সংবাদ

নরসিংদীতে ট্রেনের ধাক্কায় প্রবাসীর মৃত্যু


প্রতিনিধি, নরসিংদী
প্রতিনিধি, নরসিংদী
প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪৪ এএম

নরসিংদীতে ট্রেনের ধাক্কায় প্রবাসীর মৃত্যু
ছবি : সংগৃহীত

নরসিংদী রেলস্টেশনের জিরো পয়েন্ট এলাকায় ঢাকাগামী গোধূলি এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় শাহ আলম (৬৫) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাত আটটার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শাহ আলম নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের কীর্তিনিবাসদী গ্রামের মৃত ইউনুস আলীর ছেলে। তিনি শহরের পশ্চিম ব্রাহ্মন্দী এলাকায় পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, শাহ আলম কর্মজীবনের প্রায় ২২ বছর প্রবাসে কাটিয়েছেন। দেশে ফেরার পর তিনি দুবার হৃদরোগে আক্রান্ত হন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি সাধারণত কেবল নামাজ পড়ার জন্যই বাসা থেকে বের হতেন। শুক্রবারেও আছরের নামাজের আগে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু রাতে তার মৃত্যুর খবর আসে।

নিহতের বড় ছেলে তানজিমুল তৌহিদ লিমন আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, ‘বাবা দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকে আমাদের বড় করেছেন। অসুস্থ শরীর নিয়ে শুধু নামাজ পড়তেই বাইরে যেতেন। এভাবে বাবাকে হারাতে হবে তা কখনো ভাবিনি।’

নিহতের বন্ধু চিকিৎসক কামাল উদ্দিন বলেন, প্রতিদিন তারা রেলস্টেশন মসজিদে একসঙ্গে নামাজ পড়তেন। তবে শুক্রবার দেখা হয়নি। এশার নামাজ পড়তে এসে তিনি শাহ আলমের মৃত্যুর খবর জানতে পারেন।

নরসিংদী রেলওয়ে ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) দীলিপ চন্দ্র সরকার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ফাঁড়িতে আনা হয়। পরে পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬


নরসিংদীতে ট্রেনের ধাক্কায় প্রবাসীর মৃত্যু

প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নরসিংদী রেলস্টেশনের জিরো পয়েন্ট এলাকায় ঢাকাগামী গোধূলি এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় শাহ আলম (৬৫) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাত আটটার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শাহ আলম নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের কীর্তিনিবাসদী গ্রামের মৃত ইউনুস আলীর ছেলে। তিনি শহরের পশ্চিম ব্রাহ্মন্দী এলাকায় পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, শাহ আলম কর্মজীবনের প্রায় ২২ বছর প্রবাসে কাটিয়েছেন। দেশে ফেরার পর তিনি দুবার হৃদরোগে আক্রান্ত হন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি সাধারণত কেবল নামাজ পড়ার জন্যই বাসা থেকে বের হতেন। শুক্রবারেও আছরের নামাজের আগে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু রাতে তার মৃত্যুর খবর আসে।

নিহতের বড় ছেলে তানজিমুল তৌহিদ লিমন আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, ‘বাবা দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকে আমাদের বড় করেছেন। অসুস্থ শরীর নিয়ে শুধু নামাজ পড়তেই বাইরে যেতেন। এভাবে বাবাকে হারাতে হবে তা কখনো ভাবিনি।’

নিহতের বন্ধু চিকিৎসক কামাল উদ্দিন বলেন, প্রতিদিন তারা রেলস্টেশন মসজিদে একসঙ্গে নামাজ পড়তেন। তবে শুক্রবার দেখা হয়নি। এশার নামাজ পড়তে এসে তিনি শাহ আলমের মৃত্যুর খবর জানতে পারেন।

নরসিংদী রেলওয়ে ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) দীলিপ চন্দ্র সরকার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ফাঁড়িতে আনা হয়। পরে পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত