সংবাদ

শেরপুরে আইসক্রিমে বিষাক্ত কেমিক্যাল: ১ লাখ টাকা জরিমানা


প্রতিনিধি, শেরপুর (বগুড়া)
প্রতিনিধি, শেরপুর (বগুড়া)
প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৫১ এএম

শেরপুরে আইসক্রিমে বিষাক্ত কেমিক্যাল: ১ লাখ টাকা জরিমানা
ছবি : সংবাদ

বগুড়ার শেরপুরে শিশুদের জন্য তৈরি আইসক্রিমে বিষাক্ত কেমিক্যাল ও নিষিদ্ধ ঘনচিনি ব্যবহারের দায়ে ‘প্রিন্স সুপার আইসক্রিম’ কারখানাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নের বাগড়া কলোনি এলাকায় জেলা প্রশাসন ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে এই অভিযান চালায়।

অভিযান সূত্রে জানা গেছে, কোনো প্রকার নিবন্ধন ছাড়াই অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ওই কারখানায় আইসক্রিম তৈরি করা হচ্ছিল। আইসক্রিম আকর্ষণীয় করতে এতে মানবদেহের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ সোডিয়াম সাইক্ল্যামেট (ঘনচিনি) এবং টেক্সটাইল গ্রেডের বিষাক্ত রং মেশানোর প্রমাণ পাওয়া যায়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহরাব হোসেনের নেতৃত্বে পরিচালিত এই ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারখানার মালিক শিহাব উদ্দিন প্রিন্স (৪৮) তার অপরাধ স্বীকার করেন। পরে নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ অনুযায়ী তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং তাৎক্ষণিক তা আদায় করা হয়। এ ছাড়া কারখানায় থাকা বিপুল পরিমাণ ভেজাল আইসক্রিম ও বিষাক্ত কাঁচামাল জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।

অভিযানে শেরপুর উপজেলার নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক তাহমিনা আক্তার ও জেলা পুলিশের একটি দল সহযোগিতা করে।

বগুড়া জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. রাসেল বলেন, ‘শিশুদের স্বাস্থ্যের ঝুঁকি বিবেচনা করে এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়েছে। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এবং খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলাজুড়ে আমাদের এই তদারকি অব্যাহত থাকবে।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬


শেরপুরে আইসক্রিমে বিষাক্ত কেমিক্যাল: ১ লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বগুড়ার শেরপুরে শিশুদের জন্য তৈরি আইসক্রিমে বিষাক্ত কেমিক্যাল ও নিষিদ্ধ ঘনচিনি ব্যবহারের দায়ে ‘প্রিন্স সুপার আইসক্রিম’ কারখানাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নের বাগড়া কলোনি এলাকায় জেলা প্রশাসন ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে এই অভিযান চালায়।

অভিযান সূত্রে জানা গেছে, কোনো প্রকার নিবন্ধন ছাড়াই অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ওই কারখানায় আইসক্রিম তৈরি করা হচ্ছিল। আইসক্রিম আকর্ষণীয় করতে এতে মানবদেহের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ সোডিয়াম সাইক্ল্যামেট (ঘনচিনি) এবং টেক্সটাইল গ্রেডের বিষাক্ত রং মেশানোর প্রমাণ পাওয়া যায়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহরাব হোসেনের নেতৃত্বে পরিচালিত এই ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারখানার মালিক শিহাব উদ্দিন প্রিন্স (৪৮) তার অপরাধ স্বীকার করেন। পরে নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ অনুযায়ী তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং তাৎক্ষণিক তা আদায় করা হয়। এ ছাড়া কারখানায় থাকা বিপুল পরিমাণ ভেজাল আইসক্রিম ও বিষাক্ত কাঁচামাল জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।

অভিযানে শেরপুর উপজেলার নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক তাহমিনা আক্তার ও জেলা পুলিশের একটি দল সহযোগিতা করে।

বগুড়া জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. রাসেল বলেন, ‘শিশুদের স্বাস্থ্যের ঝুঁকি বিবেচনা করে এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়েছে। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এবং খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলাজুড়ে আমাদের এই তদারকি অব্যাহত থাকবে।’


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত