একসময় তার দরাজ কণ্ঠের জারিগানে মুখরিত হতো হাজারো মানুষের আসর। বিষাদ-সিন্ধুর করুণ সুর আর মরমী গানে রাতভর মুগ্ধ হয়ে থাকতেন শ্রোতারা। গুণী এই শিল্পী তার কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পেয়েছেন জেলা শিল্পকলা পদকসহ অসংখ্য সম্মাননা। তবে দীর্ঘ এক যুগের অসুস্থতা আর দারিদ্র্য আজ তাকে ঠেলে দিয়েছে এক অন্ধকার কোণে। নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার প্রবীণ সেই জারিগানের শিল্পী আব্দুল হেলিম বয়াতি এখন এক ভাঙাচোরা ঝুপড়ি ঘরে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন।

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
একসময় তার দরাজ কণ্ঠের জারিগানে মুখরিত হতো হাজারো মানুষের আসর। বিষাদ-সিন্ধুর করুণ সুর আর মরমী গানে রাতভর মুগ্ধ হয়ে থাকতেন শ্রোতারা। গুণী এই শিল্পী তার কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পেয়েছেন জেলা শিল্পকলা পদকসহ অসংখ্য সম্মাননা। তবে দীর্ঘ এক যুগের অসুস্থতা আর দারিদ্র্য আজ তাকে ঠেলে দিয়েছে এক অন্ধকার কোণে। নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার প্রবীণ সেই জারিগানের শিল্পী আব্দুল হেলিম বয়াতি এখন এক ভাঙাচোরা ঝুপড়ি ঘরে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন।

আপনার মতামত লিখুন