মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় ধলেশ্বরী নদীতে ডুবে নাহিদ হাসান নামের ১০ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার পারতিল্লি গ্রামে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নাহিদ ওই গ্রামের ওয়াসিমের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাড়ির পাশে ধলেশ্বরী নদীর পাড়ে খেলছিল নাহিদ। একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত সে নদীতে পড়ে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘ সময় তাকে খুঁজে না পেয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। খবর পেয়ে আরিচা ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
প্রায় তিন ঘণ্টার নিরবচ্ছিন্ন চেষ্টা চালিয়ে বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে নদী থেকে নাহিদকে উদ্ধার করেন ডুবুরিরা। পরে দ্রুত তাকে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সাটুরিয়া ফায়ার সার্ভিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়ার পরপরই ডুবুরি দল উদ্ধার কাজে অংশ নেয়। শিশুটিকে উদ্ধারের পর দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হলেও শেষ রক্ষা হয়নি।
এদিকে ফুটফুটে শিশু নাহিদের এমন অকালমৃত্যুতে পারতিল্লি গ্রাম ও আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ছেলের শোকে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন মা-বাবা। স্থানীয় প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে।

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় ধলেশ্বরী নদীতে ডুবে নাহিদ হাসান নামের ১০ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার পারতিল্লি গ্রামে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নাহিদ ওই গ্রামের ওয়াসিমের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাড়ির পাশে ধলেশ্বরী নদীর পাড়ে খেলছিল নাহিদ। একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত সে নদীতে পড়ে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘ সময় তাকে খুঁজে না পেয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। খবর পেয়ে আরিচা ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
প্রায় তিন ঘণ্টার নিরবচ্ছিন্ন চেষ্টা চালিয়ে বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে নদী থেকে নাহিদকে উদ্ধার করেন ডুবুরিরা। পরে দ্রুত তাকে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সাটুরিয়া ফায়ার সার্ভিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়ার পরপরই ডুবুরি দল উদ্ধার কাজে অংশ নেয়। শিশুটিকে উদ্ধারের পর দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হলেও শেষ রক্ষা হয়নি।
এদিকে ফুটফুটে শিশু নাহিদের এমন অকালমৃত্যুতে পারতিল্লি গ্রাম ও আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ছেলের শোকে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন মা-বাবা। স্থানীয় প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন