ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলা পুলিশ ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অধিকতর তদন্তে মিথ্যা প্রমাণ হওয়ায় মামলার বাদী মোছা. লাবলী আক্তারকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। অন্যদিকে মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত মো. সাদ্দাম হোসেনকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ঠাকুরগাঁও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা দায়রা জজ মো. আব্দুল হামিদ বাদী লাবলী আক্তারের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার উত্তর পাড়িয়া গ্রামের মোছা. লাবলী আক্তার (২৮) একই এলাকার মো. সাদ্দাম হোসেনের (৩২) বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। অভিযোগে লাবলী দাবি করেছিলেন, গত বছরের ১৪ মার্চ একটি ভুট্টাখেতে তাকে একা পেয়ে সাদ্দাম জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।
মামলাটি তদন্ত শেষে বালিয়াডাঙ্গী থানা-পুলিশ অভিযোগটি মিথ্যা উল্লেখ করে প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, পূর্বশত্রুতার জেরে সাদ্দামকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে ধর্ষণের নাটক সাজিয়ে মামলাটি করা হয়েছিল। তবে পুলিশের প্রতিবেদনে অসন্তোষ প্রকাশ করে আদালতে নারাজি আবেদন করেন বাদী। পরে ট্রাইব্যুনাল মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পিবিআই ঠাকুরগাঁওকে নির্দেশ দেন।
পিবিআইয়ের অধিকতর তদন্তেও বাদীর আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ বানোয়াট ও বানোয়াট বলে প্রমাণিত হয়। তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ট্রাইব্যুনাল সাদ্দাম হোসেনকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। একই সঙ্গে মিথ্যা মামলা করার অভিযোগে লাবলী আক্তারের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৭(১) ধারায় অপরাধ আমলে নিয়ে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
আজ লাবলী আক্তার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠান।
ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগে প্রকৃত ভুক্তভোগীরা যাতে ন্যায়বিচার পান, ঠিক তেমনি মিথ্যা মামলায় কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন—সে বিষয়ে আইনি ব্যবস্থার এই দৃষ্টান্তমূলক প্রয়োগ গুরুত্বপূণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টেরা।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলা পুলিশ ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অধিকতর তদন্তে মিথ্যা প্রমাণ হওয়ায় মামলার বাদী মোছা. লাবলী আক্তারকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। অন্যদিকে মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত মো. সাদ্দাম হোসেনকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ঠাকুরগাঁও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা দায়রা জজ মো. আব্দুল হামিদ বাদী লাবলী আক্তারের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার উত্তর পাড়িয়া গ্রামের মোছা. লাবলী আক্তার (২৮) একই এলাকার মো. সাদ্দাম হোসেনের (৩২) বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। অভিযোগে লাবলী দাবি করেছিলেন, গত বছরের ১৪ মার্চ একটি ভুট্টাখেতে তাকে একা পেয়ে সাদ্দাম জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।
মামলাটি তদন্ত শেষে বালিয়াডাঙ্গী থানা-পুলিশ অভিযোগটি মিথ্যা উল্লেখ করে প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, পূর্বশত্রুতার জেরে সাদ্দামকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে ধর্ষণের নাটক সাজিয়ে মামলাটি করা হয়েছিল। তবে পুলিশের প্রতিবেদনে অসন্তোষ প্রকাশ করে আদালতে নারাজি আবেদন করেন বাদী। পরে ট্রাইব্যুনাল মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পিবিআই ঠাকুরগাঁওকে নির্দেশ দেন।
পিবিআইয়ের অধিকতর তদন্তেও বাদীর আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ বানোয়াট ও বানোয়াট বলে প্রমাণিত হয়। তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ট্রাইব্যুনাল সাদ্দাম হোসেনকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। একই সঙ্গে মিথ্যা মামলা করার অভিযোগে লাবলী আক্তারের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৭(১) ধারায় অপরাধ আমলে নিয়ে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
আজ লাবলী আক্তার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠান।
ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগে প্রকৃত ভুক্তভোগীরা যাতে ন্যায়বিচার পান, ঠিক তেমনি মিথ্যা মামলায় কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন—সে বিষয়ে আইনি ব্যবস্থার এই দৃষ্টান্তমূলক প্রয়োগ গুরুত্বপূণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টেরা।

আপনার মতামত লিখুন