ডারউইন টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে শক্ত অবস্থানে থেকে মাঠ ছেড়েছে বাংলাদেশ। তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্তর জোড়া ব্যাটিং তাণ্ডবে গড়া শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে শেষ বিকেলে মেহেদী হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদের দায়িত্বশীল প্রতিরোধে চালকের আসনে টাইগাররা। ৩ উইকেটে ২৯৭ রান থেকে হঠাৎ ধস নেমে ৩০৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল বাংলাদেশ।
মাত্র ১১ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে দল যখন ঘোর বিপদে, ঠিক তখনই ত্রাতা হয়ে আবির্ভূত হন লোয়ার অর্ডারের এই দুই ব্যাটার। ২৪.৩ ওভারের এক হার না মানা লড়াইয়ে ৪৩ রান যোগ করে দিন শেষ করেছেন তারা। মিরাজ ৩২ ও হাসান ১৩ রানে অপরাজিত আছেন। দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৩৫১ রান, যেখানে লিড দাঁড়িয়েছে ১৫৩ রানে।
এর আগে ১ উইকেটে ৯৬ রান নিয়ে দিন শুরু করে বাংলাদেশ। ওপেনার তানজিদ তামিম ও মুমিনুল হক দারুণভাবে কাটিয়ে দেন প্রথম ঘণ্টার আতঙ্ক। ১০৩ রানের এই জুটি গড়ার পথে মুমিনুল ৪৯ রান করে জশ হ্যাজেলউডের শিকার হয়ে হাফসেঞ্চুরির আক্ষেপে পোড়েন। তবে ভুল করেননি দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামা তামিম।
নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে ৯৩ রানের জুটি গড়ে ক্যারিয়ারের অনবদ্য সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। ১৯৯ বল খেলে ১০১ রান করে তামিম লংঅফে ক্যাচ দিলে ভাঙে এই জুটি। অধিনায়ক শান্তও ছিলেন শতকের দ্বারপ্রান্তে, কিন্তু হ্যাজেলউডের বলে স্লিপে ক্যাচ দেওয়ার আগে ১২৬ বলে ৮৪ রানের চমৎকার এক ইনিংস খেলেন তিনি।
শান্তর বিদায়ের পরপরই আকস্মিক বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। মিচেল স্টার্কের বলে লিটন দাস শূন্য রানে এবং পরের ওভারে প্যাট কামিন্সের বলে ৩৬ রান করা মুশফিকুর রহিম একইভাবে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন।
ব্যাকফুটে চলে যাওয়া দলকে সেখান থেকে টেনে তোলেন মিরাজ ও নাইটওয়াচম্যান হাসান মাহমুদ। মিরাজ ৭৩ বল সামলে ৩২ রানে ও হাসান ৭৬ বলে ১৩ রানে দিন শেষ করায় তৃতীয় দিনে আরও বড় লিডের স্বপ্ন বুনছে বাংলাদেশ।

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
ডারউইন টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে শক্ত অবস্থানে থেকে মাঠ ছেড়েছে বাংলাদেশ। তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্তর জোড়া ব্যাটিং তাণ্ডবে গড়া শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে শেষ বিকেলে মেহেদী হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদের দায়িত্বশীল প্রতিরোধে চালকের আসনে টাইগাররা। ৩ উইকেটে ২৯৭ রান থেকে হঠাৎ ধস নেমে ৩০৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল বাংলাদেশ।
মাত্র ১১ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে দল যখন ঘোর বিপদে, ঠিক তখনই ত্রাতা হয়ে আবির্ভূত হন লোয়ার অর্ডারের এই দুই ব্যাটার। ২৪.৩ ওভারের এক হার না মানা লড়াইয়ে ৪৩ রান যোগ করে দিন শেষ করেছেন তারা। মিরাজ ৩২ ও হাসান ১৩ রানে অপরাজিত আছেন। দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৩৫১ রান, যেখানে লিড দাঁড়িয়েছে ১৫৩ রানে।
এর আগে ১ উইকেটে ৯৬ রান নিয়ে দিন শুরু করে বাংলাদেশ। ওপেনার তানজিদ তামিম ও মুমিনুল হক দারুণভাবে কাটিয়ে দেন প্রথম ঘণ্টার আতঙ্ক। ১০৩ রানের এই জুটি গড়ার পথে মুমিনুল ৪৯ রান করে জশ হ্যাজেলউডের শিকার হয়ে হাফসেঞ্চুরির আক্ষেপে পোড়েন। তবে ভুল করেননি দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামা তামিম।
নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে ৯৩ রানের জুটি গড়ে ক্যারিয়ারের অনবদ্য সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। ১৯৯ বল খেলে ১০১ রান করে তামিম লংঅফে ক্যাচ দিলে ভাঙে এই জুটি। অধিনায়ক শান্তও ছিলেন শতকের দ্বারপ্রান্তে, কিন্তু হ্যাজেলউডের বলে স্লিপে ক্যাচ দেওয়ার আগে ১২৬ বলে ৮৪ রানের চমৎকার এক ইনিংস খেলেন তিনি।
শান্তর বিদায়ের পরপরই আকস্মিক বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। মিচেল স্টার্কের বলে লিটন দাস শূন্য রানে এবং পরের ওভারে প্যাট কামিন্সের বলে ৩৬ রান করা মুশফিকুর রহিম একইভাবে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন।
ব্যাকফুটে চলে যাওয়া দলকে সেখান থেকে টেনে তোলেন মিরাজ ও নাইটওয়াচম্যান হাসান মাহমুদ। মিরাজ ৭৩ বল সামলে ৩২ রানে ও হাসান ৭৬ বলে ১৩ রানে দিন শেষ করায় তৃতীয় দিনে আরও বড় লিডের স্বপ্ন বুনছে বাংলাদেশ।

আপনার মতামত লিখুন