সংবাদ

কুষ্টিয়ায় ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন


মিজানুর রহমান লাকী, কুষ্টিয়া
মিজানুর রহমান লাকী, কুষ্টিয়া
প্রকাশ: ১৪ আগস্ট ২০২৬, ১২:১৭ পিএম

কুষ্টিয়ায় ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন
ছবি : সংবাদ

কুষ্টিয়ায় টানা কয়েক দিন ধরে তীব্র গরম ও ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের দ্বৈত সংকটে জনজীবন প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় দিন-রাত বারবার বিদ্যুৎ যাওয়া-আসা করায় বিদ্যুৎনির্ভর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, ছোট কারখানা, দোকানপাট ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চরম বিঘ্ন ঘটছে।

এক ছাপাখানার মালিক বলেন, বিদ্যুৎ বিভ্রাটে চরম লোকসান হচ্ছে; যে পরিমাণ অর্ডার নেওয়া হচ্ছে, তার এক-চতুর্থাংশও ডেলিভারি দেওয়া যাচ্ছে না, অথচ দৈনন্দিন খরচ আগের মতোই বহন করতে হচ্ছে। কয়েকজন ব্যাটারিচালিত রিকশাচালক জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যাটারি পুরোপুরি চার্জ হচ্ছে না, ফলে সারা দিন রিকশা চালিয়ে প্রকৃত আয় করা যাচ্ছে না। এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের বাসায় পড়াশোনাও ব্যাহত হচ্ছে।

গৃহিণী কাসফিয়া কেয়া বলেন, একবার বিদ্যুৎ গেলে অন্তত দুই ঘণ্টা পর আসে; সারা দিনে কয়েকবার গরমে স্ট্রোক হওয়ার উপক্রম হয় এবং দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় পানির সংকটসহ সব ধরনের কাজ ব্যাহত হচ্ছে।

শুধু কুষ্টিয়া নয়, জাতীয় পর্যায়েও সম্প্রতি বিদ্যুৎ ঘাটতি বেড়েছে বলে স্বীকার করেছেন ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ওজোপাডিকো) কর্মকর্তারা। কুষ্টিয়া অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশলী আমজাদ হোসেন বলেন, শহরে বিদ্যুতের চাহিদা ৭২-৭৫ মেগাওয়াট হলেও গত সপ্তাহ ধরে মাত্র ৩০-৪০ মেগাওয়াট পাওয়া যাচ্ছিল। ফলে গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ৬-৭ ঘণ্টা, কখনো ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং করতে হয়েছে। জাতীয় গ্রিড থেকে যতটুকু বরাদ্দ মেলে, সেই অনুযায়ীই ব্যবস্থাপনা করতে হয় বলে জানান তিনি; উৎপাদন বাড়লে লোডশেডিং কমবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬


কুষ্টিয়ায় ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন

প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

কুষ্টিয়ায় টানা কয়েক দিন ধরে তীব্র গরম ও ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের দ্বৈত সংকটে জনজীবন প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় দিন-রাত বারবার বিদ্যুৎ যাওয়া-আসা করায় বিদ্যুৎনির্ভর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, ছোট কারখানা, দোকানপাট ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চরম বিঘ্ন ঘটছে।

এক ছাপাখানার মালিক বলেন, বিদ্যুৎ বিভ্রাটে চরম লোকসান হচ্ছে; যে পরিমাণ অর্ডার নেওয়া হচ্ছে, তার এক-চতুর্থাংশও ডেলিভারি দেওয়া যাচ্ছে না, অথচ দৈনন্দিন খরচ আগের মতোই বহন করতে হচ্ছে। কয়েকজন ব্যাটারিচালিত রিকশাচালক জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যাটারি পুরোপুরি চার্জ হচ্ছে না, ফলে সারা দিন রিকশা চালিয়ে প্রকৃত আয় করা যাচ্ছে না। এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের বাসায় পড়াশোনাও ব্যাহত হচ্ছে।

গৃহিণী কাসফিয়া কেয়া বলেন, একবার বিদ্যুৎ গেলে অন্তত দুই ঘণ্টা পর আসে; সারা দিনে কয়েকবার গরমে স্ট্রোক হওয়ার উপক্রম হয় এবং দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় পানির সংকটসহ সব ধরনের কাজ ব্যাহত হচ্ছে।

শুধু কুষ্টিয়া নয়, জাতীয় পর্যায়েও সম্প্রতি বিদ্যুৎ ঘাটতি বেড়েছে বলে স্বীকার করেছেন ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ওজোপাডিকো) কর্মকর্তারা। কুষ্টিয়া অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশলী আমজাদ হোসেন বলেন, শহরে বিদ্যুতের চাহিদা ৭২-৭৫ মেগাওয়াট হলেও গত সপ্তাহ ধরে মাত্র ৩০-৪০ মেগাওয়াট পাওয়া যাচ্ছিল। ফলে গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ৬-৭ ঘণ্টা, কখনো ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং করতে হয়েছে। জাতীয় গ্রিড থেকে যতটুকু বরাদ্দ মেলে, সেই অনুযায়ীই ব্যবস্থাপনা করতে হয় বলে জানান তিনি; উৎপাদন বাড়লে লোডশেডিং কমবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত