বাংলাদেশকে একটি কার্যকর ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সমস্যার দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেছেন, 'বিগত স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার রেখে যাওয়া সংকট কাটিয়ে উঠতে সময় লাগবে এবং আগামী ১০ বছরের মধ্যে বিদ্যুৎ সমস্যার টেকসই সমাধান করা হবে।'
রবিবার (১৬ আগস্ট) সকালে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়ি ঘাট এলাকায় পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬’ উপলক্ষে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ ও স্থানীয়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী সকাল সাড়ে ১১টায় সড়কপথে ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জে পৌঁছান। সেখানে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন এবং প্রান্তিক মৎস্যচাষিদের মাঝে পোনা বিতরণ কার্যক্রমে অংশ নেন। সরকারপ্রধানের আগমনকে কেন্দ্র করে নদের দুই পাড়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।
শুভেচ্ছা বিনিময়কালে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “জনগণের আস্থার দল হিসেবে বিএনপি দেশের বিদ্যমান সব সমস্যার সমাধানে কাজ করছে। তবে যেকোনো কার্যকর পরিবর্তনের জন্য সরকারকে পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে।” উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে এবং রাজপথে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে কিছু রাজনৈতিক দল তৎপর রয়েছে উল্লেখ করে তিনি দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে পাকুন্দিয়া ও পার্শ্ববর্তী ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি আবারও সামনে এনেছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পাকুন্দিয়া অংশে ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর একটি সংযোগ সেতু নির্মিত হলে দুই অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা ও সামগ্রিক জীবনমানের বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটবে। বিগত ছয় মাসে সরকারের প্রতিশ্রুত বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ধারাবাহিক বাস্তবায়নে আশাবাদী স্থানীয়রা বিশ্বাস করেন, সরকার দ্রুতই এই সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেবে।
পাকুন্দিয়ার কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী বেলা ১টায় কটিয়াদী কার্প হ্যাচারি কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। পরে তিনি কটিয়াদীর আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউশন মাঠে ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এবং মৎস্য খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ উদ্যোক্তাদের হাতে জাতীয় পুরস্কার তুলে দেন। এছাড়া কিশোরগঞ্জের পুরাতন স্টেডিয়ামে সরকারের বিশেষ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনেরও কথা রয়েছে।
/

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশকে একটি কার্যকর ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সমস্যার দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেছেন, 'বিগত স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার রেখে যাওয়া সংকট কাটিয়ে উঠতে সময় লাগবে এবং আগামী ১০ বছরের মধ্যে বিদ্যুৎ সমস্যার টেকসই সমাধান করা হবে।'
রবিবার (১৬ আগস্ট) সকালে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়ি ঘাট এলাকায় পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬’ উপলক্ষে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ ও স্থানীয়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী সকাল সাড়ে ১১টায় সড়কপথে ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জে পৌঁছান। সেখানে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন এবং প্রান্তিক মৎস্যচাষিদের মাঝে পোনা বিতরণ কার্যক্রমে অংশ নেন। সরকারপ্রধানের আগমনকে কেন্দ্র করে নদের দুই পাড়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।
শুভেচ্ছা বিনিময়কালে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “জনগণের আস্থার দল হিসেবে বিএনপি দেশের বিদ্যমান সব সমস্যার সমাধানে কাজ করছে। তবে যেকোনো কার্যকর পরিবর্তনের জন্য সরকারকে পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে।” উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে এবং রাজপথে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে কিছু রাজনৈতিক দল তৎপর রয়েছে উল্লেখ করে তিনি দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে পাকুন্দিয়া ও পার্শ্ববর্তী ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি আবারও সামনে এনেছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পাকুন্দিয়া অংশে ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর একটি সংযোগ সেতু নির্মিত হলে দুই অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা ও সামগ্রিক জীবনমানের বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটবে। বিগত ছয় মাসে সরকারের প্রতিশ্রুত বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ধারাবাহিক বাস্তবায়নে আশাবাদী স্থানীয়রা বিশ্বাস করেন, সরকার দ্রুতই এই সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেবে।
পাকুন্দিয়ার কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী বেলা ১টায় কটিয়াদী কার্প হ্যাচারি কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। পরে তিনি কটিয়াদীর আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউশন মাঠে ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এবং মৎস্য খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ উদ্যোক্তাদের হাতে জাতীয় পুরস্কার তুলে দেন। এছাড়া কিশোরগঞ্জের পুরাতন স্টেডিয়ামে সরকারের বিশেষ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনেরও কথা রয়েছে।
/

আপনার মতামত লিখুন