্ধে ১৫ আগস্ট মামলা করে কারা কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে ৪৬ জন বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে আটক হলেও বাকি ৪১ জন গত দুই বছর ধরে পলাতক ছিলেন।

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
সাতক্ষীরা জেলা কারাগার ভেঙে পালানো দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর তারা পালিয়ে যান।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন শ্যামনগর উপজেলার শ্রীফলকাটি গ্রামের মৃত মোহাম্মদ গাজীর ছেলে মোজাম গাজী এবং নওয়াবেঁকী গ্রামের আবের গাজীর ছেলে রফিকুল ইসলাম গাজী। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাত সাড়ে আটটা ও সাড়ে দশটার দিকে পৃথক অভিযান চালিয়ে শ্যামনগরের ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের শ্রীফলকাটি ও আটুলিয়া ইউনিয়নের নওয়াবেঁকী এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, চেক ডিজঅনার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে মোজাম গাজী সাতক্ষীরা কারাগারে ছিলেন। রফিকুল ইসলামেরও পৃথক এক চেক ডিজঅনার মামলায় ১০ মাসের সাজা ও ৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর কারাগার ভেঙে পালিয়ে যান তারা এবং এরপর শ্যামনগরের নিজ নিজ গ্রামে ফিরে আত্মগোপনে ছিলেন। মঙ্গলবার রাতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাতে দুই পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বুধবার (১২ আগস্ট) তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর সাতক্ষীরা কারাগার ভাঙচুর ও লুটপাট করে পালিয়ে যাওয়া ৮৭ বন্দির বিরুদ্ধে ১৫ আগস্ট মামলা করে কারা কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে ৪৬ জন বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে আটক হলেও বাকি ৪১ জন গত দুই বছর ধরে পলাতক ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন