চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে একটি জাহাজ ভাঙার কাজ চলাকালে বিষাক্ত গ্যাসে আট শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে উপজেলার ভাটিয়ারী এলাকায় ফেরদৌস স্টিল নামে একটি জাহাজভাঙা কারখানায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিসের ধারণা, জাহাজ কাটার সময় সেখানে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে। সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলমগীর জানান, এ ঘটনায় মোট আটজন মারা গেছেন। বর্তমানে হাসপাতালে ছয়জনের মরদেহ রাখা আছে। ঘটনাস্থল থেকে আরও দুজনের মরদেহ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নুরুল আলম বলেন, ছয়জনকে হাসপাতালে আনা হলে পাঁচজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। তাদের মরদেহ লাশঘরে রাখা হয়েছে। তিনি জানান, দুপুর আড়াইটার দিকে আহত ব্যক্তিটিও মারা যান।
ফায়ার সার্ভিসের চট্টগ্রামের কুমিরা স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা মো. মামুন বলেন, ফেরদৌস স্টিল শিপইয়ার্ড থেকে তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে আরও তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
ইয়ার্ডের ম্যানেজার মো. ইউসুফ বলেন, একটি এলএনজি জাহাজ কাটা হচ্ছিল এবং কাজ শেষপর্যায়ে ছিল। জাহাজের একটি অংশে তরল বর্জ্য দেখতে পেয়ে সেফটি অফিসারসহ কয়েকজন সেখানে গিয়েছিলেন। সেখানেই দুর্ঘটনা ঘটে।
শ্রমিকনেতা ফজলুর কবির মিন্টু অভিযোগ করেন, জাহাজের ভেতরে জমে থাকা তরল বর্জ্য বা গ্যাসের উপস্থিতি পরীক্ষা না করেই শ্রমিকদের প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল, যা মালিকপক্ষের গাফিলতি। তিনি জানান, বন্ধের দিন সেখানে কাজ চলছিল এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের (ডিআইএফই) ডিআইজি মাহবুব হাসান বলেন, ঘটনার কারণ জানতে তারা কাজ করছেন।

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে একটি জাহাজ ভাঙার কাজ চলাকালে বিষাক্ত গ্যাসে আট শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে উপজেলার ভাটিয়ারী এলাকায় ফেরদৌস স্টিল নামে একটি জাহাজভাঙা কারখানায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিসের ধারণা, জাহাজ কাটার সময় সেখানে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে। সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলমগীর জানান, এ ঘটনায় মোট আটজন মারা গেছেন। বর্তমানে হাসপাতালে ছয়জনের মরদেহ রাখা আছে। ঘটনাস্থল থেকে আরও দুজনের মরদেহ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নুরুল আলম বলেন, ছয়জনকে হাসপাতালে আনা হলে পাঁচজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। তাদের মরদেহ লাশঘরে রাখা হয়েছে। তিনি জানান, দুপুর আড়াইটার দিকে আহত ব্যক্তিটিও মারা যান।
ফায়ার সার্ভিসের চট্টগ্রামের কুমিরা স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা মো. মামুন বলেন, ফেরদৌস স্টিল শিপইয়ার্ড থেকে তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে আরও তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
ইয়ার্ডের ম্যানেজার মো. ইউসুফ বলেন, একটি এলএনজি জাহাজ কাটা হচ্ছিল এবং কাজ শেষপর্যায়ে ছিল। জাহাজের একটি অংশে তরল বর্জ্য দেখতে পেয়ে সেফটি অফিসারসহ কয়েকজন সেখানে গিয়েছিলেন। সেখানেই দুর্ঘটনা ঘটে।
শ্রমিকনেতা ফজলুর কবির মিন্টু অভিযোগ করেন, জাহাজের ভেতরে জমে থাকা তরল বর্জ্য বা গ্যাসের উপস্থিতি পরীক্ষা না করেই শ্রমিকদের প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল, যা মালিকপক্ষের গাফিলতি। তিনি জানান, বন্ধের দিন সেখানে কাজ চলছিল এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের (ডিআইএফই) ডিআইজি মাহবুব হাসান বলেন, ঘটনার কারণ জানতে তারা কাজ করছেন।

আপনার মতামত লিখুন