সংবাদ

সাইবার সুরক্ষা আইন: সাংবাদিকদের ওপর অপপ্রয়োগ চায় না সরকার


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৫ পিএম

সাইবার সুরক্ষা আইন: সাংবাদিকদের ওপর অপপ্রয়োগ চায় না সরকার

​চূড়ান্ত হওয়ার অপেক্ষায় থাকা ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর অপপ্রয়োগ যেন সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে না ঘটে, সে বিষয়ে সরকারের স্পষ্ট অবস্থান ব্যক্ত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

একইসঙ্গে এই আইনের আওতায় কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ কিংবা তাকে গ্রেপ্তারের আগে আদালতের পূর্বানুমতি নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
​আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া নিয়ে গণমাধ্যমের শীর্ষ ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিস্তারিত তুলে ধরেন।
​সংশোধনী প্রক্রিয়ার গতিধারা ব্যাখ্যা করে সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্টের সংশোধনের জন্য তৈরি করা খসড়া বিলটি ইতিপূর্বে মন্ত্রিসভায় আলোচনা করা হয়েছে। মন্ত্রিসভার সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই সাইবার স্পেসে কর্মরত ব্যক্তি, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট সকল স্টেকহোল্ডারদের সাথে ধারাবাহিকভাবে আলোচনা চালানো হচ্ছে। আইনটি যাতে কোনোভাবেই নিপীড়নমূলক হাতিয়ারে পরিণত না হতে পারে, সেজন্য সমাজের সর্বস্তরের মতামত নেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। খসড়া বিলটি ওয়েবসাইটে প্রকাশের পর দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, মানবাধিকার সংগঠন ও শিক্ষকসমাজ তাদের মতামত পাঠিয়েছেন, যা ইতিমধ্যে সংকলন করা হয়েছে।
​সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়টি জোর দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশের প্রধান প্রধান প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধি, বিশিষ্ট সম্পাদক, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, আন্তর্জাতিক সংবাদপত্র সংস্থা এবং সাংবাদিক সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে এই দফায় এটি ছিল তাদের দ্বিতীয় বৈঠক।
সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করে তিনি বলেন, "আমরা মিডিয়াকে টার্গেট করে এই আইনটা করতে চাইনি, চাই না এবং কোনো সাংবাদিক এটার শিকার হোক, এই আইন অপপ্রয়োগ হোক, সেটা আমরা চাই না।"
​সাংবাদিকদের সুরক্ষা দিতে আইনি বিধানের প্রস্তাব সম্পর্কে তিনি জানান, গণমাধ্যম যেন কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও মিডিয়া প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে আরও মতামত সংগ্রহের প্রস্তাব এসেছে। আইনে 'সেভিং ক্লজ' বা সুরক্ষামূলক ধারা রাখার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।
সাংবাদিকদের অন্যায় হয়রানি থেকে বাঁচাতে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, "তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার আগে, গ্রেফতারের আগে আদালতের অনুমতি নিতে হবে। বিষয়টি উপযুক্ত মনে হয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে যে সুপারিশগুলো আসবে, সেগুলোর মধ্যে এটি অন্তর্ভুক্ত করা হবে।"
এছাড়া আপিল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণের তাগিদ দেওয়া হয়েছে, যাতে কোনো ব্যক্তি অনির্দিষ্টকালের জন্য আইনি অনিশ্চয়তায় না থাকেন।
​আইন প্রণয়নের পরবর্তী ধাপসমূহ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সংগৃহীত সব সুপারিশ সমন্বয়ের উদ্দেশ্যে পিআইও-কে ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় যৌথভাবে এই কাজটিতে সমন্বয় করবে। প্রক্রিয়াটিতে সম্পাদক পরিষদ, ইলেকট্রনিক মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি এবং সাইবার বিশেষজ্ঞদের একটি প্যানেল অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
তিনি আশা ব্যক্ত করেন, আগামী ৭ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে এসব গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ চূড়ান্তভাবে পাওয়া যাবে এবং ১৫ দিন পর আনুষ্ঠানিকভাবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কমিটির সদস্যরা বসে সিদ্ধান্ত নেবেন।
​তিনি আরও জানান, আন্তঃমন্ত্রণালয় পর্যালোচনার পর প্রস্তাবিত খসড়াটি মন্ত্রিসভায় পাঠানোর আগে পুনরায় ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে, যাতে সাধারণ মানুষ আবারও তাদের মতামত দেওয়ার সুযোগ পান। গ্রহণযোগ্য মতামতগুলো চূড়ান্ত খসড়ায় যুক্ত করা হবে। এরপর বিধি অনুযায়ী আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। মন্ত্রিসভা সায় দিলে তা বিল আকারে জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত হবে।
সংসদে বিলটি উপস্থাপনের পর কোনো তাড়াহুড়ো করে পাস করা হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংসদীয় আলোচনা ছাড়াও সংসদের বাইরে বিভিন্ন সেমিনার ও সিম্পোজিয়ামের মাধ্যমে মতামত সংগ্রহের সুযোগ উন্মুক্ত থাকবে।
​আইনের মূল লক্ষ্য ও প্রয়োজনীয়তা পুনর্ব্যক্ত করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, "সবকিছু মিলিয়ে আমরা এমন একটা আইন করতে চাই, যে আইনের মাধ্যমে আমরা সমাজের সর্বস্তরের লোকজনকে রক্ষা করতে পারবো, বিশেষ করে আমাদের যুবসমাজকে আমরা রক্ষা করতে পারবো।"
সাইবার জগতের নানা অপব্যবহারের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, অনলাইন মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ এবং বিভ্রান্তিকর কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে কার্যকর রূপরেখা প্রয়োজন। সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারিবারিক বন্ধন এবং দেশীয় সংস্কৃতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে আন্তর্জাতিক মানের একটি আধুনিক আইন প্রণয়নই সরকারের মূল উদ্দেশ্য।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


সাইবার সুরক্ষা আইন: সাংবাদিকদের ওপর অপপ্রয়োগ চায় না সরকার

প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

​চূড়ান্ত হওয়ার অপেক্ষায় থাকা ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর অপপ্রয়োগ যেন সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে না ঘটে, সে বিষয়ে সরকারের স্পষ্ট অবস্থান ব্যক্ত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

একইসঙ্গে এই আইনের আওতায় কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ কিংবা তাকে গ্রেপ্তারের আগে আদালতের পূর্বানুমতি নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
​আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া নিয়ে গণমাধ্যমের শীর্ষ ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিস্তারিত তুলে ধরেন।
​সংশোধনী প্রক্রিয়ার গতিধারা ব্যাখ্যা করে সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্টের সংশোধনের জন্য তৈরি করা খসড়া বিলটি ইতিপূর্বে মন্ত্রিসভায় আলোচনা করা হয়েছে। মন্ত্রিসভার সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই সাইবার স্পেসে কর্মরত ব্যক্তি, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট সকল স্টেকহোল্ডারদের সাথে ধারাবাহিকভাবে আলোচনা চালানো হচ্ছে। আইনটি যাতে কোনোভাবেই নিপীড়নমূলক হাতিয়ারে পরিণত না হতে পারে, সেজন্য সমাজের সর্বস্তরের মতামত নেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। খসড়া বিলটি ওয়েবসাইটে প্রকাশের পর দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, মানবাধিকার সংগঠন ও শিক্ষকসমাজ তাদের মতামত পাঠিয়েছেন, যা ইতিমধ্যে সংকলন করা হয়েছে।
​সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়টি জোর দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশের প্রধান প্রধান প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধি, বিশিষ্ট সম্পাদক, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, আন্তর্জাতিক সংবাদপত্র সংস্থা এবং সাংবাদিক সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে এই দফায় এটি ছিল তাদের দ্বিতীয় বৈঠক।
সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করে তিনি বলেন, "আমরা মিডিয়াকে টার্গেট করে এই আইনটা করতে চাইনি, চাই না এবং কোনো সাংবাদিক এটার শিকার হোক, এই আইন অপপ্রয়োগ হোক, সেটা আমরা চাই না।"
​সাংবাদিকদের সুরক্ষা দিতে আইনি বিধানের প্রস্তাব সম্পর্কে তিনি জানান, গণমাধ্যম যেন কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও মিডিয়া প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে আরও মতামত সংগ্রহের প্রস্তাব এসেছে। আইনে 'সেভিং ক্লজ' বা সুরক্ষামূলক ধারা রাখার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।
সাংবাদিকদের অন্যায় হয়রানি থেকে বাঁচাতে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, "তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার আগে, গ্রেফতারের আগে আদালতের অনুমতি নিতে হবে। বিষয়টি উপযুক্ত মনে হয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে যে সুপারিশগুলো আসবে, সেগুলোর মধ্যে এটি অন্তর্ভুক্ত করা হবে।"
এছাড়া আপিল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণের তাগিদ দেওয়া হয়েছে, যাতে কোনো ব্যক্তি অনির্দিষ্টকালের জন্য আইনি অনিশ্চয়তায় না থাকেন।
​আইন প্রণয়নের পরবর্তী ধাপসমূহ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সংগৃহীত সব সুপারিশ সমন্বয়ের উদ্দেশ্যে পিআইও-কে ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় যৌথভাবে এই কাজটিতে সমন্বয় করবে। প্রক্রিয়াটিতে সম্পাদক পরিষদ, ইলেকট্রনিক মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি এবং সাইবার বিশেষজ্ঞদের একটি প্যানেল অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
তিনি আশা ব্যক্ত করেন, আগামী ৭ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে এসব গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ চূড়ান্তভাবে পাওয়া যাবে এবং ১৫ দিন পর আনুষ্ঠানিকভাবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কমিটির সদস্যরা বসে সিদ্ধান্ত নেবেন।
​তিনি আরও জানান, আন্তঃমন্ত্রণালয় পর্যালোচনার পর প্রস্তাবিত খসড়াটি মন্ত্রিসভায় পাঠানোর আগে পুনরায় ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে, যাতে সাধারণ মানুষ আবারও তাদের মতামত দেওয়ার সুযোগ পান। গ্রহণযোগ্য মতামতগুলো চূড়ান্ত খসড়ায় যুক্ত করা হবে। এরপর বিধি অনুযায়ী আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। মন্ত্রিসভা সায় দিলে তা বিল আকারে জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত হবে।
সংসদে বিলটি উপস্থাপনের পর কোনো তাড়াহুড়ো করে পাস করা হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংসদীয় আলোচনা ছাড়াও সংসদের বাইরে বিভিন্ন সেমিনার ও সিম্পোজিয়ামের মাধ্যমে মতামত সংগ্রহের সুযোগ উন্মুক্ত থাকবে।
​আইনের মূল লক্ষ্য ও প্রয়োজনীয়তা পুনর্ব্যক্ত করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, "সবকিছু মিলিয়ে আমরা এমন একটা আইন করতে চাই, যে আইনের মাধ্যমে আমরা সমাজের সর্বস্তরের লোকজনকে রক্ষা করতে পারবো, বিশেষ করে আমাদের যুবসমাজকে আমরা রক্ষা করতে পারবো।"
সাইবার জগতের নানা অপব্যবহারের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, অনলাইন মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ এবং বিভ্রান্তিকর কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে কার্যকর রূপরেখা প্রয়োজন। সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারিবারিক বন্ধন এবং দেশীয় সংস্কৃতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে আন্তর্জাতিক মানের একটি আধুনিক আইন প্রণয়নই সরকারের মূল উদ্দেশ্য।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত