সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে নিরাপত্তাকর্মী হত্যার আসামি গ্রেপ্তার বাবার সাহায্যে


প্রতিনিধি, ঠাকুরগাঁও (রংপুর)
প্রতিনিধি, ঠাকুরগাঁও (রংপুর)
প্রকাশ: ১২ আগস্ট ২০২৬, ০২:৩৭ পিএম

ঠাকুরগাঁওয়ে নিরাপত্তাকর্মী হত্যার আসামি গ্রেপ্তার বাবার সাহায্যে
ছবি : সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে টাটা কোম্পানির সার্ভিসিং সেন্টারে নিরাপত্তাকর্মী আবদুর রহমানকে (৫৫) খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার জুয়েল রানা (২৫) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। চুরিতে বাধা দেওয়ায় তিনি আবদুর রহমানকে হত্যা করেছেন বলে পুলিশকে জানিয়েছেন। বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেলে ঠাকুরগাঁওয়ের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাকে তোলা হলে তিনি এই জবানবন্দি দেন।

পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাতে চুরির উদ্দেশ্যে ওই সার্ভিসিং সেন্টারে ঢুকেছিলেন জুয়েল। সেখানে দায়িত্বরত নিরাপত্তাকর্মী আবদুর রহমান তাকে দেখে ফেলেন এবং বাধা দেন। এ সময় জুয়েল সেখানে থাকা ভারী লোহার সরঞ্জাম দিয়ে আবদুর রহমানের মাথায় ও শরীরে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এর আগে মঙ্গলবার গভীর রাতে নিজের ছেলের খুনের কথা জানতে পেরে পুলিশকে খবর দেন জুয়েলের বাবা আবদুল খালেক। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই পুলিশ দ্রুত জুয়েলকে গ্রেপ্তার করে এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা সরঞ্জাম উদ্ধার করে।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান আলী বলেন,'জুয়েল রানা একাই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন। চুরির উদ্দেশ্যেই তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। তবে এই ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ বা অন্য কেউ জড়িত কি না, তা আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।' জবানবন্দি শেষে আদালত জুয়েলকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ছেলের এমন অপরাধে স্তম্ভিত বাবা আবদুল খালেক বলেন, 'ছেলে অন্যায় করেছে, তার বিচার হওয়া উচিত। একজন নিরপরাধ মানুষকে সে মেরে ফেলবে, এটা সহ্য করা যায় না। তাই আমি নিজেই পুলিশকে ডেকে ধরিয়ে দিয়েছি।' 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬


ঠাকুরগাঁওয়ে নিরাপত্তাকর্মী হত্যার আসামি গ্রেপ্তার বাবার সাহায্যে

প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ঠাকুরগাঁওয়ে টাটা কোম্পানির সার্ভিসিং সেন্টারে নিরাপত্তাকর্মী আবদুর রহমানকে (৫৫) খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার জুয়েল রানা (২৫) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। চুরিতে বাধা দেওয়ায় তিনি আবদুর রহমানকে হত্যা করেছেন বলে পুলিশকে জানিয়েছেন। বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেলে ঠাকুরগাঁওয়ের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাকে তোলা হলে তিনি এই জবানবন্দি দেন।

পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাতে চুরির উদ্দেশ্যে ওই সার্ভিসিং সেন্টারে ঢুকেছিলেন জুয়েল। সেখানে দায়িত্বরত নিরাপত্তাকর্মী আবদুর রহমান তাকে দেখে ফেলেন এবং বাধা দেন। এ সময় জুয়েল সেখানে থাকা ভারী লোহার সরঞ্জাম দিয়ে আবদুর রহমানের মাথায় ও শরীরে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এর আগে মঙ্গলবার গভীর রাতে নিজের ছেলের খুনের কথা জানতে পেরে পুলিশকে খবর দেন জুয়েলের বাবা আবদুল খালেক। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই পুলিশ দ্রুত জুয়েলকে গ্রেপ্তার করে এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা সরঞ্জাম উদ্ধার করে।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান আলী বলেন,'জুয়েল রানা একাই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন। চুরির উদ্দেশ্যেই তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। তবে এই ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ বা অন্য কেউ জড়িত কি না, তা আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।' জবানবন্দি শেষে আদালত জুয়েলকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ছেলের এমন অপরাধে স্তম্ভিত বাবা আবদুল খালেক বলেন, 'ছেলে অন্যায় করেছে, তার বিচার হওয়া উচিত। একজন নিরপরাধ মানুষকে সে মেরে ফেলবে, এটা সহ্য করা যায় না। তাই আমি নিজেই পুলিশকে ডেকে ধরিয়ে দিয়েছি।' 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত